Discover Bengal · Unfolded
❦বাংলাদেশ সরকার / বাংলাদেশ সংসদ
স্রষ্টা/অবদানকারী
এই নামের সাথে যুক্ত সব রিসোর্স একসাথে দেখুন।
রিসোর্সসমূহ
৫
সংবিধান (চতুর্থ সংশোধনী) আইন, ১৯৭৫
primary-sources · Official Documents and Legal Texts
২৫ জানুয়ারি ১৯৭৫-এর মূল সাংবিধানিক দলিল। রাষ্ট্রপতি শাসন, ক্ষমতার কেন্দ্রীকরণ এবং বাকশালের সাংবিধানিক ভিত্তি বোঝার জন্য এটি প্রধান source.
সংবিধান (ত্রয়োদশ সংশোধনী) আইন, ১৯৯৬
primary-sources · Official Documents and Legal Texts
নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার সাংবিধানিক ভিত্তি বোঝার জন্য core primary source; ২০০৬ সংকটের legal background.
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ আইন, ২০১০
primary-sources · Official Documents and Legal Texts
BDR থেকে Border Guard Bangladesh-এ institutional transformation, আইনগত কাঠামো ও post-mutiny reform বোঝার জন্য primary legal source.
আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনাল) আইন সংশোধনী, ২০১৩
primary-sources · Official Documents and Legal Texts
শাহবাগ আন্দোলনের পর prosecution appeal ও sentence enhancement debate বোঝার জন্য গুরুত্বপূর্ণ legal source.
সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮
primary-sources · Official Documents and Legal Texts
নিরাপদ সড়ক আন্দোলনের policy aftermath ও road safety governance বোঝার জন্য primary legal source.
সম্পর্কিত ইভেন্ট
৭
১৯৭৫
বাকশাল প্রতিষ্ঠা ও পতন
১৯৭৫ সালে বাংলাদেশ এক ঐতিহাসিক মোড়ে দাঁড়ায়: বাকশাল কাঠামোর দিকে অগ্রসর হওয়া, রাজনৈতিক ক্ষমতার কেন্দ্রীকরণ, ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকাণ্ড, এবং ৩ নভেম্বর জেলহত্যা। এই ধারাবাহিক ঘটনা রাষ্ট্র, দলীয় রাজনীতি ও সামরিক-বেসামরিক সম্পর্ককে দীর্ঘমেয়াদে বদলে দেয়।
২০০৭-২০০৮
জরুরি আমলের তত্ত্বাবধায়ক শাসন
২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারির জরুরি ঘোষণার পর বাংলাদেশ দীর্ঘ তত্ত্বাবধায়ক শাসনপর্বে প্রবেশ করে, যা নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠানের সক্রিয় সমর্থনে পরিচালিত হয়। দুর্নীতিবিরোধী অভিযান, রাজনৈতিক আটক এবং প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস একটি অনির্বাচিত কাঠামোর মধ্যে চলতে থাকে; পরে ২০০৮ সালের ডিসেম্বরের নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচিত সরকারে প্রত্যাবর্তন ঘটে। সমসাময়িক বাংলাদেশের সবচেয়ে বিতর্কিত রূপান্তরগুলোর একটি হিসেবে এই সময়কাল এখনও আলোচিত।
১৯৯৬
ত্রয়োদশ সংশোধন ও তত্ত্বাবধায়ক সরকার
১৯৯৬ সালে বাংলাদেশ ত্রয়োদশ সংশোধন গ্রহণ করে, যার মাধ্যমে সংসদীয় নির্বাচন পরিচালনার জন্য একটি নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়। বিরোধী দলের বয়কট, বিতর্কিত ফেব্রুয়ারি নির্বাচন, এবং নিরপেক্ষ নির্বাচনকালীন প্রশাসনের দাবির প্রেক্ষাপটে নির্বাচনী বিশ্বাসযোগ্যতা এক সাংবিধানিক প্রশ্নে পরিণত হয়।
২০০৯
বিডিআর বিদ্রোহ / পিলখানা হত্যাকাণ্ড
২০০৯ সালের ২৫-২৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকার পিলখানায় বাংলাদেশ রাইফেলসের কিছু সদস্যের বিদ্রোহ বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়াবহ অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সংকটগুলোর একটিতে পরিণত হয়। বাহিনীতে প্রেষণে থাকা বহু সেনা কর্মকর্তা নিহত হন, পরিবারের সদস্যরা সদর দপ্তরের ভেতরে আটকা পড়েন, এবং জরুরি শাসন শেষে সদ্য ক্ষমতায় আসা নির্বাচিত সরকার তাৎক্ষণিকভাবে রাষ্ট্রীয় কর্তৃত্বের কঠিন পরীক্ষার মুখোমুখি হয়।
২০১০
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রম শুরু
২০১০ সালে বাংলাদেশ ১৯৭৩ সালের আইনের অধীনে ১৯৭১-সংক্রান্ত অপরাধ বিচারের জন্য আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রম সক্রিয় করে। বহুদিনের অমীমাংসিত ন্যায়বিচারের দাবি আদালতে প্রবেশ করার সঙ্গে সঙ্গে জবাবদিহি, জনস্মৃতি, প্রক্রিয়াগত ন্যায্যতা এবং রাজনৈতিক বৈধতার প্রশ্ন নতুনভাবে সামনে আসে, যা দ্রুতই গণমোবিলাইজেশন ও পাল্টা-মবিলাইজেশনের রূপ নেয়।
২০১৩
শাহবাগ আন্দোলন
২০১৩ সালের শুরুতে ঢাকার শাহবাগে ১৯৭১ সালের যুদ্ধাপরাধের বিচার নিয়ে কঠোর জবাবদিহির দাবিতে ব্যাপক গণসমাবেশ গড়ে ওঠে। শিক্ষার্থী, ব্লগার, সাংস্কৃতিক কর্মী ও সাধারণ নাগরিকদের অংশগ্রহণে শাহবাগ একটি ধারাবাহিক প্রতিবাদমঞ্চে পরিণত হয় এবং স্মৃতি-রাজনীতি ও ন্যায়বিচার জাতীয় বিতর্কের কেন্দ্রে আসে।
২০১৮
প্রতিবাদ, নিয়ন্ত্রণ ও বিতর্কিত বৈধতার বছর
২০১৮ সালে বাংলাদেশে শিক্ষার্থী-নেতৃত্বাধীন প্রতিবাদ, আইনি নিয়ন্ত্রণের বিস্তার এবং নির্বাচনী সংঘাত দ্রুত ধারাবাহিকতায় দেখা যায়। কোটা সংস্কার আন্দোলন ও নিরাপদ সড়ক আন্দোলন দেখায় যে শিক্ষার্থীরা ন্যায়, জবাবদিহি ও দৈনন্দিন শাসন-সংক্রান্ত প্রশ্নে দ্রুত সংগঠিত হতে পারে। পরে ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট মতপ্রকাশ ও রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ায়, আর বছরের শেষে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অংশগ্রহণ, বৈধতা ও গণতান্ত্রিক প্রতিযোগিতার ভবিষ্যৎ নিয়ে বিতর্ককে আরও গভীর করে।