আকবর
নেতৃত্বব্যক্তি
বাংলায় সাম্রাজ্য বিস্তারের নির্দেশদাতা মুঘল সম্রাট
“আকবর-পর্বের সাম্রাজ্যিক লক্ষ্যই ভাটির প্রতিরোধকে দীর্ঘায়িত সংঘর্ষে রূপ দেয়।”
তাঁর শাসনামলে বাংলাকে মুঘল প্রশাসনিক কাঠামোয় অন্তর্ভুক্ত করার কৌশলগত লক্ষ্য স্পষ্টভাবে নির্ধারিত হয়।
কররানি পতনের পর বাংলায় আঞ্চলিক শক্তির প্রতিরোধের মুখে তাঁর আমলের অভিযানগুলো পরিচালিত হয়।
তাঁর আমলের নীতি বাংলায় দীর্ঘ মুঘল জয়-সংহতি প্রক্রিয়ার ভিত্তি স্থাপন করে।
মুঘলসাম্রাজ্যবাংলা-বিজয়
বিস্তারিত→দাউদ খান কররানি
নেতৃত্বব্যক্তি
রাজমহলে পরাজিত বাংলার শেষ প্রধান আফগান শাসক
“যার পরাজয়ে এক যুগের অবসান ও নতুন প্রতিরোধ-পর্বের সূচনা।”
১৫৭৬ সালের পরাজয়ের মাধ্যমে কররানি শাসনের অবসান ঘটে এবং পরবর্তী বারো ভূঁইয়া প্রতিরোধপর্বের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট তৈরি হয়।
মুঘল সংহতি অভিযানের আগে বাংলায় আফগান কর্তৃত্বের শেষ পর্যায়ে তিনি শাসন করেন।
তাঁর পতন-পরবর্তী ক্ষমতার শূন্যতাই রাজমহল-উত্তর প্রতিরোধ রাজনীতির সূচনা চিহ্নিত করে।
কররানিরাজমহলআফগান-শাসনরূপান্তর
বিস্তারিত→মুনিম খান
নেতৃত্বব্যক্তি
মুঘল সেনানায়ক ও বাংলার প্রথম মুঘল গভর্নর
মুনিম খান দাউদ খান কাররানীর বিরুদ্ধে আকবরের সাম্রাজ্যিক বাহিনীর নেতৃত্ব দেন এবং ১৫৭৪ সালের সেপ্টেম্বরে কাররানী রাজধানী তান্ডা দখল করেন। টোডরমলের সহায়তায় তিনি ১৫৭৫ সালের ৩ মার্চ তুকারয়ের যুদ্ধে দাউদকে পরাজিত করেন। এরপর কাটকের সন্ধিতে দাউদ বাংলা ও বিহার মুঘলদের ছেড়ে দিয়ে কেবল উড়িষ্যা নিজের অধীনে রাখেন।
কাররানী রাষ্ট্রের ওপর সামরিক চাপকে প্রাদেশিক শাসনে রূপান্তর করার মুঘলদের প্রথম বড় প্রচেষ্টা। মুনিম খান বিহার, বাংলা ও উড়িষ্যা জুড়ে অভিযান পরিচালনা করেন; তখন আফগান শক্তি সক্রিয় ছিল এবং তান্ডা বা গৌড়ের মতো রাজধানী দখল করলেই সমগ্র অঞ্চল নিয়ন্ত্রণে আসত না।
তুকারয়ের বিজয় বাংলায় মুঘলদের অস্থায়ী ভিত্তি স্থাপন করে এবং ১৫৭৬ সালের রাজমহল যুদ্ধে দাউদের চূড়ান্ত পরাজয়ের পথ প্রস্তুত করে। মুনিম খান গৌড়কে সদর দপ্তর বানালেও ১৫৭৫ সালের অক্টোবরে সেখানে মহামারিতে মারা যান; তাঁর মৃত্যুর আগে মুঘল নিয়ন্ত্রণ স্থায়ী রূপ পায়নি।
মুঘল-বাংলাতুকারয়কাররানী-বংশআকবর
বিস্তারিত→