খাদিম হুসাইন রাজা
নেতৃত্বব্যক্তি
অপারেশন সার্চলাইট পরিকল্পনায় যুক্ত পাকিস্তান সেনা কমান্ডার
“অপারেশন সার্চলাইটের পরিকল্পনা পর্যায়ের সঙ্গে যুক্ত পাকিস্তান সেনা কমান্ডার।”
পূর্ব পাকিস্তানে পাকিস্তানের ১৪ ডিভিশনের কমান্ডার খাদিম হুসাইন রাজাকে অপারেশন সার্চলাইটে রূপ নেওয়া সামরিক পরিকল্পনায় কাজ করা কর্মকর্তাদের একজন হিসেবে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
১৯৭১ সালের মার্চে ঢাকায় পাকিস্তান সেনাবাহিনীর পরিকল্পনা এবং মুক্তিযুদ্ধ শুরু করে দেওয়া সামরিক দমন অভিযান।
তার ভূমিকা মার্চ ১৯৭১ দমন অভিযানের পেছনের কমান্ড-পরিকল্পনা স্তর বুঝতে সাহায্য করে।
১৯৭১অপারেশন সার্চলাইটপাকিস্তান সেনাবাহিনীসামরিক কমান্ড
বিস্তারিত→জাহানজেব আরবাব
নেতৃত্বব্যক্তি
১৯৭১ অভিযানের সঙ্গে যুক্ত পাকিস্তান সেনাবাহিনীর ব্রিগেড কমান্ডার
“১৯৭১ দমন অভিযান ও যুদ্ধের সঙ্গে যুক্ত ব্রিগেড-স্তরের পাকিস্তান সেনা কমান্ডার।”
জাহানজেব আরবাবকে পূর্ব পাকিস্তানে ১৯৭১ সালের অভিযানের সঙ্গে যুক্ত পাকিস্তান সেনাবাহিনীর মাঠপর্যায়ের কমান্ডার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, বিশেষত দমন অভিযানের বিবরণে ঢাকা-এলাকার কমান্ড প্রেক্ষাপটে।
১৯৭১ সালের দমন অভিযান ও যুদ্ধে পূর্ব পাকিস্তানে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর অপারেশনাল কমান্ড।
তার প্রোফাইল অপারেশন সার্চলাইটের উচ্চপর্যায়ের পরিকল্পনাকে ব্রিগেড-স্তরের বাস্তবায়ন ও মাঠপর্যায়ের কমান্ডের সঙ্গে যুক্ত করে।
১৯৭১পাকিস্তান সেনাবাহিনীঅপারেশন সার্চলাইটসামরিক কমান্ড
বিস্তারিত→খন্দকার মোশতাক আহমেদ
নেতৃত্বব্যক্তি
পাকিস্তান আমলের আওয়ামী লীগ রাজনীতিক; ১৯৭১-এর যুদ্ধকালীন ও স্বাধীনতা-পরবর্তী মন্ত্রিসভার সদস্য; ১৫ আগস্ট ১৯৭৫-এর পর রাষ্ট্রপতি
খন্দকার মোশতাক আহমেদ পাকিস্তান আমলে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন এবং ১৯৭১ সালের যুদ্ধকালীন অস্থায়ী সরকার-প্রেক্ষাপট ও স্বাধীনতা-পরবর্তী মন্ত্রিসভায় ভূমিকা পালন করেন।
১৫ আগস্ট ১৯৭৫-এর পর তিনি দ্রুত ক্ষমতা-পরিবর্তনের মধ্যে রাষ্ট্রপতি হন; এই পর্যায়টি সাংবিধানিক বৈধতা নিয়ে তর্ক-বিতর্ক, ইনডেমনিটি অর্ডিন্যান্স জারি, এবং ১৯৭৫-পরবর্তী রাজনৈতিক পুনর্গঠনের সঙ্গে যুক্ত।
বাংলাদেশের ইতিহাসে তাঁর উত্তরাধিকার বিতর্কিত ও সংবেদনশীল: ১৯৭১-এর রাজনৈতিক নেতৃত্ব, স্বাধীনতা-পরবর্তী রাষ্ট্রগঠন, এবং ১৯৭৫-পরবর্তী বৈধতার সংকটের আলোচনায় তাঁর নাম নিয়মিতভাবে আসে।
পাকিস্তান-আমলের-রাজনীতিআওয়ামী-লীগযুদ্ধকালীন-সরকার-১৯৭১স্বাধীনতা-পরবর্তী-মন্ত্রিসভা
বিস্তারিত→রাশেদ খান মেনন
নেতৃত্বব্যক্তি
ওয়ার্কার্স পার্টির নেতা, বামপন্থী রাজনৈতিক সংগঠক, সংসদ সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী
রাশেদ খান মেনন বাংলাদেশের রাজনীতির একাধিক পর্যায়ে সক্রিয় ছিলেন: ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান-প্রেক্ষিতের ছাত্ররাজনীতি, বামপন্থী রাজনৈতিক সংগঠন, ওয়ার্কার্স পার্টির নেতৃত্ব, এরশাদবিরোধী আন্দোলন, সংসদীয় রাজনীতি এবং ১৪-দলীয় জোট-পর্বের জোট-রাজনীতি।
তাঁর রাজনৈতিক যাত্রা পাকিস্তান আমলের প্রতিবাদ-রাজনীতি, ১৯৭১-পরবর্তী বাম দলীয় পুনর্গঠন, বিরোধী ও জোট রাজনীতি এবং পরবর্তী সময়ে নির্বাচিত সরকার ও সংসদীয় প্রতিষ্ঠানে অংশগ্রহণ পর্যন্ত বিস্তৃত।
বাংলাদেশের বাম ও জোটভিত্তিক রাজনীতিতে তাঁকে দীর্ঘমেয়াদি রাজনৈতিক অভিনেতা হিসেবে আলোচিত করা হয়। পরবর্তী সময়ে তাঁর নির্বাচনী ও জোটগত অবস্থান, বিশেষত সরকারে অংশগ্রহণ, বিভিন্ন মহলে রাজনৈতিকভাবে বিতর্কিত হিসেবে বিবেচিত।
ছাত্ররাজনীতিগণঅভ্যুত্থান-১৯৬৯বামপন্থী-রাজনীতিওয়ার্কার্স-পার্টি-অব-বাংলাদেশ
বিস্তারিত→টিক্কা খান
নেতৃত্বব্যক্তি
পাকিস্তান সেনাবাহিনীর জেনারেল
১৯৭১ সালের মার্চে পাকিস্তানের পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডের গভর্নর ও কমান্ডার হিসেবে টিক্কা খান পূর্ব পাকিস্তানে অপারেশন সার্চলাইট পরিচালনাকারী সামরিক নেতৃত্বের অংশ ছিলেন।
পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় সরকার ও পূর্ব পাকিস্তানের নির্বাচিত নেতৃত্বের সাংবিধানিক সংকটের মধ্যে ২৫ মার্চ ১৯৭১ অপারেশন সার্চলাইট শুরু হয়; কমান্ডের ধারাবাহিকতা ও সহিংসতার পরিসর নিয়ে বিভিন্ন বর্ণনা রয়েছে।
১৯৭১ সালের দমন অভিযানের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক পাকিস্তান সেনাবাহিনীর কমান্ড কাঠামো, বাংলাদেশের স্মৃতিতে থাকা সহিংসতা এবং মুক্তিযুদ্ধের রাজনৈতিক পটভূমি বোঝার গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
১৯৭১মুক্তিযুদ্ধসামরিক নেতৃত্ব
বিস্তারিত→আর. সি. মজুমদার
নেতৃত্বব্যক্তি
ইতিহাসবিদ
আর. সি. মজুমদার ছিলেন দক্ষিণ এশিয়ার বিশিষ্ট ইতিহাসবিদ; প্রাচীন বাংলা, ভারতীয় সভ্যতা ও স্বাধীনতা আন্দোলনের ইতিহাস নিয়ে তিনি কাজ করেন।
ইতিহাসবিদ ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নির্মাতা হিসেবে তার গবেষণা বহু প্রজন্মের পাঠ ও ইতিহাসচর্চাকে প্রভাবিত করে।
তার কাজ গুরুত্বপূর্ণ হলেও জাতীয়তাবাদী ইতিহাস-রচনার ব্যাখ্যাগত বিতর্কও তার সঙ্গে যুক্ত।
১৯৭১মুক্তিযুদ্ধ
বিস্তারিত→শহীদুল্লাহ কায়সার
নেতৃত্বব্যক্তি
লেখক ও সাংবাদিক
শহীদুল্লাহ কায়সার ছিলেন বাংলা কথাসাহিত্যিক, সাংবাদিক, সম্পাদক ও রাজনৈতিক কর্মী; পূর্ব পাকিস্তানের সমাজে বৈষম্য ও জনজীবন তাঁর লেখায় স্থান পেয়েছে।
১৯২৭ সালে জন্ম নেওয়া কায়সার ১৯৭১ সালের ডিসেম্বরে বুদ্ধিজীবীদের পরিকল্পিত অপহরণের সময় নিখোঁজ হওয়ার আগে সাংবাদিকতা ও সাহিত্যচর্চা করেন।
তাঁর উপন্যাস ও সাংবাদিকতা বাংলাদেশের সাহিত্যিক স্মৃতির অংশ; তাঁর নিখোঁজ হওয়া মুক্তিযুদ্ধের শেষ পর্যায়ের সহিংসতার সঙ্গে সাহিত্য ও সাংবাদিকতার সম্পর্ক দেখায়।
১৯৭১মুক্তিযুদ্ধবুদ্ধিবৃত্তিক ইতিহাস
বিস্তারিত→সেলিনা পারভীন
নেতৃত্বব্যক্তি
সাংবাদিক ও সম্পাদক
সেলিনা পারভীন ছিলেন সাংবাদিক, কবি ও সম্পাদক; তিনি বেগম, ললনা এবং শিলালিপি পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পাকিস্তান পর্বের শেষ দিকে শিলালিপিতে বাঙালি বুদ্ধিজীবীদের লেখা প্রকাশিত হতো।
তাঁর সাংবাদিকতা ও সম্পাদনা ১৯৬৯ সালের আন্দোলন এবং ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধকে ঘিরে সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক স্রোতের সঙ্গে যুক্ত ছিল।
১৯৭১ সালের ডিসেম্বরে পারভীন অপহৃত ও নিহত হন; তিনি শহীদ সাংবাদিক ও বুদ্ধিজীবী হিসেবে স্মরণীয়। তাঁর প্রোফাইল নারী সাংবাদিকতা, সাংস্কৃতিক প্রকাশনা ও যুদ্ধস্মৃতিকে একত্রে দেখায়।
১৯৭১মুক্তিযুদ্ধবুদ্ধিবৃত্তিক ইতিহাস
বিস্তারিত→মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী
নেতৃত্বব্যক্তি
শিক্ষাবিদ ও বুদ্ধিজীবী
মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী ছিলেন বাংলা ভাষাবিজ্ঞানী, প্রাবন্ধিক, শিক্ষাবিদ এবং বাংলা সাহিত্যের গবেষক। ১৯৫৫ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ দেন; তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের মধ্যে ‘রবি পরিক্রমা’ রয়েছে এবং ১৯৭১ সালে তিনি বাংলা একাডেমি পুরস্কার পান।
১৯২৬ সালে নোয়াখালীর খলিশপুরে জন্ম নেওয়া চৌধুরী কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা নিয়ে পড়াশোনা করেন। পূর্ব পাকিস্তানের সমাজে তাঁর কাজ ভাষা, সাহিত্যসমালোচনা ও বুদ্ধিবৃত্তিক জীবনের সঙ্গে যুক্ত ছিল।
বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে অবদানের পাশাপাশি ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর অপহরণ ও হত্যার শিকার বুদ্ধিজীবীদের একজন হিসেবে চৌধুরী স্মরণীয়। তাঁর জীবন সাংস্কৃতিক গবেষণাকে মুক্তিযুদ্ধের সহিংসতা ও স্মৃতির সঙ্গে যুক্ত করে।
১৯৭১মুক্তিযুদ্ধবুদ্ধিবৃত্তিক ইতিহাসশহীদ বুদ্ধিজীবী
বিস্তারিত→গিয়াসউদ্দিন আহমেদ
নেতৃত্বব্যক্তি
রাজনৈতিক সংগঠক
গিয়াসউদ্দীন আহমেদ ছিলেন ঢাকার একজন শিক্ষক; মুক্তিযুদ্ধে সহায়তার অভিযোগে ১৯৭১ সালের ডিসেম্বরে পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষ তাকে আটক করে।
তার নিখোঁজ হওয়া ও হত্যার ঘটনা যুদ্ধের শেষ পর্যায়ে বাঙালি শিক্ষক ও বুদ্ধিজীবীদের ওপর পরিচালিত টার্গেটেড সহিংসতার অংশ।
যুদ্ধের শেষ দিনগুলোতে শিক্ষকদের রাজনৈতিক ও জাতীয় হুমকি হিসেবে দেখার দৃষ্টিভঙ্গি তার প্রোফাইলে স্পষ্ট হয়।
১৯৭১মুক্তিযুদ্ধ
বিস্তারিত→কে. এম. ওবায়দুর রহমান
নেতৃত্বব্যক্তি
রাজনীতিক
কে. এম. ওবায়দুর রহমান ছিলেন ছাত্রনেতা ও রাজনীতিক, যিনি ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান এবং ১৯৭১ সালের অসহযোগ ও মুক্তিযুদ্ধের আন্দোলনে অংশ নেন। পরে তিনি সংসদ সদস্য, মন্ত্রী এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
১৯৪০ সালে ফরিদপুরের লস্করদিয়ায় জন্ম নেওয়া ওবায়দুর রহমান ছাত্ররাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন এবং ১৯৭০ সালে পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদে নির্বাচিত হন। ১৯৭১ সালে তিনি অসহযোগ আন্দোলনের সঙ্গে কাজ করেন ও মুক্তিযুদ্ধকে সমর্থন করেন; পরবর্তী জীবনে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি—দুই দলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
ওবায়দুর রহমানের রাজনৈতিক জীবন ছাত্রআন্দোলন, স্বাধীনতার সংগ্রাম, স্বাধীনতার পর সংসদীয় সরকার এবং পরবর্তী দলীয় প্রতিযোগিতার ধারাবাহিকতা বোঝাতে সাহায্য করে। প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে তাঁর স্থানান্তর এবং মন্ত্রিত্ব ও সংসদীয় ভূমিকা তাঁর জনপরিচয়ের অংশ।
১৯৭১মুক্তিযুদ্ধরাজনৈতিক নেতৃত্বছাত্ররাজনীতি
বিস্তারিত→শেখ ফজলুল হক মনি
নেতৃত্বব্যক্তি
রাজনৈতিক সংগঠক
শেখ ফজলুল হক মনি ছিলেন রাজনৈতিক সংগঠক ও সম্পাদক; বাংলাদেশের মুক্তির আন্দোলন এবং শেখ মুজিবুর রহমানকে ঘিরে রাজনৈতিক নেটওয়ার্কের সঙ্গে তিনি যুক্ত ছিলেন।
মুজিবের ভাগ্নে ও যুব রাজনৈতিক সংগঠক হিসেবে মনি যুদ্ধকালীন রাজনৈতিক সংগ্রামে যুক্ত ছিলেন; ১৯৭১ নিয়ে গবেষণায় প্রবাসী সরকারের কৌশল ও প্রতিরোধ সংগঠন নিয়ে বিতর্কে তাঁর ভূমিকার কথাও আসে।
মনির সংক্ষিপ্ত রাজনৈতিক জীবন বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে যুব নেটওয়ার্ক, পারিবারিক-রাজনৈতিক সম্পর্ক এবং সাংগঠনিক কৌশলের গুরুত্ব দেখায়। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট তিনি নিহত হন।
১৯৭১মুক্তিযুদ্ধ
বিস্তারিত→শাহ আজিজুর রহমান
নেতৃত্বব্যক্তি
রাজনীতিক ও প্রধানমন্ত্রী
শাহ আজিজুর রহমান ছিলেন আইনজীবী ও রাজনীতিক; ১৯৭৯ থেকে ১৯৮২ সাল পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। তাঁর রাজনৈতিক জীবনে মুসলিম লীগ, আওয়ামী লীগ ও বিএনপির সঙ্গে সম্পর্ক ছিল।
তাঁর রাজনৈতিক জীবন ঔপনিবেশিক শেষ পর্ব, পাকিস্তান, মুক্তিযুদ্ধ এবং স্বাধীনতা-পরবর্তী সময় জুড়ে বিস্তৃত। বাংলাপিডিয়ার তথ্য অনুযায়ী তিনি মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করেন এবং পরে দালাল আইনে কারাবন্দি হয়ে সাধারণ ক্ষমায় মুক্তি পান।
শাহ আজিজুর রহমানের জীবন ১৯৭১-পরবর্তী বাংলাদেশের রাজনৈতিক পুনর্বিন্যাস এবং যুদ্ধকালীন জবাবদিহির অমীমাংসিত বিতর্ক বোঝার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
১৯৭১মুক্তিযুদ্ধরাজনৈতিক নেতৃত্ব
বিস্তারিত→মুহাম্মদ কামারুজ্জামান
নেতৃত্বব্যক্তি
জামায়াত নেতা
মুহাম্মদ কামারুজ্জামান ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতিক ও জ্যেষ্ঠ নেতা; ১৯৭১ সালের যুদ্ধকালীন ভূমিকা নিয়ে পরে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচার হয়।
তাঁর জনজীবন জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতি, সাংবাদিকতা এবং ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতির সঙ্গে যুক্ত। বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টের নথিতে তাঁর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ মামলার আপিল ও রিভিউ কার্যক্রম নথিবদ্ধ আছে।
কামারুজ্জামানের মামলা ১৯৭১ সালের অপরাধের বিচার নিয়ে বাংলাদেশের বিতর্কিত ইতিহাসের অংশ। প্রোফাইলটি ট্রাইব্যুনালের রায় এবং বিচারপ্রক্রিয়া নিয়ে আসামিপক্ষের আপত্তিকে আলাদা করে উপস্থাপন করে।
১৯৭১মুক্তিযুদ্ধ
বিস্তারিত→মীর কাসেম আলী
নেতৃত্বব্যক্তি
১৯৭১ যুদ্ধাপরাধ মামলায় দণ্ডিত জামায়াত ও আল-বদর সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি
“চট্টগ্রামের সঙ্গে যুক্ত আলোচিত জামায়াত/আল-বদর যুদ্ধাপরাধ মামলা।”
মীর কাসেম আলী জামায়াতে ইসলামী-সংযুক্ত ব্যক্তি, যার আইসিটি দণ্ড ও আপিল মৃত্যুদণ্ড-সংক্রান্ত কার্যক্রম চট্টগ্রামের আল-বদর কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত অন্যতম আলোচিত যুদ্ধাপরাধ জবাবদিহি মামলা হয়ে ওঠে।
১৯৭১ সহযোগী বাহিনী অভিযোগ, আল-বদর কার্যক্রম, ডালিম হোটেল নির্যাতনকেন্দ্র মামলার বিবরণ এবং ২০১০-পরবর্তী আইসিটি জবাবদিহি রাজনীতি।
তার মামলা ১৯৭১ বিচার, ট্রাইব্যুনাল প্রক্রিয়া, জামায়াত রাজনীতি এবং যুদ্ধকালীন সহযোগিতার স্মৃতি নিয়ে বিতর্কের বড় কেন্দ্র হয়ে ওঠে।
১৯৭১আল-বদরজামায়াতে ইসলামীযুদ্ধাপরাধ বিচার
বিস্তারিত→চৌধুরী মঈনুদ্দীন
নেতৃত্বব্যক্তি
বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ড মামলায় অনুপস্থিতিতে দণ্ডিত আল-বদর সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি
“আইসিটি-২ বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ড মামলায় অনুপস্থিতিতে দণ্ডিত।”
চৌধুরী মঈনুদ্দীনকে ডিসেম্বর ১৯৭১ বাঙালি বুদ্ধিজীবীদের অপহরণ ও হত্যাকাণ্ড মামলায় ২০১৩ সালে আইসিটি-২ অনুপস্থিতিতে মৃত্যুদণ্ড দেয়।
আল-বদর, ডিসেম্বর ১৯৭১ বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ড এবং বাংলাদেশের পরবর্তী আইসিটি জবাবদিহি প্রক্রিয়া।
তার মামলা আল-বদর সংগঠনকে বুদ্ধিজীবীদের লক্ষ্য করে হত্যার সঙ্গে যুক্ত করা কেন্দ্রীয় ট্রাইব্যুনাল রেকর্ডগুলোর একটি হয়ে ওঠে।
১৯৭১আল-বদরবুদ্ধিজীবী হত্যাযুদ্ধাপরাধ বিচার
বিস্তারিত→আশরাফুজ্জামান খান
নেতৃত্বব্যক্তি
বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ড মামলায় অনুপস্থিতিতে দণ্ডিত আল-বদর সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি
“আইসিটি-২ বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ড মামলায় অনুপস্থিতিতে দণ্ডিত।”
আশরাফুজ্জামান খানকে ডিসেম্বর ১৯৭১ বাঙালি বুদ্ধিজীবীদের অপহরণ ও হত্যাকাণ্ড মামলায় ২০১৩ সালে আইসিটি-২ অনুপস্থিতিতে মৃত্যুদণ্ড দেয়।
আল-বদর, ডিসেম্বর ১৯৭১ বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ড এবং বাংলাদেশের পরবর্তী আইসিটি জবাবদিহি প্রক্রিয়া।
তার মামলা লক্ষ্যভিত্তিক বুদ্ধিজীবী হত্যা এবং আল-বদর সংশ্লিষ্টতা নিয়ে ট্রাইব্যুনাল রেকর্ডে কেন্দ্রীয় হয়ে ওঠে।
১৯৭১আল-বদরবুদ্ধিজীবী হত্যাযুদ্ধাপরাধ বিচার
বিস্তারিত→এটিএম আজহারুল ইসলাম
নেতৃত্বব্যক্তি
বিতর্কিত ১৯৭১ যুদ্ধাপরাধ কার্যক্রমে জামায়াত নেতা
“আইসিটি দণ্ড পরে আপিল বিভাগে খালাস হিসেবে প্রতিবেদিত হওয়া জামায়াত নেতা।”
এটিএম আজহারুল ইসলাম ১৯৭১ মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দণ্ডিত হন, তবে পরবর্তী প্রতিবেদনে বলা হয়েছে আপিল বিভাগ তাকে খালাস দিয়েছে; ফলে তার মামলা যুদ্ধাপরাধ স্মৃতি ও ট্রাইব্যুনাল প্রক্রিয়া বিতর্ক দুটির জন্যই গুরুত্বপূর্ণ।
জামায়াতে ইসলামী রাজনীতি, ১৯৭১ যুদ্ধাপরাধ জবাবদিহি এবং বাংলাদেশের আইসিটি-সংক্রান্ত মামলায় পরিবর্তিত আপিল ফলাফল।
তার মামলা দেখায়, মূল ট্রাইব্যুনাল রায়ের বহু বছর পরও ১৯৭১ বিচার, মৃত্যুদণ্ড, আপিল পর্যালোচনা ও রাজনৈতিক বৈধতা বিতর্ক কতটা আলোচিত থাকে।
১৯৭১জামায়াতে ইসলামীযুদ্ধাপরাধ বিচারআইসিটি
বিস্তারিত→আবুল কালাম আজাদ (বাচ্চু রাজাকার)
নেতৃত্বব্যক্তি
বাচ্চু রাজাকার নামে পরিচিত পলাতক আইসিটি দণ্ডিত
“মাওলানা আবুল কালাম আজাদ থেকে পৃথক প্রথম আইসিটি রায়ের ব্যক্তি।”
বাচ্চু রাজাকার নামে পরিচিত আবুল কালাম আজাদ ১৯৭১-সংক্রান্ত মানবতাবিরোধী অপরাধ ও গণহত্যার অভিযোগে প্রথম আইসিটি রায়ে অনুপস্থিতিতে মৃত্যুদণ্ড পান।
রাজাকার সহযোগিতার অভিযোগ, প্রথম আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল রায় এবং বাংলাদেশে ২০১০-পরবর্তী যুদ্ধাপরাধ জবাবদিহি রাজনীতি।
তার মামলা বাংলাদেশের আইসিটি প্রক্রিয়ার প্রথম রায় এবং একই নামের ভারতীয় জাতীয়তাবাদী আলেম-রাজনীতিক আবুল কালাম আজাদ থেকে আলাদা করে দেখানো গুরুত্বপূর্ণ।
১৯৭১রাজাকারযুদ্ধাপরাধ বিচারআইসিটি
বিস্তারিত→আবদুর রাজ্জাক
নেতৃত্বব্যক্তি
রাজনীতিক
আবদুর রাজ্জাক ছিলেন আওয়ামী লীগের সংগঠক ও মুক্তিযুদ্ধকালীন রাজনৈতিক কর্মী; স্বাধীন বাংলাদেশে তিনি দলের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বও পালন করেন।
তার কাজ যুদ্ধকালীন রাজনৈতিক সংগঠনকে ১৯৭১-পরবর্তী দলগঠন ও সংসদীয় রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত করে।
স্বাধীনতার আন্দোলন কীভাবে শাসন পরিচালনার প্রকল্পে রূপান্তরিত হয়েছিল, দলীয় কর্মীভিত্তির সেই ভূমিকা তার জীবনে প্রতিফলিত।
১৯৭১মুক্তিযুদ্ধরাজনৈতিক নেতৃত্ব
বিস্তারিত→