শেখ হাসিনা
নেতৃত্বব্যক্তি
আওয়ামী লীগ নেতা ও ২০২৪ গণঅভ্যুত্থানের সময়ের প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তিনি জুলাই-আগস্ট ২০২৪ দমন-পীড়নের সময় আওয়ামী লীগ সরকারের নেতৃত্ব দেন এবং ছাত্রনেতৃত্বাধীন গণঅভ্যুত্থান চূড়ান্ত রূপ নেওয়ার পর ৫ আগস্ট ২০২৪ পদত্যাগ করেন।
এরশাদবিরোধী আন্দোলন থেকে ২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন ও পদত্যাগ-পরবর্তী রূপান্তর পর্যন্ত বাংলাদেশের রাজনীতি।
তার পদত্যাগ প্রতিবাদকে রাষ্ট্রীয় রূপান্তরের মুহূর্তে পরিণত করে এবং দমন-পীড়নের জবাবদিহিকে জনআলোচনার কেন্দ্রে আনে।
১৯৯০গণতন্ত্রএরশাদবিরোধী আন্দোলনদলীয় রাজনীতি
বিস্তারিত→খালেদা জিয়া
নেতৃত্বব্যক্তি
৭-দলীয় জোটের নেত্রী
বিএনপির চেয়ারপারসন হিসেবে তিনি এরশাদবিরোধী এমন এক প্রধান জোটের নেতৃত্ব দেন, যা আন্দোলনকে সত্যিকার অর্থে জাতীয় মুখোমুখিতে রূপ দেয়।
১৯৮০-এর শেষভাগ ও ১৯৯০-এর এরশাদবিরোধী আন্দোলন এবং গণতান্ত্রিক রূপান্তর।
তাদের ভূমিকা স্বৈরশাসনের অবসান ঘটানো গণঅভ্যুত্থানকে বিস্তৃত, বৈধ এবং কার্যকর করে তোলে।
১৯৯০গণতন্ত্রএরশাদবিরোধী আন্দোলনদলীয় রাজনীতি
বিস্তারিত→হাসানুল হক ইনু
নেতৃত্বব্যক্তি
জাসদ রাজনীতিক, সাবেক সংসদ সদস্য ও সাবেক তথ্যমন্ত্রী
“জাসদ রাজনীতি, স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন, ১৪ দলীয় জোট এবং তথ্যমন্ত্রী হিসেবে পরিচিত দীর্ঘকালীন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব।”
তিনি ছাত্র রাজনীতি, মুক্তিযুদ্ধ-পরবর্তী জাসদ রাজনীতি, এরশাদবিরোধী আন্দোলন, সংসদীয় রাজনীতি এবং আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন জোট সরকারের তথ্যমন্ত্রী হিসেবে বাংলাদেশের বাম-জাতীয়তাবাদী ও জোটভিত্তিক রাজনীতিতে দীর্ঘ সময় সক্রিয় ছিলেন।
ছাত্র রাজনীতি, ১৯৭১ মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপট, জাসদের উত্থান, ১৯৭০-এর দশকের রাষ্ট্রগঠন-পরবর্তী রাজনৈতিক সংঘাত, ১৯৯০-এর স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন, ১৪ দলীয় জোট রাজনীতি এবং ২০০৮-পরবর্তী সংসদীয় রাজনীতি।
তার রাজনৈতিক জীবন বাংলাদেশের বাম রাজনীতি, জাসদের রাজনৈতিক ধারা, স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন, জোট রাজনীতি এবং রাষ্ট্রীয় তথ্য-যোগাযোগ নীতির সঙ্গে যুক্ত। একই সঙ্গে ১৯৭০-এর দশক ও ২০১০-এর দশকের রাজনৈতিক বিতর্কে তার ভূমিকা নিয়ে ভিন্নমত ও বিতর্ক রয়েছে।
জাসদবাম রাজনীতিশিক্ষার্থী রাজনীতিমুক্তিযুদ্ধ যুদ্ধ ১৯৭১
বিস্তারিত→জোনায়েদ সাকি
নেতৃত্বব্যক্তি
গণসংহতি আন্দোলনের সাবেক প্রধান সমন্বয়ক, বাম-গণতান্ত্রিক রাজনীতিক ও রাষ্ট্র-সংস্কারপন্থী কণ্ঠ
“ভোটাধিকার, রাষ্ট্র সংস্কার, জাতীয় সম্পদ ও নাগরিক অধিকারের প্রশ্নে পরিচিত বাম-গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক কণ্ঠ।”
তিনি ছাত্র রাজনীতি থেকে শুরু করে গণসংহতি আন্দোলনের নেতৃত্ব, জাতীয় সম্পদ রক্ষা, ভোটাধিকার, নাগরিক অধিকার, রাষ্ট্র সংস্কার এবং ২০২৪-পরবর্তী রাজনৈতিক রূপান্তর বিতর্কে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন।
বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন, গণসংহতি আন্দোলন, বাম-গণতান্ত্রিক রাজনীতি, জাতীয় সম্পদ রক্ষা আন্দোলন, ভোটাধিকার আন্দোলন, গণতন্ত্র মঞ্চ, রাষ্ট্র সংস্কার বিতর্ক এবং ২০২৪-পরবর্তী রাজনৈতিক রূপান্তর আলোচনা।
তাঁর রাজনৈতিক ভূমিকা বাংলাদেশের বিকল্প রাজনৈতিক ধারা, নাগরিক আন্দোলন, নির্বাচন-সংস্কার, গণতান্ত্রিক জবাবদিহিতা এবং রাষ্ট্র-সংস্কার আলোচনার সঙ্গে যুক্ত।
শিক্ষার্থী রাজনীতিবাম রাজনীতিগণসংহতি আন্দোলনভোট অধিকার
বিস্তারিত→বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ
সংগঠনদল
রাজনৈতিক সংগঠন
এই সমষ্টি বা সংগঠন এরশাদবিরোধী আন্দোলনকে কেবল দলীয় লড়াইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখেনি; বরং গণতান্ত্রিক প্রতিরোধকে সামাজিকভাবে আরও বিস্তৃত ও টেকসই করেছে।
১৯৯০-এর গণঅভ্যুত্থানকে গড়ে তোলা বৃহত্তর প্রতিবাদী সংস্কৃতি।
তাদের উপস্থিতি দেখায় যে গণঅভ্যুত্থান সাংগঠনিক গভীরতা, সামাজিক জোট এবং সমন্বিত জনঅংশগ্রহণের ওপর দাঁড়িয়ে ছিল।
১৯৯০গণতন্ত্রএরশাদবিরোধী আন্দোলনদলীয় রাজনীতি
বিস্তারিত→বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল
সংগঠনদল
রাজনৈতিক সংগঠন
এই সমষ্টি বা সংগঠন এরশাদবিরোধী আন্দোলনকে কেবল দলীয় লড়াইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখেনি; বরং গণতান্ত্রিক প্রতিরোধকে সামাজিকভাবে আরও বিস্তৃত ও টেকসই করেছে।
১৯৯০-এর গণঅভ্যুত্থানকে গড়ে তোলা বৃহত্তর প্রতিবাদী সংস্কৃতি।
তাদের উপস্থিতি দেখায় যে গণঅভ্যুত্থান সাংগঠনিক গভীরতা, সামাজিক জোট এবং সমন্বিত জনঅংশগ্রহণের ওপর দাঁড়িয়ে ছিল।
১৯৯০গণতন্ত্রএরশাদবিরোধী আন্দোলনদলীয় রাজনীতি
বিস্তারিত→গণফোরাম
সংগঠনদল
বাংলাদেশের সংস্কারমুখী রাজনৈতিক দল
“কামাল হোসেন এবং ২০১৮ সালের বিরোধী জোট রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত একটি সংস্কারমুখী দল।”
গণফোরাম সংবিধানবাদ, সংস্কার রাজনীতি এবং বিরোধী জোটগঠনের সঙ্গে যুক্ত, বিশেষত কামাল হোসেন ও ২০১৮ সালের জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট প্রেক্ষাপটে।
১৯৯০-পরবর্তী গণতন্ত্র, সাংবিধানিক সংস্কার বিতর্ক, নাগরিক সমাজ-সংলগ্ন রাজনীতি এবং বিতর্কিত ২০১৮ নির্বাচন।
এর ভূমিকা দেখায় কীভাবে সংস্কারমুখী ছোট দল ও আইন-সংবিধানভিত্তিক কণ্ঠ বাংলাদেশের বিরোধী রাজনীতি ও নির্বাচনী বৈধতা বিতর্কে প্রবেশ করেছে।
কামাল-হোসেনসংস্কার-রাজনীতি২০১৮-নির্বাচনবিরোধী-রাজনীতি
বিস্তারিত→রাশেদ খান মেনন
নেতৃত্বব্যক্তি
ওয়ার্কার্স পার্টির নেতা, বামপন্থী রাজনৈতিক সংগঠক, সংসদ সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী
রাশেদ খান মেনন বাংলাদেশের রাজনীতির একাধিক পর্যায়ে সক্রিয় ছিলেন: ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান-প্রেক্ষিতের ছাত্ররাজনীতি, বামপন্থী রাজনৈতিক সংগঠন, ওয়ার্কার্স পার্টির নেতৃত্ব, এরশাদবিরোধী আন্দোলন, সংসদীয় রাজনীতি এবং ১৪-দলীয় জোট-পর্বের জোট-রাজনীতি।
তাঁর রাজনৈতিক যাত্রা পাকিস্তান আমলের প্রতিবাদ-রাজনীতি, ১৯৭১-পরবর্তী বাম দলীয় পুনর্গঠন, বিরোধী ও জোট রাজনীতি এবং পরবর্তী সময়ে নির্বাচিত সরকার ও সংসদীয় প্রতিষ্ঠানে অংশগ্রহণ পর্যন্ত বিস্তৃত।
বাংলাদেশের বাম ও জোটভিত্তিক রাজনীতিতে তাঁকে দীর্ঘমেয়াদি রাজনৈতিক অভিনেতা হিসেবে আলোচিত করা হয়। পরবর্তী সময়ে তাঁর নির্বাচনী ও জোটগত অবস্থান, বিশেষত সরকারে অংশগ্রহণ, বিভিন্ন মহলে রাজনৈতিকভাবে বিতর্কিত হিসেবে বিবেচিত।
ছাত্ররাজনীতিগণঅভ্যুত্থান-১৯৬৯বামপন্থী-রাজনীতিওয়ার্কার্স-পার্টি-অব-বাংলাদেশ
বিস্তারিত→