Battle of Plassey, 1757
1757 · Plassey
Language Movement, 1952
1952 · Language
Liberation War, 1971
1971 · Liberation
Partition of Bengal and Swadeshi movement, 1905
1905 · Partition

Discover Bengal · Unfolded

২০১৮ — একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন

সংখ্যাগত ফল স্পষ্ট ছিল, কিন্তু রাজনৈতিক বৈধতা নিয়ে বিরোধ তীব্রই থেকে যায়।

বাংলাদেশ ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর ৩০০টি সরাসরি নির্বাচিত আসনের জন্য একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজন করে। সরকারি/রেফারেন্সভিত্তিক নির্বাচনী ডেটায় ক্ষমতাসীন জোটের বিপুল জয় দেখা যায়, কিন্তু বিরোধী নেতৃত্ব ফল প্রত্যাখ্যান করে এবং অধিকারভিত্তিক প্রতিবেদনে নির্বাচন-পূর্ব নিয়ন্ত্রণমূলক পরিবেশের অভিযোগ নথিভুক্ত হয়।[1][2][3]প্রমাণের শক্তি: উচ্চ

Est. 1947 · BengalA Bilingual Archive

পাঠের ধরন

ওভারভিউ

৩০ ডিসেম্বর ২০১৮-এর এই নির্বাচন সংখ্যাগতভাবে বিপুল ফল দেয়, কিন্তু নির্বাচন-পূর্ব ও নির্বাচন-দিনের পরিবেশ নিয়ে দীর্ঘস্থায়ী বিতর্কও তৈরি করে।

এই অধ্যায়টি সাইটের পদ্ধতি অনুযায়ী পর্যালোচিত। ভবিষ্যৎ সংস্করণে পরিবর্তনের ইতিহাস প্রকাশ করা হবে।

এই অধ্যায়ের রিভিউ পদ্ধতি দেখুন

দ্রুত উত্তর

বাংলাদেশ ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর ৩০০টি সরাসরি নির্বাচিত আসনের জন্য একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজন করে। সরকারি/রেফারেন্সভিত্তিক নির্বাচনী ডেটায় ক্ষমতাসীন জোটের বিপুল জয় দেখা যায়, কিন্তু বিরোধী নেতৃত্ব ফল প্রত্যাখ্যান করে এবং অধিকারভিত্তিক প্রতিবেদনে নির্বাচন-পূর্ব নিয়ন্ত্রণমূলক পরিবেশের অভিযোগ নথিভুক্ত হয়।[1][2][3]প্রমাণের শক্তি: উচ্চ

টাইমলাইন প্রেক্ষাপট

ঐতিহাসিক সম্পর্ক

পটভূমির অধ্যায়

২০১৪

দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন

বাংলাদেশের দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হয়, যখন নির্বাচন নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থার অধীনে হবে কি না তা নিয়ে কয়েক মাসের তীব্র রাজনৈতিক সংঘাত চলছিল। প্রধান বিরোধী জোট ভোট বর্জন করে, বহু আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়নি, এবং নির্বাচন-দিনসহ এর আগে-পরে প্রাণঘাতী সহিংসতা ঘটে; ফলে এই নির্বাচন ১৯৯০-পরবর্তী বাংলাদেশি রাজনীতির সবচেয়ে বিতর্কিত মোড়গুলোর একটিতে পরিণত হয়।

২০১৮

ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট প্রণয়ন

২০১৮ সালের অক্টোবরে ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট কার্যকর হয় এবং দ্রুতই বাংলাদেশে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিয়ে বিতর্কের কেন্দ্রে উঠে আসে। সমালোচকেরা যুক্তি দেন, এর অস্পষ্ট ধারা, বিস্তৃত পুলিশি ক্ষমতা এবং বক্তব্য-সংক্রান্ত শাস্তির বিধান সাংবাদিকদের ভয় দেখাতে, ভিন্নমত দমন করতে এবং ডিজিটাল পরিসরে রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণ বাড়াতে ব্যবহৃত হতে পারে।

টাইমলাইন

মূল ব্যক্তিত্ব

শেখ হাসিনা

নেতৃত্বব্যক্তি

আওয়ামী লীগ নেতা ও ২০২৪ গণঅভ্যুত্থানের সময়ের প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তিনি জুলাই-আগস্ট ২০২৪ দমন-পীড়নের সময় আওয়ামী লীগ সরকারের নেতৃত্ব দেন এবং ছাত্রনেতৃত্বাধীন গণঅভ্যুত্থান চূড়ান্ত রূপ নেওয়ার পর ৫ আগস্ট ২০২৪ পদত্যাগ করেন।

এরশাদবিরোধী আন্দোলন থেকে ২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন ও পদত্যাগ-পরবর্তী রূপান্তর পর্যন্ত বাংলাদেশের রাজনীতি।

তার পদত্যাগ প্রতিবাদকে রাষ্ট্রীয় রূপান্তরের মুহূর্তে পরিণত করে এবং দমন-পীড়নের জবাবদিহিকে জনআলোচনার কেন্দ্রে আনে।

১৯৯০গণতন্ত্রএরশাদবিরোধী আন্দোলনদলীয় রাজনীতি
বিস্তারিত

খালেদা জিয়া

নেতৃত্বব্যক্তি

৭-দলীয় জোটের নেত্রী

বিএনপির চেয়ারপারসন হিসেবে তিনি এরশাদবিরোধী এমন এক প্রধান জোটের নেতৃত্ব দেন, যা আন্দোলনকে সত্যিকার অর্থে জাতীয় মুখোমুখিতে রূপ দেয়।

১৯৮০-এর শেষভাগ ও ১৯৯০-এর এরশাদবিরোধী আন্দোলন এবং গণতান্ত্রিক রূপান্তর।

তাদের ভূমিকা স্বৈরশাসনের অবসান ঘটানো গণঅভ্যুত্থানকে বিস্তৃত, বৈধ এবং কার্যকর করে তোলে।

১৯৯০গণতন্ত্রএরশাদবিরোধী আন্দোলনদলীয় রাজনীতি
বিস্তারিত

হাসানুল হক ইনু

নেতৃত্বব্যক্তি

জাসদ রাজনীতিক, সাবেক সংসদ সদস্য ও সাবেক তথ্যমন্ত্রী

জাসদ রাজনীতি, স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন, ১৪ দলীয় জোট এবং তথ্যমন্ত্রী হিসেবে পরিচিত দীর্ঘকালীন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব।

তিনি ছাত্র রাজনীতি, মুক্তিযুদ্ধ-পরবর্তী জাসদ রাজনীতি, এরশাদবিরোধী আন্দোলন, সংসদীয় রাজনীতি এবং আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন জোট সরকারের তথ্যমন্ত্রী হিসেবে বাংলাদেশের বাম-জাতীয়তাবাদী ও জোটভিত্তিক রাজনীতিতে দীর্ঘ সময় সক্রিয় ছিলেন।

ছাত্র রাজনীতি, ১৯৭১ মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপট, জাসদের উত্থান, ১৯৭০-এর দশকের রাষ্ট্রগঠন-পরবর্তী রাজনৈতিক সংঘাত, ১৯৯০-এর স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন, ১৪ দলীয় জোট রাজনীতি এবং ২০০৮-পরবর্তী সংসদীয় রাজনীতি।

তার রাজনৈতিক জীবন বাংলাদেশের বাম রাজনীতি, জাসদের রাজনৈতিক ধারা, স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন, জোট রাজনীতি এবং রাষ্ট্রীয় তথ্য-যোগাযোগ নীতির সঙ্গে যুক্ত। একই সঙ্গে ১৯৭০-এর দশক ও ২০১০-এর দশকের রাজনৈতিক বিতর্কে তার ভূমিকা নিয়ে ভিন্নমত ও বিতর্ক রয়েছে।

জাসদবাম রাজনীতিশিক্ষার্থী রাজনীতিমুক্তিযুদ্ধ যুদ্ধ ১৯৭১
বিস্তারিত

জোনায়েদ সাকি

নেতৃত্বব্যক্তি

গণসংহতি আন্দোলনের সাবেক প্রধান সমন্বয়ক, বাম-গণতান্ত্রিক রাজনীতিক ও রাষ্ট্র-সংস্কারপন্থী কণ্ঠ

ভোটাধিকার, রাষ্ট্র সংস্কার, জাতীয় সম্পদ ও নাগরিক অধিকারের প্রশ্নে পরিচিত বাম-গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক কণ্ঠ।

তিনি ছাত্র রাজনীতি থেকে শুরু করে গণসংহতি আন্দোলনের নেতৃত্ব, জাতীয় সম্পদ রক্ষা, ভোটাধিকার, নাগরিক অধিকার, রাষ্ট্র সংস্কার এবং ২০২৪-পরবর্তী রাজনৈতিক রূপান্তর বিতর্কে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন।

বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন, গণসংহতি আন্দোলন, বাম-গণতান্ত্রিক রাজনীতি, জাতীয় সম্পদ রক্ষা আন্দোলন, ভোটাধিকার আন্দোলন, গণতন্ত্র মঞ্চ, রাষ্ট্র সংস্কার বিতর্ক এবং ২০২৪-পরবর্তী রাজনৈতিক রূপান্তর আলোচনা।

তাঁর রাজনৈতিক ভূমিকা বাংলাদেশের বিকল্প রাজনৈতিক ধারা, নাগরিক আন্দোলন, নির্বাচন-সংস্কার, গণতান্ত্রিক জবাবদিহিতা এবং রাষ্ট্র-সংস্কার আলোচনার সঙ্গে যুক্ত।

শিক্ষার্থী রাজনীতিবাম রাজনীতিগণসংহতি আন্দোলনভোট অধিকার
বিস্তারিত

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ

সংগঠনদল

রাজনৈতিক সংগঠন

এই সমষ্টি বা সংগঠন এরশাদবিরোধী আন্দোলনকে কেবল দলীয় লড়াইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখেনি; বরং গণতান্ত্রিক প্রতিরোধকে সামাজিকভাবে আরও বিস্তৃত ও টেকসই করেছে।

১৯৯০-এর গণঅভ্যুত্থানকে গড়ে তোলা বৃহত্তর প্রতিবাদী সংস্কৃতি।

তাদের উপস্থিতি দেখায় যে গণঅভ্যুত্থান সাংগঠনিক গভীরতা, সামাজিক জোট এবং সমন্বিত জনঅংশগ্রহণের ওপর দাঁড়িয়ে ছিল।

১৯৯০গণতন্ত্রএরশাদবিরোধী আন্দোলনদলীয় রাজনীতি
বিস্তারিত

ক্যাটাগরি অনুযায়ী রিসোর্স

সাব-ক্যাটাগরি অনুযায়ী রিসোর্স ব্রাউজ করুন

প্রাথমিক সূত্র · Official Documents and Legal Texts

ক্রিয়েটিং প্যানিক: বাংলাদেশে নির্বাচনকে ঘিরে বিরোধী রাজনীতি ও সমালোচকদের ওপর দমন

হিউম্যান রাইটস ওয়াচ

গৌণ

হিউম্যান রাইটস ওয়াচের এই প্রতিবেদনটি নির্বাচন-পূর্ব দমনচিত্র তুলে ধরে এবং ২০১৮ সালের কোটা ও নিরাপদ সড়ক আন্দোলনকেও বৃহত্তর দমন-প্যাটার্নের অংশ হিসেবে দেখায়।

গবেষণা প্রবন্ধ ও পেপার · Scholarly Articles and Papers

আইএফইএস ইলেকশন গাইড: ২০১৮ বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচন

আইএফইএস ইলেকশন গাইড

গৌণ

বাংলাদেশের ২০১৮ সালের সংসদ নির্বাচনের তারিখ, কাঠামো ও আসনফল নিয়ে ইলেকশন গাইডের সারসংক্ষেপ।

গবেষণা প্রবন্ধ ও পেপার · Scholarly Articles and Papers

বাংলাদেশ সংসদ নির্বাচন ডিসেম্বর ২০১৮ (আইপিইউ পারলাইন)

ইন্টার-পার্লামেন্টারি ইউনিয়ন (আইপিইউ) পারলাইন

গৌণ

ইন্টার-পার্লামেন্টারি ইউনিয়নের পারলাইন এন্ট্রিতে ৩০ ডিসেম্বর ২০১৮ নির্বাচনের সময়, সংসদীয় প্রেক্ষাপট ও ফলাফল-সংক্রান্ত মেটাডেটা রয়েছে।

প্রশ্নোত্তর

FAQ

২০১৮ সালের সংসদ নির্বাচনকে কীভাবে চিহ্নিত করা যায়?

উচ্চঝুঁকির প্রতিদ্বন্দ্বিতা, ক্ষমতাসীন প্রভাব এবং প্রক্রিয়াগত ন্যায্যতা নিয়ে তীব্র বিতর্ক ছিল এর মূল বৈশিষ্ট্য।

FAQ

২০১৮ নির্বাচন এত বিতর্কিত কেন?

অংশগ্রহণের পরিবেশ, প্রচারণার বাস্তবতা ও ফলাফলের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বী বয়ান এখনও নিষ্পত্তিহীন।

FAQ

এই নির্বাচন পরবর্তী রাজনীতিকে কীভাবে প্রভাবিত করে?

বিরোধী কৌশল, প্রাতিষ্ঠানিক আস্থা এবং নির্বাচনী বনাম প্রশাসনিক ক্ষমতার ভারসাম্যে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলে।

FAQ

তুলনামূলক নির্বাচনী বিশ্লেষণে ২০১৮ কেন গুরুত্বপূর্ণ?

প্রতিযোগিতামূলক কর্তৃত্ববাদ বনাম প্রক্রিয়াগত গণতন্ত্র বিতর্কে এটি কেন্দ্রীয় কেস হিসেবে দেখা হয়।

উদ্ধৃতি

২০১৮ নির্বাচন জিতে যাওয়া আর বৈধতা পাওয়ার সম্পর্ককে আরও জটিল করে তোলে।

একাদশ নির্বাচন ২০১৮ নিয়ে ঐতিহাসিক প্রতিফলন

দাবি-স্তরের সূত্রায়ন

বাংলাদেশ ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর ৩০০টি সরাসরি নির্বাচিত আসনের জন্য একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজন করে।

[1][2]প্রমাণের শক্তি: উচ্চ

রেফারেন্সভিত্তিক নির্বাচনী ডেটায় ক্ষমতাসীন জোটের বিপুল জয় দেখা যায়, কিন্তু বিরোধী নেতৃত্ব ফল প্রত্যাখ্যান করে এবং অধিকারভিত্তিক প্রতিবেদনে নির্বাচন-পূর্ব নিয়ন্ত্রণমূলক পরিবেশের অভিযোগ নথিভুক্ত হয়।

[1][2][3]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি

২০১৮ নির্বাচন গণতান্ত্রিক পশ্চাদপসরণ আলোচনায় মানদণ্ড হয়ে ওঠে, কারণ প্রক্রিয়ার শর্ত, ভোটদিনের আস্থা ও ফল-স্বীকৃতি একসঙ্গে বিতর্কিত থাকে।

[1][2]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি

পুনর্মূল্যায়নে ২০১৮ ভোটকে এমন একটি রেফারেন্স কেস হিসেবে দেখা হয় যেখানে আসন-ফল স্পষ্টভাবে ঘোষিত হলেও নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিয়ে সংশয় দীর্ঘস্থায়ী থাকে।

[1][2]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি

নাগরিক স্মৃতিতে ৩০ ডিসেম্বর ২০১৮ শুধু বিপুল ফলের দিন নয়; এটি নির্বাচনী প্রতিযোগিতা ও প্রাতিষ্ঠানিক আস্থা নিয়ে বিতর্কের একটি বাঁকবদল হিসেবেও আলোচিত হয়।

[1][2]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি

কেন এই ঘটনা আজও গুরুত্বপূর্ণ

পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক পশ্চাদপসরণ নিয়ে আলোচনায় ২০১৮ নির্বাচন একটি প্রধান মানদণ্ডে পরিণত হয়, কারণ একই চক্রে তিনটি প্রশ্ন কেন্দ্রে আসে: ভোটের আগের প্রতিযোগিতার শর্ত, ভোটদিনের প্রক্রিয়ার ওপর আস্থা, এবং বড় রাজনৈতিক পক্ষগুলোর ফল-স্বীকৃতি।[1][2]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি

দীর্ঘমেয়াদি উত্তরাধিকার

পুনর্মূল্যায়নে ২০১৮ ভোটকে এমন একটি রেফারেন্স কেস হিসেবে দেখা হয় যেখানে আসন-ফল স্পষ্টভাবে ঘোষিত হলেও নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিয়ে সংশয় দীর্ঘস্থায়ী থাকে।[1][2]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি

পরিচয় ও স্মৃতি নোট

নাগরিক স্মৃতিতে ৩০ ডিসেম্বর ২০১৮ শুধু বিপুল ফলের দিন নয়; এটি নির্বাচনী প্রতিযোগিতা ও প্রাতিষ্ঠানিক আস্থা নিয়ে বিতর্কের একটি বাঁকবদল হিসেবেও আলোচিত হয়।[1][2]প্রমাণের শক্তি: মাঝারি