Historical Memory Journey

২০১৪ — দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন

২০১৪ সালের ভোট প্রশ্ন তোলে: ব্যাপক অংশগ্রহণ ছাড়া নির্বাচন কি জনসম্মত বৈধতা অর্জন করতে পারে?

বাংলাদেশের দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হয়, যখন নির্বাচন নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থার অধীনে হবে কি না তা নিয়ে কয়েক মাসের তীব্র রাজনৈতিক সংঘাত চলছিল। প্রধান বিরোধী জোট ভোট বর্জন করে, বহু আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়নি, এবং নির্বাচন-দিনসহ এর আগে-পরে প্রাণঘাতী সহিংসতা ঘটে; ফলে এই নির্বাচন ১৯৯০-পরবর্তী বাংলাদেশি রাজনীতির সবচেয়ে বিতর্কিত মোড়গুলোর একটিতে পরিণত হয়।[1][2]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি

ওভারভিউ

বহুদলীয় অংশগ্রহণহীন এই নির্বাচন বাংলাদেশে নির্বাচনী বৈধতার সংকটকে আরও গভীর করে।

গুরুত্ব: উচ্চসমসাময়িক স্মৃতি ও নাগরিক প্রতিবাদধারা: স্মৃতি, ন্যায়বিচার ও নাগরিক প্রতিরোধস্থান: বাংলা অঞ্চলসংবেদনশীল বিষয়বস্তু

এই অধ্যায়ে সংবেদনশীল ঐতিহাসিক বিষয় আছে। পাঠে বিচক্ষণতা প্রয়োজন।

সতর্কতা: election violence, political repression allegations

শক্তিশালী সূত্র আবশ্যক

টাইমলাইন প্রেক্ষাপট

এই ক্লাস্টারের সংযুক্ত অধ্যায়গুলো

এখনও কোনো চাইল্ড অধ্যায় যোগ করা হয়নি।

ঐতিহাসিক সম্পর্ক

পটভূমির অধ্যায়

২০০৬-২০০৮

তত্ত্বাবধায়ক সংকট ও জরুরি শাসন

২০০৬ সালের শেষভাগ থেকে ২০০৮ পর্যন্ত বাংলাদেশ তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থাকে ঘিরে তীব্র সংকট অতিক্রম করে। বিতর্কিত নির্বাচন-প্রস্তুতি, রাজপথের সংঘাত, ১১ জানুয়ারির জরুরি অবস্থা এবং দীর্ঘ অনির্বাচিত প্রশাসনের পর দেশ আবার নির্বাচনী রাজনীতিতে ফিরে আসে।

২০১৩

শাহবাগ আন্দোলন

২০১৩ সালের শুরুতে ঢাকার শাহবাগে ১৯৭১ সালের যুদ্ধাপরাধের বিচার নিয়ে কঠোর জবাবদিহির দাবিতে ব্যাপক গণসমাবেশ গড়ে ওঠে। শিক্ষার্থী, ব্লগার, সাংস্কৃতিক কর্মী ও সাধারণ নাগরিকদের অংশগ্রহণে শাহবাগ একটি ধারাবাহিক প্রতিবাদমঞ্চে পরিণত হয় এবং স্মৃতি-রাজনীতি ও ন্যায়বিচার জাতীয় বিতর্কের কেন্দ্রে আসে।

টাইমলাইন

২০১১-২০১৩

প্রমাণের শক্তি: মাঝারি

তত্ত্বাবধায়ক কাঠামো নিয়ে বিরোধ আরও তীব্র হয়

পরবর্তী জাতীয় সংসদ নির্বাচন নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থার অধীনে হবে, নাকি ক্ষমতাসীন সরকারের অধীনে হবে, তা নিয়ে বড় রাজনৈতিক সংঘাত গড়ে ওঠে।[1][2]

২৫ নভেম্বর ২০১৩

প্রমাণের শক্তি: মাঝারি

৫ জানুয়ারি ২০১৪-র ভোটসূচি ঘোষণা করা হয়

সরকার ও বিরোধী পক্ষের মধ্যে সমঝোতা ব্যর্থ হওয়ার পরও নির্বাচন কমিশন দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তারিখ নির্ধারণ করে।[1][2]

২০১৩-এর শেষভাগ

প্রমাণের শক্তি: মাঝারি

ভোট বর্জন ও দেশজুড়ে সহিংসতা বৃদ্ধি পায়

বিএনপি-নেতৃত্বাধীন জোট নির্বাচন বর্জন করে, আর ভোটের আগে-পরে হরতাল, অবরোধ, অগ্নিসংযোগ ও সংঘর্ষ দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে।[1][2]

৫ জানুয়ারি ২০১৪

প্রমাণের শক্তি: মাঝারি

সীমিত প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও প্রাণঘাতী অস্থিরতার মধ্যে ভোট হয়

অনেক আসন আগেই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্ধারিত হয়ে যাওয়ার পর, প্রধান বিরোধী শক্তির অনুপস্থিতিতে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে ভোটগ্রহণ হয়; কিন্তু সহিংসতা, বাধা ও বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে তীব্র প্রশ্ন থেকেই যায়।[1][2]

৯-১২ জানুয়ারি ২০১৪

প্রমাণের শক্তি: মাঝারি

নতুন সংসদ ও সরকার শপথ নেয়

নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ নেন এবং শেখ হাসিনা নতুন সরকার গঠন করেন, কিন্তু নির্বাচনের বৈধতা নিয়ে রাজনৈতিক অচলাবস্থা কাটেনি।[1][2]

মূল ব্যক্তিত্ব

শেখ হাসিনা

নেতৃত্বব্যক্তি

৮-দলীয় জোটের নেত্রী

আওয়ামী লীগের নেতা হিসেবে তিনি ১৯৯০-এর সিদ্ধান্তমূলক গণঅভ্যুত্থান পর্যন্ত প্রধান এরশাদবিরোধী জোটগুলোর একটি ধরে রাখেন।

১৯৮০-এর শেষভাগ ও ১৯৯০-এর এরশাদবিরোধী আন্দোলন এবং গণতান্ত্রিক রূপান্তর।

তাদের ভূমিকা স্বৈরশাসনের অবসান ঘটানো গণঅভ্যুত্থানকে বিস্তৃত, বৈধ এবং কার্যকর করে তোলে।

বিস্তারিত

খালেদা জিয়া

নেতৃত্বব্যক্তি

৭-দলীয় জোটের নেত্রী

বিএনপির চেয়ারপারসন হিসেবে তিনি এরশাদবিরোধী এমন এক প্রধান জোটের নেতৃত্ব দেন, যা আন্দোলনকে সত্যিকার অর্থে জাতীয় মুখোমুখিতে রূপ দেয়।

১৯৮০-এর শেষভাগ ও ১৯৯০-এর এরশাদবিরোধী আন্দোলন এবং গণতান্ত্রিক রূপান্তর।

তাদের ভূমিকা স্বৈরশাসনের অবসান ঘটানো গণঅভ্যুত্থানকে বিস্তৃত, বৈধ এবং কার্যকর করে তোলে।

বিস্তারিত

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ

সংগঠনদল

রাজনৈতিক সংগঠন

এই সমষ্টি বা সংগঠন এরশাদবিরোধী আন্দোলনকে কেবল দলীয় লড়াইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখেনি; বরং গণতান্ত্রিক প্রতিরোধকে সামাজিকভাবে আরও বিস্তৃত ও টেকসই করেছে।

১৯৯০-এর গণঅভ্যুত্থানকে গড়ে তোলা বৃহত্তর প্রতিবাদী সংস্কৃতি।

তাদের উপস্থিতি দেখায় যে গণঅভ্যুত্থান সাংগঠনিক গভীরতা, সামাজিক জোট এবং সমন্বিত জনঅংশগ্রহণের ওপর দাঁড়িয়ে ছিল।

বিস্তারিত

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল

সংগঠনদল

রাজনৈতিক সংগঠন

এই সমষ্টি বা সংগঠন এরশাদবিরোধী আন্দোলনকে কেবল দলীয় লড়াইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখেনি; বরং গণতান্ত্রিক প্রতিরোধকে সামাজিকভাবে আরও বিস্তৃত ও টেকসই করেছে।

১৯৯০-এর গণঅভ্যুত্থানকে গড়ে তোলা বৃহত্তর প্রতিবাদী সংস্কৃতি।

তাদের উপস্থিতি দেখায় যে গণঅভ্যুত্থান সাংগঠনিক গভীরতা, সামাজিক জোট এবং সমন্বিত জনঅংশগ্রহণের ওপর দাঁড়িয়ে ছিল।

বিস্তারিত

ক্যাটাগরি অনুযায়ী রিসোর্স

সাব-ক্যাটাগরি অনুযায়ী রিসোর্স ব্রাউজ করুন

বাংলাদেশ: সহিংসতায় ক্ষতবিক্ষত নির্বাচন

হিউম্যান রাইটস ওয়াচ

বোঝুন · গবেষণা

গৌণ

দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে নির্বাচন-পূর্ব, নির্বাচন-দিন ও পরবর্তী সহিংসতা নিয়ে হিউম্যান রাইটস ওয়াচের বিশ্লেষণ।

নবনির্বাচিত বাংলাদেশি সংসদ সদস্যদের শপথ

আল জাজিরা

বোঝুন · গবেষণা

গৌণ

৫ জানুয়ারি ২০১৪-র ভোটের পরবর্তী সংসদীয় পরিস্থিতি, শপথগ্রহণ এবং বৈধতা-সংকটের ধারাবাহিকতা নিয়ে আল জাজিরার প্রতিবেদন।

প্রশ্নোত্তর

২০১৪ সালের সংসদ নির্বাচনকে কীভাবে চিহ্নিত করা যায়?

বর্জন, তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা এবং অংশগ্রহণ-প্রতিযোগিতা নিয়ে বৈধতা বিতর্কের প্রেক্ষাপটে নির্বাচনটি অনুষ্ঠিত হয়।

এই নির্বাচন বিতর্কিত হলো কেন?

নির্বাচনকালীন শাসন কাঠামো ও বিরোধী অংশগ্রহণ নিয়ে মতভেদ প্রতিনিধিত্বের প্রশ্নকে সামনে আনে।

২০১৪ প্রাতিষ্ঠানিক রাজনীতিতে কী প্রভাব ফেলে?

মেরুকরণ তীব্র হয় এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়া বনাম ক্ষমতার সংহতি নিয়ে ভারসাম্য বদলে যায়।

বর্তমান রাজনীতিতে ২০১৪ কেন এখনও গুরুত্বপূর্ণ?

নির্বাচন বিশ্বাসযোগ্যতা ও গণতান্ত্রিক অন্তর্ভুক্তি বিতর্কে এটি একটি কেন্দ্রীয় রেফারেন্স।

উদ্ধৃতি

২০১৪ নির্বাচনী বৈধতাকেই রাজনীতির প্রধান সংঘর্ষক্ষেত্রে পরিণত করে।

২০১৪ নিয়ে ঐতিহাসিক প্রতিফলন

দাবি-স্তরের সূত্রায়ন

বাংলাদেশের দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হয়, যখন নির্বাচন নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থার অধীনে হবে কি না তা নিয়ে কয়েক মাসের তীব্র রাজনৈতিক সংঘাত চলছিল। প্রধান বিরোধী জোট ভোট বর্জন করে, বহু আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়নি, এবং নির্বাচন-দিনসহ এর আগে-পরে প্রাণঘাতী সহিংসতা ঘটে; ফলে এই নির্বাচন ১৯৯০-পরবর্তী বাংলাদেশি রাজনীতির সবচেয়ে বিতর্কিত মোড়গুলোর একটিতে পরিণত হয়।

[1][2]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি

২০১৪ সালের নির্বাচন গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক গতিপথকে নতুনভাবে প্রভাবিত করে। এটি প্রধান রাজনৈতিক শক্তিগুলোর মধ্যে অবিশ্বাসকে আরও কঠিন করে, অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচনের ওপর আস্থা কমায়, এবং প্রতিনিধিত্ব, রাষ্ট্রক্ষমতা ও বিশ্বাসযোগ্য জাতীয় নির্বাচনের শর্ত নিয়ে পরবর্তী বিতর্কের একটি কেন্দ্রীয় রেফারেন্সে পরিণত হয়।

[1][2]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি

কেন এই ঘটনা আজও গুরুত্বপূর্ণ

২০১৪ সালের নির্বাচন গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক গতিপথকে নতুনভাবে প্রভাবিত করে। এটি প্রধান রাজনৈতিক শক্তিগুলোর মধ্যে অবিশ্বাসকে আরও কঠিন করে, অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচনের ওপর আস্থা কমায়, এবং প্রতিনিধিত্ব, রাষ্ট্রক্ষমতা ও বিশ্বাসযোগ্য জাতীয় নির্বাচনের শর্ত নিয়ে পরবর্তী বিতর্কের একটি কেন্দ্রীয় রেফারেন্সে পরিণত হয়।[1][2]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি