১৬৬৪-১৬৮৮
উচ্চ
শায়েস্তা খানের বাংলার সুবাদারি
ঔপনিবেশিক শাসন ও প্রতিরোধ
শায়েস্তা খানের দীর্ঘ সুবাদারি শাসনে সামরিক অভিযান, নগর-বাণিজ্যিক বিস্তার এবং মুঘল প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণের দৃঢ়তা বৃদ্ধি পায়; চট্টগ্রাম প্রশ্নও এই পর্বে গুরুত্বপূর্ণ।
Discover Bengal · Unfolded
❦বছর, শিরোনাম ও সারাংশ ধরে সার্চ করুন
সব অধ্যায় একসাথে দেখে গুরুত্ব, পর্ব এবং বৃহত্তর ধারাবাহিকতা বোঝার জন্য এই এক্সপ্লোরার ব্যবহার করুন।
কিওয়ার্ড, বছর, থিম ও গুরুত্ব দিয়ে অধ্যায় বাছাই করুন
মোট ফলাফল: 168
ভাষা, স্বায়ত্তশাসন ও মুক্তি
১৬৬৪-১৬৮৮
উচ্চ
ঔপনিবেশিক শাসন ও প্রতিরোধ
শায়েস্তা খানের দীর্ঘ সুবাদারি শাসনে সামরিক অভিযান, নগর-বাণিজ্যিক বিস্তার এবং মুঘল প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণের দৃঢ়তা বৃদ্ধি পায়; চট্টগ্রাম প্রশ্নও এই পর্বে গুরুত্বপূর্ণ।
১৬৬৬ (২৭ জানুয়ারি)
প্রধান
মুঘল অন্তর্ভুক্তি ও সংহতি পর্ব
১৬৬৬ সালে স্থল-নৌ সমন্বিত অভিযানে বাংলার মুঘল প্রশাসনের অধীনে বাহিনী চট্টগ্রাম দখল করে আরাকানি নিয়ন্ত্রণের অবসান ঘটায়। এর মাধ্যমে একটি গুরুত্বপূর্ণ বন্দর-সীমান্ত মুঘল বাংলায় যুক্ত হয়।
ভাষা, স্বায়ত্তশাসন ও মুক্তি
১৬৯০
উচ্চ
ঔপনিবেশিক শাসন ও প্রতিরোধ
১৬৯০ সালে ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি কলকাতায় বসতি সুসংহত করে; এটি বাংলায় পরবর্তী ঔপনিবেশিক বিস্তারের প্রাতিষ্ঠানিক-বাণিজ্যিক ভিত্তি তৈরি করে।
১৭০৪-১৭১৭
প্রধান
মুঘল অন্তর্ভুক্তি ও সংহতি পর্ব
অষ্টাদশ শতকের শুরুতে মুর্শিদ কুলি খান বাংলার কার্যকর প্রশাসনিক কেন্দ্র ঢাকার বদলে মকসুদাবাদে স্থানান্তর করেন, যা পরে মুর্শিদাবাদ নামে পরিচিত হয়। এই পদক্ষেপ রাজস্ব প্রশাসনকে আরও কেন্দ্রীভূত করে, দরবার ও ব্যাংকার নেটওয়ার্ককে নতুন কেন্দ্রের সঙ্গে যুক্ত করে, এবং পলাশীর আগে বাংলার শাসনভৌগোলিক কাঠামো পুনর্গঠন করে।
১৭১৭
প্রধান
মুঘল অন্তর্ভুক্তি ও সংহতি পর্ব
১৭১৭ সালে মুর্শিদ কুলি খান বাংলার সুবাহদার/নবাব হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে নিয়োগ পান, যা নবাবি শাসনব্যবস্থার প্রাতিষ্ঠানিক সূচনা নির্দেশ করে। এতে মুঘল আধিপত্যের আনুষ্ঠানিক কাঠামো বজায় থাকলেও প্রাদেশিক অর্থ-রাজনৈতিক স্বায়ত্তশাসন স্পষ্টভাবে বৃদ্ধি পায়।
রাষ্ট্র, সমাজ ও রাজনৈতিক পরিবর্তন
1727
উচ্চ
ঐতিহাসিক রূপান্তর
শুজাউদ্দীন আমলের প্রশাসনিক পর্যায় বাংলা/বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক গতিপথে একটি তাৎপর্যপূর্ণ মোড়।