শেখ হাসিনা
নেতৃত্বব্যক্তি
আওয়ামী লীগ নেতা ও ২০২৪ গণঅভ্যুত্থানের সময়ের প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তিনি জুলাই-আগস্ট ২০২৪ দমন-পীড়নের সময় আওয়ামী লীগ সরকারের নেতৃত্ব দেন এবং ছাত্রনেতৃত্বাধীন গণঅভ্যুত্থান চূড়ান্ত রূপ নেওয়ার পর ৫ আগস্ট ২০২৪ পদত্যাগ করেন।
এরশাদবিরোধী আন্দোলন থেকে ২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন ও পদত্যাগ-পরবর্তী রূপান্তর পর্যন্ত বাংলাদেশের রাজনীতি।
তার পদত্যাগ প্রতিবাদকে রাষ্ট্রীয় রূপান্তরের মুহূর্তে পরিণত করে এবং দমন-পীড়নের জবাবদিহিকে জনআলোচনার কেন্দ্রে আনে।
১৯৯০গণতন্ত্রএরশাদবিরোধী আন্দোলনদলীয় রাজনীতি
বিস্তারিত→নিজামুল হক
নেতৃত্বব্যক্তি
সাবেক হাইকোর্ট বিচারপতি ও আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান
“২০১২ সালের পদত্যাগকে ঘিরে জবাবদিহি ও বিচারিক বৈধতার বিতর্কে থাকা আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান।”
বিচারপতি মোহাম্মদ নিজামুল হক ২০১০ সালে কার্যকর হওয়া বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান ছিলেন। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় সংঘটিত অপরাধের বিচারপ্রক্রিয়ায় একজন হাইকোর্ট বিচারপতিকে এই দায়িত্ব কেন্দ্রীয় ভূমিকায় নিয়ে আসে।
তাঁর ট্রাইব্যুনাল-ভূমিকা এমন এক রাজনৈতিকভাবে স্পর্শকাতর বিচারপ্রক্রিয়ার অংশ ছিল, যেখানে দীর্ঘদিনের জবাবদিহির দাবি প্রমাণ, ন্যায়বিচারের প্রক্রিয়া, বিচারিক স্বাধীনতা ও জনস্মৃতির প্রশ্নের সঙ্গে যুক্ত হয়। ২০১২ সালের ডিসেম্বরে বিদেশে থাকা এক আইনবিশেষজ্ঞের সঙ্গে কথিত স্কাইপ যোগাযোগ ও ই-মেইল প্রকাশ নিয়ে বিতর্কের মধ্যে হক ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান পদ থেকে পদত্যাগ করেন।
হকের মেয়াদ বাংলাদেশের যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল প্রক্রিয়ার প্রাতিষ্ঠানিক গুরুত্ব ও বৈধতার চাপ—দুই-ই তুলে ধরে। ফাঁস হওয়া যোগাযোগের বিতর্কে বাইরের আইনি পরামর্শ ও সম্ভাব্য হস্তক্ষেপ নিয়ে প্রশ্ন ওঠে; তবে বিদ্যমান নথি একা এসব কথিত যোগাযোগ কোনো রায়ের ফল নির্ধারণ করেছে—এমন সিদ্ধান্তের প্রমাণ নয়।
আন্তর্জাতিক-অপরাধ-ট্রাইব্যুনালবিচারব্যবস্থা১৯৭১-জবাবদিহিবিচারিক-বৈধতা
বিস্তারিত→আব্দুল কাদের মোল্লা
নেতৃত্বব্যক্তি
রায়ের মাধ্যমে আন্দোলন শুরুর ট্রিগার ব্যক্তিত্ব
“আব্দুল কাদের মোল্লার ২০১৩ সালের ট্রাইব্যুনাল রায় শাহবাগ আন্দোলনের তাৎক্ষণিক অনুঘটক হয়ে ওঠে।”
২০১৩ সালের শাহবাগ-গণজাগরণ পর্বে তিনি সমাবেশ, পাল্টা প্রতিক্রিয়া বা উত্তরাধিকার-ভিত্তিক বিতর্কে দৃশ্যমান ভূমিকা রাখেন।
যুদ্ধাপরাধ বিচার, গণমোবিলাইজেশন ও পাল্টা-মোবিলাইজেশনকে ঘিরে ২০১৩ সালের বাংলাদেশের সংঘাতপূর্ণ জনপরিসর।
শাহবাগ-পর্ব ও তার উত্তরাধিকার নিয়ে জনমত, রাজনৈতিক অবস্থান ও স্মৃতি-আলোচনাকে প্রভাবিত করেন।
শাহবাগ২০১৩
বিস্তারিত→গোলাম আযম
নেতৃত্বব্যক্তি
ইসলামপন্থী রাজনৈতিক নেতা
জামায়াতে ইসলামীর পূর্ব পাকিস্তান নেতৃত্বের অংশ হিসেবে তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের বিরোধিতা করেন এবং বাংলাদেশের জনস্মৃতিতে ১৯৭১ সালের সহযোগিতাবাদী রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন।
১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীনতাবিরোধী রাজনৈতিক সংগঠন এবং পরে যুদ্ধাপরাধ ও সহযোগিতার প্রশ্নে বাংলাদেশের বিতর্ক।
তার প্রোফাইল সংবেদনশীল ও বিতর্কিত, কারণ এটি ১৯৭১ সালের সহযোগিতা, জবাবদিহি ও রাজনৈতিক উত্তরাধিকারের জনস্মৃতির কেন্দ্রে অবস্থান করে।
১৯৭১মুক্তিযুদ্ধ
বিস্তারিত→ইমরান এইচ. সরকার
নেতৃত্বব্যক্তি
গণজাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র
“ইমরান এইচ. সরকার ২০১৩ সালের শাহবাগে গণজাগরণ মঞ্চের প্রধান মুখপাত্র ও সংগঠকদের একজন ছিলেন।”
২০১৩ সালের শাহবাগ আন্দোলনে তিনি মুখপাত্র ও সংগঠক হিসেবে গণদাবি, কর্মসূচি ও জনসমাবেশের বার্তা সমন্বয় করেন।
ফেব্রুয়ারি ২০১৩-তে যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায় ঘিরে শাহবাগ ও দেশজুড়ে গড়ে ওঠা গণজাগরণ মঞ্চ।
আন্দোলনের দাবি জাতীয় আলোচনায় ধরে রাখা এবং দীর্ঘস্থায়ী গণমোবিলাইজেশনে তার ভূমিকা কেন্দ্রীয় ছিল।
শাহবাগগণজাগরণ-মঞ্চ২০১৩
বিস্তারিত→