বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
নেতৃত্বব্যক্তি
আধুনিক বাংলা গদ্যের পথপ্রদর্শক ঔপন্যাসিক
“বাংলা সাহিত্য-জাতীয় কল্পনার অন্যতম প্রধান নির্মাতা।”
বাংলা উপন্যাসকে তিনি সুসংহত ধারায় প্রতিষ্ঠা করেন এবং তাঁর রচনায় জাতীয়-সাংস্কৃতিক কল্পনা শক্তিশালী রূপ পায়।
ঊনবিংশ শতকের শেষভাগের ঔপনিবেশিক বাংলায় তাঁর সাহিত্য ভাষা, ইতিহাসচেতনা ও রাজনীতির মধ্যে নতুন সেতুবন্ধ তৈরি করে।
আধুনিক বাংলা সাহিত্য ও পরবর্তী জাতীয়তাবাদী রাজনৈতিক প্রতীকে তাঁর প্রভাব দীর্ঘমেয়াদি।
সাহিত্যউপন্যাসজাতীয়তাবাদবাংলা-নবজাগরণ
বিস্তারিত→ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
নেতৃত্বব্যক্তি
বাংলা নবজাগরণের শিক্ষাবিদ ও সমাজসংস্কারক
“ঊনবিংশ শতকের বাঙালি শিক্ষাবিদ ও সমাজসংস্কারক, যিনি বিদ্যালয় বিস্তারকে বিধবা বিবাহের আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত করেন।”
সংস্কৃত পণ্ডিত, শিক্ষা-প্রশাসক ও বাংলা লেখক হিসেবে তিনি মাতৃভাষাভিত্তিক শিক্ষার প্রসার, মেয়েদের বিদ্যালয় এবং হিন্দু বিধবা বিবাহের পক্ষে জনমত গঠনে কাজ করেন।
ঊনবিংশ শতকের ঔপনিবেশিক বাংলায় তিনি সংস্কৃতশিক্ষা, বিদ্যালয় পরিচালনা, বাংলা পাঠ্যপুস্তক ও সামাজিক রীতিনীতি নিয়ে চলা বিতর্ককে একসূত্রে আনেন। তাঁর আবেদন ও শাস্ত্রভিত্তিক যুক্তি ১৮৫০-এর দশকে বিধবা বিবাহকে সংস্কারের কেন্দ্রীয় প্রশ্নে পরিণত করতে সাহায্য করে।
তাঁর শিক্ষা-উদ্যোগ ও জনসমর্থন গঠনের প্রচেষ্টা ১৮৫৬ সালের হিন্দু বিধবা পুনর্বিবাহ আইন প্রণয়নে ভূমিকা রাখে; তাঁর পাঠ্যপুস্তক ও বিদ্যালয়-উদ্যোগ বাংলা শিক্ষা এবং পরবর্তী সামাজিক সংস্কার-আলোচনায় দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলে।
শিক্ষাসংস্কারবাংলা-নবজাগরণসমাজ
বিস্তারিত→