শেখ মুজিবুর রহমান
নেতৃত্বব্যক্তি
ছাত্রসংগঠক ও জাতীয় নেতা
“দেশভাগের প্রথম ক্ষত থেকে স্বাধীনতার শেষ লড়াই পর্যন্ত তার জনজীবন একটি দীর্ঘ সেতু।”
দেশভাগের অব্যবহিত পর থেকেই পূর্ববঙ্গে তিনি ছাত্র ও রাজনৈতিক সংগঠক হিসেবে উঠে আসেন; ভাষার অধিকার, প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন এবং পরে বাংলাদেশের স্বাধীনতার দিকে যাওয়া গণআন্দোলনে তিনি কেন্দ্রীয় ভূমিকা নেন।
পূর্ববঙ্গ ও পূর্ব পাকিস্তান, ১৯৪৮-১৯৭১; ভাষা-রাজনীতির শুরু থেকে স্বায়ত্তশাসন ও স্বাধীনতার সংগ্রাম।
তার রাজনৈতিক পথ ১৯৪৭-পরবর্তী প্রতিনিধিত্ব ও ভাষা সংকটকে পরবর্তী আত্মনিয়ন্ত্রণ ও রাষ্ট্রগঠনের দাবির সঙ্গে যুক্ত করে।
ভাষা অধিকারস্বায়ত্তশাসনজাতীয়তাবাদ
বিস্তারিত→বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ
সংগঠনদল
রাজনৈতিক সংগঠন
এই সমষ্টি বা সংগঠন এরশাদবিরোধী আন্দোলনকে কেবল দলীয় লড়াইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখেনি; বরং গণতান্ত্রিক প্রতিরোধকে সামাজিকভাবে আরও বিস্তৃত ও টেকসই করেছে।
১৯৯০-এর গণঅভ্যুত্থানকে গড়ে তোলা বৃহত্তর প্রতিবাদী সংস্কৃতি।
তাদের উপস্থিতি দেখায় যে গণঅভ্যুত্থান সাংগঠনিক গভীরতা, সামাজিক জোট এবং সমন্বিত জনঅংশগ্রহণের ওপর দাঁড়িয়ে ছিল।
১৯৯০গণতন্ত্রএরশাদবিরোধী আন্দোলনদলীয় রাজনীতি
বিস্তারিত→এস. এ. রহমান
সমন্বয়কব্যক্তি
বাউন্ডারি কমিশনের সদস্য
বাংলার চূড়ান্ত বিভাজন নিয়ে কাজ করা বঙ্গ বাউন্ডারি কমিশনে তিনি অংশ নেন।
দেশভাগের সময় সীমারেখা নির্ধারণের প্রক্রিয়া।
তিনি সেই অল্পসংখ্যক আইনগত ব্যক্তিত্বের একজন, যারা বাংলাকে বিভক্ত করা রেখা নির্ধারণের প্রক্রিয়ায় জড়িত ছিলেন।
১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকারসীমান্ত নির্ধারণ
বিস্তারিত→