এ. কে. ফজলুল হক
নেতৃত্বব্যক্তি
রাজনৈতিক নেতা
১৯৪০ সালে তিনি লাহোর প্রস্তাব উত্থাপন করেন এবং দেশভাগের পূর্বমুহূর্ত পর্যন্ত বাংলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ গণনেতা হিসেবে প্রদেশের ভবিষ্যৎ প্রশ্নে প্রভাব রাখেন।
ঔপনিবেশিক আমলের শেষভাগ থেকে দেশভাগ-পর্বের বাংলা রাজনীতি।
তার নেতৃত্ব কৃষকভিত্তিক রাজনীতি, মুসলিম প্রতিনিধিত্ব এবং পাকিস্তান গঠনের প্রশ্নে বাংলার অবস্থানকে গভীরভাবে প্রভাবিত করে।
১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকার
বিস্তারিত→হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
নেতৃত্বব্যক্তি
অখণ্ড বাংলার মুখ্যমন্ত্রী
অখণ্ড বাংলার শেষ মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে তিনি দেশভাগ-পূর্ব সংকটময় রাজনীতির কেন্দ্রীয় ব্যক্তিত্ব ছিলেন এবং যুক্ত বাংলা প্রস্তাবের প্রধান সমর্থকদের একজন ছিলেন।
কলকাতা ও বাংলা, ১৯৪৬-১৯৪৭।
বাংলা যুক্ত থাকবে, ভাগ হবে, নাকি স্বাধীন পথ নেবে—এই বিতর্কের গতিপথ নির্ধারণে তিনি বড় ভূমিকা রাখেন।
১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকারযুক্ত বাংলা
বিস্তারিত→মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ
নেতৃত্বব্যক্তি
সর্বভারতীয় মুসলিম লীগ নেতা
পাকিস্তান দাবির প্রধান নেতা হিসেবে তিনি সেই রাজনৈতিক কাঠামো নির্মাণে নেতৃত্ব দেন যার মাধ্যমে পূর্ববঙ্গ নতুন রাষ্ট্র পাকিস্তানের অংশ হয়।
উপমহাদেশজুড়ে সাংবিধানিক হস্তান্তর ও দেশভাগ সংক্রান্ত আলোচনা।
পাকিস্তান সৃষ্টিতে তার ভূমিকা ছিল কেন্দ্রীয়, আর পূর্ববঙ্গ সেই রাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান অংশে পরিণত হয়।
১৯৪৭দেশভাগপাকিস্তান আন্দোলন
বিস্তারিত→আবুল হাশিম
নেতৃত্বব্যক্তি
বাংলা মুসলিম লীগের সংগঠক
১৯৪৩ সাল থেকে বাংলা প্রাদেশিক মুসলিম লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আবুল হাশিম দলটি পুনর্গঠন এবং ১৯৪৬ সালের নির্বাচনের আগে বাঙালি মুসলমানদের মধ্যে এর সমর্থন বিস্তারে ভূমিকা রাখেন।
তিনি মুসলিম লীগের রাজনীতির সঙ্গে আঞ্চলিক বাঙালি পরিচয়ের প্রশ্নকে যুক্ত করেন এবং ১৯৪৬-৪৭ সালের দেশভাগ বিতর্কে স্বাধীন ও অবিভক্ত বাংলার প্রস্তাব সমর্থন করেন।
তাঁর রাজনৈতিক জীবন দেখায় যে ঔপনিবেশিক বাংলার শেষপর্বে মুসলিম রাজনীতি একক অবস্থান ছিল না; পাকিস্তানের পাশাপাশি বাঙালি আঞ্চলিক সার্বভৌমত্ব ও পরিচয়ের ভিন্ন ধারণাও সক্রিয় ছিল।
১৯৪৭দেশভাগভাষা অধিকারযুক্ত বাংলা
বিস্তারিত→কৃষক প্রজা পার্টি
সংগঠনদল
বাংলার কৃষকভিত্তিক রাজনৈতিক দল
“ফজলুল হকের নেতৃত্বে ১৯৩০-এর দশকে কৃষক-প্রজার দাবি প্রাদেশিক আইনসভায় নিয়ে আসা দল।”
এ. কে. ফজলুল হকের নেতৃত্বে ১৯৩৬ সালে প্রতিষ্ঠিত দলটি জমিদার ও মহাজনবিরোধী কর্মসূচির মাধ্যমে প্রজা ও কৃষকের দাবি নির্বাচনী রাজনীতিতে নিয়ে আসে।
অল বেঙ্গল টেন্যান্টস অ্যাসোসিয়েশন থেকে কৃষক প্রজা পার্টির বিকাশ ঘটে এবং ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনের অধীনে বাংলার প্রথম প্রাদেশিক নির্বাচনে দলটি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। ১৯৩৭ সালের সাফল্যের পর ফজলুল হক জোট সরকার গঠন করেন; তবে দলের কৃষকভিত্তিক কর্মসূচি ও পরে মুসলিম লীগের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে টানাপোড়েন তৈরি হয়।
দলটি কৃষকের অসন্তোষ, গ্রামীণ প্রতিনিধিত্ব, কৃষিঋণ থেকে মুক্তি ও প্রজাস্বত্ব সংস্কারকে বাংলার প্রাদেশিক রাজনৈতিক বিতর্কের কেন্দ্রে আনে। একই সঙ্গে স্বল্পস্থায়ী সংগঠনটি দেশভাগের আগে কৃষকভিত্তিক প্রতিশ্রুতিকে স্থায়ী জোট সরকারে রূপ দেওয়ার সীমাবদ্ধতাও দেখায়।
কৃষি-রাজনীতিপ্রজা-অধিকারবাংলার-রাজনীতিঔপনিবেশিক-ইতিহাস
বিস্তারিত→সর্বভারতীয় মুসলিম লীগ
সংগঠনদল
ব্রিটিশ ভারতের রাজনৈতিক দল
১৯০৬ সালে প্রতিষ্ঠিত এই দলটি মুসলিম রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্বের প্রধান প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয় এবং পরে পাকিস্তান দাবির নেতৃত্ব দেয়।
শেষ ঔপনিবেশিক সাংবিধানিক রাজনীতি, বঙ্গভঙ্গ-পরবর্তী সংগঠন, এবং পাকিস্তান আন্দোলন।
বাংলায় দলটির সাংগঠনিক বিস্তার নির্বাচন-রাজনীতি, সাম্প্রদায়িক সমীকরণ এবং ১৯৪৭ সালের বিভাজনের গতিপথে গভীর প্রভাব ফেলে।
১৯৪৭দেশভাগপাকিস্তান আন্দোলন
বিস্তারিত→