Battle of Plassey, 1757
1757 · Plassey
Language Movement, 1952
1952 · Language
Liberation War, 1971
1971 · Liberation
Partition of Bengal and Swadeshi movement, 1905
1905 · Partition
❦

Discover Bengal · Unfolded

❦

২০২৬ — ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন

✦

মূল প্রশ্ন ছিল: ২০২৪-এর সহিংসতা ও রূপান্তরের পর সত্যিকারের প্রতিযোগিতামূলক ভোট কি আস্থা ফিরিয়ে আনতে পারে?

২০২৫ সালের ১১ ডিসেম্বর সময়সূচি ঘোষণার পর বাংলাদেশ ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজন করে। অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস ১৩ ফেব্রুয়ারি জানায়, স্থানীয় গণমাধ্যম ও বিএনপি নেতাদের বক্তব্য অনুযায়ী দলটি সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে বলে দাবি করা হয়; ফলে এই ভোট অভ্যুত্থান-পরবর্তী প্রথম বড় সংসদীয় ক্ষমতা-বদলের মুহূর্তে পরিণত হয়।[1][2]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি

Est. 1947 · Bengal✺A Bilingual Archive

পাঠের ধরন

ওভারভিউ

✦

২০২৪-এর অভ্যুত্থানের পর প্রথম প্রতিযোগিতামূলক সংসদীয় ভোটে বাংলাদেশে নির্বাচনী বৈধতা পুনর্গঠনের পরীক্ষা হয়।

এই অধ্যায়টি সাইটের পদ্ধতি অনুযায়ী পর্যালোচিত। ভবিষ্যৎ সংস্করণে পরিবর্তনের ইতিহাস প্রকাশ করা হবে।

এই অধ্যায়ের রিভিউ পদ্ধতি দেখুন

দ্রুত উত্তর

২০২৫ সালের ১১ ডিসেম্বর সময়সূচি ঘোষণার পর বাংলাদেশ ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজন করে। অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস ১৩ ফেব্রুয়ারি জানায়, স্থানীয় গণমাধ্যম ও বিএনপি নেতাদের বক্তব্য অনুযায়ী দলটি সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে বলে দাবি করা হয়; ফলে এই ভোট অভ্যুত্থান-পরবর্তী প্রথম বড় সংসদীয় ক্ষমতা-বদলের মুহূর্তে পরিণত হয়।[1][2]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি

টাইমলাইন প্রেক্ষাপট

✦

ঐতিহাসিক সম্পর্ক

✦

পটভূমির অধ্যায়

২০০৬-২০০৮

তত্ত্বাবধায়ক সংকট ও জরুরি শাসন

২০০৬ সালের শেষভাগ থেকে ২০০৮ পর্যন্ত বাংলাদেশ তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থাকে ঘিরে তীব্র সংকট অতিক্রম করে। বিতর্কিত নির্বাচন-প্রস্তুতি, রাজপথের সংঘাত, ১১ জানুয়ারির জরুরি অবস্থা এবং দীর্ঘ অনির্বাচিত প্রশাসনের পর দেশ আবার নির্বাচনী রাজনীতিতে ফিরে আসে।

২০১৪

দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন

বাংলাদেশের দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হয়, যখন নির্বাচন নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থার অধীনে হবে কি না তা নিয়ে কয়েক মাসের তীব্র রাজনৈতিক সংঘাত চলছিল। প্রধান বিরোধী জোট ভোট বর্জন করে, বহু আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়নি, এবং নির্বাচন-দিনসহ এর আগে-পরে প্রাণঘাতী সহিংসতা ঘটে; ফলে এই নির্বাচন ১৯৯০-পরবর্তী বাংলাদেশি রাজনীতির সবচেয়ে বিতর্কিত মোড়গুলোর একটিতে পরিণত হয়।

২০২৪

বৈষম্য বিরোধী আন্দোলন

২০২৪ সালের বৈষম্য বিরোধী আন্দোলন শুরু হয় সরকারি চাকরির কোটা ব্যবস্থার পুনর্বহালকে কেন্দ্র করে। দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা মেধাভিত্তিক নিয়োগ নিশ্চিত করার দাবিতে আন্দোলনে নামে। এই আন্দোলন দ্রুত দেশব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে এবং এক পর্যায়ে তা বৃহত্তর সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রতিবাদে রূপ নেয়।

টাইমলাইন

✦

মূল ব্যক্তিত্ব

✦

তারেক রহমান

নেতৃত্বব্যক্তি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের চেয়ারম্যান

“নির্বাসন শেষে ফিরে ২০২৬ সালের নির্বাচনে বিএনপির নেতৃত্ব দেওয়া দলের চেয়ারম্যান।”

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান হিসেবে ১৭ বছরের নির্বাসন শেষে বাংলাদেশে ফিরে তারেক রহমান ২০২৬ সালের সংসদ নির্বাচনে দলের প্রধান প্রচারমুখ হয়ে ওঠেন।

২০২৬ সালের নির্বাচন বিএনপির প্রচারণা এবং ভোটের পর সরকার গঠনের আলোচনায় তারেক রহমানকে কেন্দ্রীয় ভূমিকায় আনে। সমসাময়িক প্রতিবেদনে বিএনপি সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে বলে জানানো হলেও পরবর্তী রাজনৈতিক ফলাফলকে এরপরের রূপান্তর-পর্বের সঙ্গে যুক্ত করে দেখা হয়।

তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন ও নির্বাচনী নেতৃত্ব বিএনপির জাতীয় নির্বাহী রাজনীতিতে ফেরার প্রক্রিয়ায় তাঁকে প্রধান রাজনৈতিক অভিনেতায় পরিণত করে। এই প্রোফাইলটি দলীয় নেতৃত্ব ও নির্বাচনী রূপান্তরের সময়সীমাবদ্ধ বিবরণ; নির্বাচন বা পরবর্তী সংস্কারের ফল এককভাবে কোনো একজন রাজনীতিক নির্ধারণ করেছেন—এমন দাবি নয়।

বিএনপিনির্বাচন ২০২৬দলীয় নেতৃত্বরাজনৈতিক রূপান্তর
বিস্তারিত→

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

নেতৃত্বব্যক্তি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের মহাসচিব

“২০২৬ প্রচারণায় বিএনপির শীর্ষ সাংগঠনিক কণ্ঠ।”

তিনি ২০২৬ সালের নির্বাচনী প্রচারণা এবং নির্বাচনের পর বিএনপির সংসদীয় প্রত্যাবর্তনে দলের জ্যেষ্ঠ কৌশলবিদ ও মুখপাত্র হিসেবে কাজ করেন।

২০২৬ সালে বিএনপির প্রচারণা নেতৃত্ব ও সংসদীয় দল গঠন।

বিএনপির নির্বাচনী জয়কে তিনি শাসন ও সংসদীয় এজেন্ডায় রূপ দিতে সহায়তা করেন।

বিএনপিনির্বাচন ২০২৬সংগঠন
বিস্তারিত→

সালাহউদ্দিন আহমেদ

নেতৃত্বব্যক্তি

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য, সংসদ সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

“কক্সবাজার-১ আসনে জয়ী হয়ে ২০২৬ সালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হওয়া বিএনপি নেতা।”

বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতা হিসেবে তিনি ২০২৬ সালের সংসদীয় নির্বাচনে কক্সবাজার-১ আসনে জয়ী হন এবং নতুন সরকারে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব নেন।

সালাহউদ্দিন আহমেদ বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটিতে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং ২০২৫–২০২৬ সালের নির্বাচনী রূপান্তরে দলের জ্যেষ্ঠ প্রকাশ্য মুখ ছিলেন। ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ সালের নির্বাচনে তিনি চকরিয়া ও পেকুয়া নিয়ে গঠিত কক্সবাজার-১ আসনে জয়ী হন; পরে মন্ত্রিসভায় যোগ দেন।

দলীয় নেতৃত্ব ও নির্বাচনী প্রচার থেকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তাঁর যাত্রা বিএনপির নির্বাচনী সংগঠন এবং নতুন সরকারের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও জনশৃঙ্খলা-সংক্রান্ত দায়িত্বের মধ্যে একটি দৃশ্যমান সংযোগ তৈরি করে।

বিএনপিনির্বাচন ২০২৬রূপান্তরসংসদ
বিস্তারিত→

ড. মুহাম্মদ ইউনূস

নেতৃত্বব্যক্তি

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা

“ছাত্রপ্রস্তাবিত নেতৃত্ব হিসেবে তিনি উত্তরণের কেন্দ্রীয় সেতুবন্ধন।”

আগস্ট ২০২৪-এ শেখ হাসিনার পদত্যাগের পর ছাত্রসমন্বয়কদের প্রস্তাবে নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস অন্তর্বর্তী সরকারের নেতৃত্ব গ্রহণ করেন।

অভ্যুত্থান-পরবর্তী রূপান্তর; ৮ আগস্ট ২০২৪ শপথ।

তিনি রাজপথের আন্দোলন থেকে অন্তর্বর্তী শাসন কাঠামোয় রূপান্তরের প্রাতিষ্ঠানিক মুখ হয়ে ওঠেন।

অন্তর্বর্তী সরকাররূপান্তরপ্রধান উপদেষ্টা২০২৪
বিস্তারিত→

বদিউল আলম মজুমদার

নেতৃত্বব্যক্তি

নির্বাচন সংস্কার কমিশনের প্রধান

“২০২৪-পরবর্তী সংস্কারের দাবিকে বিস্তারিত প্রাতিষ্ঠানিক কর্মসূচিতে রূপ দেওয়া নির্বাচন সংস্কার কমিশনের প্রধান।”

বাংলাদেশের নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের প্রধান হিসেবে তিনি ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে জমা দেওয়া প্রায় ১৫০টি সুপারিশের প্রস্তুতিতে নেতৃত্ব দেন। এসব প্রস্তাবে নির্বাচন প্রশাসন, প্রার্থীর জবাবদিহি, ভোটারের পছন্দ এবং নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতা নিয়ে পরিবর্তনের কথা বলা হয়।

২০২৪-এর অভ্যুত্থানের পর এবং ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে কমিশনটি কাজ করে। তাদের প্রস্তাবের মধ্যে সম্ভাব্য ‘না ভোট’ ব্যবস্থা, প্রার্থীর হলফনামায় তথ্য প্রকাশ জোরদার, গুরুতর অপরাধে অভিযুক্ত বা দণ্ডিত ব্যক্তিদের নির্বাচনে অংশগ্রহণে বিধিনিষেধ এবং গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা ঝুঁকিতে পড়লে নির্বাচন কমিশনের স্থগিতাদেশ চাওয়ার সীমিত ক্ষমতার কথা ছিল।

মজুমদার নির্বাচনী সংস্কারের সাধারণ দাবিকে বাংলাদেশের রূপান্তরপর্বের জন্য একটি বিস্তারিত প্রাতিষ্ঠানিক কর্মসূচিতে রূপ দিতে সহায়তা করেন। তাঁর কমিশনের সুপারিশ জাতীয় ঐকমত্য কমিশন ও ২০২৬ সালের নির্বাচন-পূর্ব সংস্কার আলোচনায় ব্যবহৃত হয়; তবে এগুলো ছিল সুপারিশ, প্রতিটি পরিবর্তন গৃহীত বা বাস্তবায়িত হয়েছে—এমন প্রমাণ নয়।

সংস্কার কমিশননির্বাচন ২০২৬স্বচ্ছতা
বিস্তারিত→

ক্যাটাগরি অনুযায়ী রিসোর্স

✦

সাব-ক্যাটাগরি অনুযায়ী রিসোর্স ব্রাউজ করুন

রেফারেন্স সূত্র · Encyclopedia and Archive Reference

সিইসি: ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও গণভোট

— ঢাকা ট্রিবিউন

আর্কাইভ

১১ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ নির্বাচন ও গণভোটের সময়সূচি ঘোষণার সংবাদপ্রতিবেদন; এতে গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়াগত তারিখও রয়েছে।

গবেষণা প্রবন্ধ ও পেপার · Scholarly Articles and Papers

বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনী চক্রে জাতিসংঘের সহায়তা

— ইউনাইটেড নেশনস ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম (ইউএনডিপি)

প্রাথমিক

ইউএনডিপির প্রকাশনা, যেখানে ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ নির্বাচন-তারিখসহ ত্রয়োদশ নির্বাচনী চক্রে জাতিসংঘের কারিগরি সহায়তার পরিধি বর্ণনা করা হয়েছে।

গবেষণা প্রবন্ধ ও পেপার · Scholarly Articles and Papers

আসন্ন নির্বাচন নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সহায়তা ব্রিফিং করে জাতিসংঘ

— জাতিসংঘ বাংলাদেশ

প্রাথমিক

৪ ডিসেম্বর ২০২৫-এর জাতিসংঘ বাংলাদেশ প্রেস রিলিজ; এতে নির্বাচনী কারিগরি সহায়তা, BALLOT প্রকল্পের অগ্রগতি ও দলীয় ব্রিফিংয়ের তথ্য আছে।

রেফারেন্স সূত্র · Encyclopedia and Archive Reference

বাংলাদেশ ২০২৬ ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষক মিশন: পরিচিতি

— ইউরোপীয় এক্সটার্নাল অ্যাকশন সার্ভিস (ইইএএস)

প্রাথমিক

ইইএএস-এর অফিসিয়াল পৃষ্ঠা, যেখানে বলা হয়েছে ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ নির্ধারিত বাংলাদেশের সংসদ নির্বাচন পর্যবেক্ষণে ইইউ মিশন মোতায়েন করা হয়।

রেফারেন্স সূত্র · Encyclopedia and Archive Reference

বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচনী প্রক্রিয়া গণতন্ত্র পুনর্নবীকরণের পথ খুলেছে

— European External Action Service (EEAS)

প্রাথমিক

১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত ইউরোপীয় ইউনিয়নের নির্বাচন পর্যবেক্ষক মিশনের প্রাথমিক বিবৃতি, যেখানে ১২ ফেব্রুয়ারির সংসদ নির্বাচনকে প্রতিযোগিতামূলক ও দক্ষতার সঙ্গে পরিচালিত বলা হলেও স্থানীয় সহিংসতা ও ভয়ের কথাও উল্লেখ করা হয়।

রেফারেন্স সূত্র · Encyclopedia and Archive Reference

১৭ বছরের নির্বাসন শেষে তারেক রহমান বাংলাদেশের নেতৃত্বের দ্বারপ্রান্তে

— Associated Press

আর্কাইভ

১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এর ভোটের পর প্রকাশিত অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের প্রতিবেদন, যেখানে স্থানীয় গণমাধ্যম ও বিএনপির দাবি অনুযায়ী দলটি সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে বলে উপস্থাপন করা হয় এবং নির্বাচনের তাৎক্ষণিক রাজনৈতিক ফলাফল ব্যাখ্যা করা হয়।

প্রশ্নোত্তর

✦

FAQ

২০২৬ নির্বাচনকে শুধু ভোটদিনের বাইরে কেন দেখা হয়?

কারণ প্রক্রিয়া নকশা, অংশগ্রহণ ও আস্থাকেই গণতান্ত্রিক ফলের কেন্দ্র হিসেবে ধরা হচ্ছে।

FAQ

২০২৬ কীভাবে আগের নির্বাচনের সঙ্গে যুক্ত?

বৈধতা, প্রতিযোগিতা ও প্রাতিষ্ঠানিক নিরপেক্ষতা নিয়ে অমীমাংসিত বিতর্কই এর প্রেক্ষাপট।

FAQ

ত্রয়োদশ নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে অংশগ্রহণ এত গুরুত্বপূর্ণ কেন?

ফলাফলের দীর্ঘস্থায়ী রাজনৈতিক গ্রহণযোগ্যতা অনেকটাই বিস্তৃত অংশগ্রহণের ওপর নির্ভর করে।

উদ্ধৃতি

✦

দীর্ঘ অনাস্থার পর নির্বাচনী বিশ্বাসযোগ্যতা পুনর্গঠনের পরীক্ষাক্ষণ হিসেবে ২০২৬-কে দেখা হয়।

ত্রয়োদশ নির্বাচন প্রেক্ষাপট নিয়ে ঐতিহাসিক প্রতিফলন

দাবি-স্তরের সূত্রায়ন

✦

২০২৫ সালের ১১ ডিসেম্বর প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসির উদ্দিন ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এর ভোটের সময়সূচি ঘোষণা করেন, এবং পরে অন্তর্বর্তী রূপান্তর-পর্বেই নির্বাচনটি অনুষ্ঠিত হয়।

[1][2]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি

২০২৬ সালের নির্বাচন গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি ২০২৪-এর অভ্যুত্থান ও অন্তর্বর্তী শাসনের পর একটি নতুন সংসদীয় ফলাফলের পাশাপাশি প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচনী রাজনীতিতে প্রত্যাবর্তনের প্রশ্নও পরীক্ষা করে।

[1][2]প্রমাণের শক্তি: উচ্চ

জাতিসংঘ-সমর্থিত নির্বাচনী চক্র ও আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষণ কাঠামো ২০২৬-এর নির্বাচনে ফলাফলের পাশাপাশি প্রক্রিয়ার বিশ্বাসযোগ্যতাকেও একটি প্রধান মানদণ্ডে পরিণত করে।

[1][2]প্রমাণের শক্তি: উচ্চ

দীর্ঘমেয়াদে ২০২৬ সালের নির্বাচনের তাৎপর্য নির্ভর করবে এই প্রশ্নে: প্রতিযোগিতামূলক ভোট, সংসদীয় ক্ষমতা-বদল, এবং পর্যবেক্ষক-সমর্থিত প্রক্রিয়াগত বিশ্বাসযোগ্যতা কি একক রূপান্তর-নির্বাচনের বাইরে টেকসই প্রমাণিত হয়েছে কি না।

[1][2]প্রমাণের শক্তি: উচ্চ

২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি নাগাদ এই নির্বাচনকে শুধু সময়সূচির ঘটনা হিসেবে নয়, বরং প্রতিযোগিতামূলক সংসদীয় রাজনীতি, বহিরাগত পর্যবেক্ষণ, এবং আইনসভায় স্বীকৃত ক্ষমতা-বদল আবার সম্ভব কি না - সেই পরীক্ষার মুহূর্ত হিসেবে স্মরণ করা হচ্ছিল।

[1][2]প্রমাণের শক্তি: উচ্চ

কেন এই ঘটনা আজও গুরুত্বপূর্ণ

✦

২০২৬ সালের নির্বাচন শুধু নতুন সংসদীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা তৈরি করেছে বলে গুরুত্বপূর্ণ নয়; এটি দেখিয়েছে ২০২৪-এর অভ্যুত্থান ও অন্তর্বর্তী শাসনের পর বাংলাদেশ প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচনী রাজনীতিতে ফিরতে পারছে কি না। ইইউ পর্যবেক্ষকরা প্রক্রিয়াকে বিশ্বাসযোগ্য ও দক্ষতার সঙ্গে পরিচালিত বলে মূল্যায়ন করলেও স্থানীয় সহিংসতা ও ভয়ের কথাও উল্লেখ করে; ফলে প্রক্রিয়াগত বৈধতাই এই ঘটনার কেন্দ্রীয় ঐতিহাসিক ফলাফলে পরিণত হয়।[1][2]প্রমাণের শক্তি: উচ্চ

দীর্ঘমেয়াদি উত্তরাধিকার

✦

দীর্ঘমেয়াদে ২০২৬ সালের নির্বাচনের তাৎপর্য নির্ভর করবে এই প্রশ্নে: প্রতিযোগিতামূলক ভোট, সংসদীয় ক্ষমতা-বদল, এবং পর্যবেক্ষক-সমর্থিত প্রক্রিয়াগত বিশ্বাসযোগ্যতা কি একক রূপান্তর-নির্বাচনের বাইরে টেকসই প্রমাণিত হয়েছে কি না।[1][2]প্রমাণের শক্তি: উচ্চ

পরিচয় ও স্মৃতি নোট

✦

২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি নাগাদ এই নির্বাচনকে শুধু সময়সূচির ঘটনা হিসেবে নয়, বরং প্রতিযোগিতামূলক সংসদীয় রাজনীতি, বহিরাগত পর্যবেক্ষণ, এবং আইনসভায় স্বীকৃত ক্ষমতা-বদল আবার সম্ভব কি না - সেই পরীক্ষার মুহূর্ত হিসেবে স্মরণ করা হচ্ছিল।[1][2]প্রমাণের শক্তি: উচ্চ