সৈয়দ শামসুল হক
নেতৃত্বব্যক্তি
কবি ও নাট্যকার
সৈয়দ শামসুল হক বাংলা ও বাংলাদেশের রাজনৈতিক-ঐতিহাসিক ধারায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।
বাংলা অঞ্চলে দক্ষিণ এশীয় রাজনৈতিক ও বৌদ্ধিক ইতিহাসের প্রেক্ষাপট।
তাঁর উত্তরাধিকার বাংলা/বাংলাদেশের রাষ্ট্র, সমাজ ও স্মৃতির ইতিহাস বোঝার ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক।
১৯৭১মুক্তিযুদ্ধবুদ্ধিবৃত্তিক ইতিহাসসংস্কৃতি
বিস্তারিত→স্কোয়াড্রন লিডার এম. হামিদুল্লাহ খান
নেতৃত্বব্যক্তি
সেক্টর ১১ কমান্ডার (পরবর্তী পর্যায়)
“সেক্টর ১১-এর অভিযানের ধারাবাহিকতা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ পরবর্তী কমান্ডার।”
সেক্টর ১১-এ নেতৃত্ব পরিবর্তনের পর তিনি ময়মনসিংহ-টাঙ্গাইল-জামালপুর অঞ্চলে সামরিক অভিযান পরিচালনা করেন।
সেক্টর ১১-এর পরবর্তী পর্যায়ের কমান্ড কাঠামো, ১৯৭১।
উত্তর-মধ্য ফ্রন্টে প্রতিরোধ সমন্বয় বজায় রাখতে তার নেতৃত্ব সহায়ক ছিল।
সেক্টর ১১উত্তর-মধ্য ফ্রন্টকমান্ড পরিবর্তন
বিস্তারিত→স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শিল্পীরা
সম্মিলিত কণ্ঠসংস্থা
সাংস্কৃতিক ফ্রন্ট
“বেতারের তরঙ্গে ছড়িয়ে পড়ে প্রতিরোধের সাহস।”
গান, কবিতা, সংবাদ ও ব্যঙ্গ-অনুষ্ঠানের মাধ্যমে যুদ্ধকালীন মনোবল ধরে রাখে এবং মুক্তিযুদ্ধের বার্তা দেশের ভেতরে ও বাইরে পৌঁছে দেয়।
১৯৭১, স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র; শরণার্থী শিবির, মুক্তিযোদ্ধা ও সাধারণ শ্রোতাদের উদ্দেশে সম্প্রচার।
সাংস্কৃতিক যোগাযোগকে প্রতিরোধের শক্তিতে রূপ দিয়ে তারা যুদ্ধকে কেবল সামরিক নয়, জনমনের সংগ্রাম হিসেবেও প্রতিষ্ঠা করে।
সংস্কৃতিমিডিয়াসমষ্টিগত স্মৃতি
বিস্তারিত→স্যাম মানেকশ
নেতৃত্বব্যক্তি
১৯৭১ সালের যুদ্ধ পরিচালনায় ভারতের সেনাপ্রধান
“স্যাম মানেকশ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ভারতের সমর্থনকে প্রস্তুত ও সমন্বিত পূর্বাঞ্চলীয় অভিযানে রূপ দিতে সাহায্য করেন, যার পরিণতি ১৬ ডিসেম্বরের যৌথ বিজয়।”
১৯৭১ সালে ভারতের সেনাপ্রধান হিসেবে স্যাম মানেকশ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকে ঘিরে ভারতের সামরিক প্রতিক্রিয়া প্রস্তুত ও সমন্বয়ে ভূমিকা রাখেন। তাঁর নেতৃত্বে বাঙালি বাহিনীর সঙ্গে প্রশিক্ষণ ও সামরিক সহযোগিতা, রসদ, ভূপ্রকৃতি, বিমান-চলাচল এবং সমন্বিত অগ্রযাত্রাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়; বর্ষাকালে অবিলম্বে পূর্ণাঙ্গ হস্তক্ষেপ না করে প্রস্তুতির সময় নেওয়া হয়।
এই যুদ্ধে বাংলাদেশ বাহিনী ও মুক্তিবাহিনী, ভারতের রাজনৈতিক ও সামরিক নেতৃত্ব এবং পূর্ব পাকিস্তানে অবস্থানরত পাকিস্তানি বাহিনী জড়িত ছিল। মানেকশের ভূমিকা ছিল কৌশলগত ও প্রাতিষ্ঠানিক: তিনি সরকারের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রস্তুতির সময় নিশ্চিত করেন এবং ডিসেম্বর মাসে পাকিস্তানের ভারত আক্রমণের পর সেনা অভিযান পরিচালনা করেন। পূর্বাঞ্চলের মাঠপর্যায়ের কমান্ডও বিজয়ের জন্য অপরিহার্য ছিল।
সমন্বিত অভিযান ঢাকার দিকে অগ্রসর হয় এবং ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ যৌথ বাংলাদেশ-ভারত কমান্ডের কাছে পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণে সহায়তা করে। ভারতের সামরিক ইতিহাসে মানেকশ গুরুত্বপূর্ণ হলেও বিজয়টি কেবল একজন কমান্ডারের ফল নয়—বাঙালির প্রতিরোধ, মুজিবনগর সরকারের রাজনৈতিক নেতৃত্ব, মুক্তিবাহিনীর অভিযান, ভারতের বিভিন্ন বাহিনী এবং বৃহত্তর আঞ্চলিক সংকট একসঙ্গে এতে ভূমিকা রাখে।
১৯৭১মুক্তিযুদ্ধ
বিস্তারিত→হামিদুর রহমান
শহীদব্যক্তি
বীরশ্রেষ্ঠ (সেনাবাহিনী শহীদ)
“বাঙ্কার আক্রমণে তিনি সামনে থেকে নেতৃত্ব দেন।”
শত্রু বাঙ্কার আক্রমণে অগ্রভাগে থেকে লড়াই করতে গিয়ে তিনি শহীদ হন।
ধলাই সীমান্ত ফ্রন্ট, অক্টোবর ১৯৭১।
সরাসরি আক্রমণাত্মক অভিযানে তার সাহসিকতা মুক্তিযুদ্ধে বিশেষভাবে স্মরণীয়।
বীর শ্রেষ্ঠধলাইআক্রমণ
বিস্তারিত→আবদুর রব সেরনিয়াবাত
নেতৃত্বব্যক্তি
রাজনীতিক
“আবদুর রব সেরনিয়াবাত ছিলেন বাংলাদেশের জ্যেষ্ঠ রাজনীতিক, যিনি ১৯৭৫ সালের আগস্টের রাজনৈতিক সহিংসতায় নিহত হন।”
আবদুর রব সেরনিয়াবাত ছিলেন আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ রাজনীতিক এবং স্বাধীনতার পর শেখ মুজিবুর রহমানের সরকারের সদস্য।
১৯৭০-এর দশকে বাংলাদেশের প্রাথমিক রাষ্ট্রগঠন ও রাজনৈতিক সংঘাত।
১৯৭৫ সালের আগস্টে তাঁর হত্যাকাণ্ড স্বাধীনতা-পরবর্তী বাংলাদেশের রাষ্ট্র ও রাজনীতিকে পুনর্গঠন করা রাজনৈতিক সহিংসতার অংশ।
বিস্তারিত→কামাল হোসেন
নেতৃত্বব্যক্তি
সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সভাপতি
“কামাল হোসেন ১৯৭২ সালের সংবিধান প্রণয়ন কমিটির নেতৃত্ব দিয়ে স্বাধীন বাংলাদেশের রাষ্ট্রকাঠামো গঠনে কেন্দ্রীয় ভূমিকা রাখেন।”
তিনি ১৯৭২ সালের সংবিধান প্রণয়ন কমিটির নেতৃত্ব দেন এবং বাংলাদেশের প্রাথমিক সংসদীয় কাঠামোর অন্যতম প্রধান আইনগত স্থপতি হিসেবে কাজ করেন।
মুক্তিযুদ্ধ-পরবর্তী বাংলাদেশে রাষ্ট্রগঠন ও সংবিধান প্রণয়ন।
তার ভূমিকা স্বাধীনতার আদর্শকে অধিকার, সংসদীয় শাসন ও প্রজাতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থার প্রাতিষ্ঠানিক ভাষায় রূপ দিতে সাহায্য করে।
বিস্তারিত→মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমা
নেতৃত্বব্যক্তি
পার্বত্য চট্টগ্রামের রাজনীতিক ও স্বায়ত্তশাসন নেতা
মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমা পার্বত্য চট্টগ্রামে ছাত্র ও জনআন্দোলন সংগঠিত করেন। কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ প্রকল্পে পাহাড়ি পরিবারগুলোর ভূমি ও বসতভিটা হারানোর পর ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসনের দাবিতে তিনি আন্দোলন করেন। বিভিন্ন পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিদের ঐক্যবদ্ধ করে তিনি ১৯৭০ সালে পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদে এবং ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে নির্বাচিত হন।
১৯৭১ সালের পরের বিতর্ক, যেখানে বাংলাদেশের সাংবিধানিক জাতীয়তাবাদ পার্বত্য চট্টগ্রামের জনগণের স্বতন্ত্র সাংস্কৃতিক, ভাষাগত ও রাজনৈতিক পরিচয়কে কীভাবে স্বীকৃতি দেবে—এই প্রশ্নটি কেন্দ্রে ছিল। লারমা রাষ্ট্রীয় জাতীয়তাবাদের পাশাপাশি জুম্ম পরিচয়ের স্বীকৃতি এবং অঞ্চলের বিশেষ প্রশাসনিক মর্যাদা দাবি করেন।
১৯৭২ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি তিনি পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (পিসিজেএসএস) প্রতিষ্ঠা করেন। সাংবিধানিক দাবিগুলো গ্রহণ না হওয়ার পর সংগঠনটি ১৯৭৩ সালে শান্তি বাহিনী নামে একটি সশস্ত্র শাখা গড়ে তোলে। ১৯৮৩ সালের ১০ নভেম্বর হত্যাকাণ্ডের আগ পর্যন্ত লারমা এর প্রধান রাজনৈতিক নেতা ছিলেন। তাঁর স্বায়ত্তশাসনের দাবিগুলো ১৯৯৭ সালের পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তির রাজনৈতিক পটভূমির অংশ হয়ে থাকে।
পার্বত্য-চট্টগ্রামপিসিজেএসএসজুম্ম-পরিচয়স্বায়ত্তশাসন
বিস্তারিত→সিরাজ সিকদার
নেতৃত্বব্যক্তি
বিপ্লবী রাজনৈতিক নেতা ও সর্বহারা আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা
“পূর্ব বাংলার সর্বহারা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা এবং স্বাধীনতার শুরুর রাষ্ট্রক্ষমতার এক র্যাডিক্যাল সমালোচক।”
সিরাজ সিকদার ছিলেন একজন মার্কসবাদী-লেনিনবাদী বিপ্লবী। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি পূর্ব বাংলার সর্বহারা পার্টি প্রতিষ্ঠা করেন এবং পূর্ব বাংলা ও ১৯৭১-পরবর্তী বাংলাদেশে একটি গোপন সশস্ত্র আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন।
তাঁর রাজনীতি পাকিস্তান আমলের শেষ পর্যায় এবং স্বাধীনতার শুরুর রাজনৈতিক সংকট থেকে গড়ে ওঠে। তিনি ১৯৭২ সালের সাংবিধানিক পথ প্রত্যাখ্যান করেন, আওয়ামী লীগ সরকারের সমালোচনা করেন এবং রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক চাপের সময় গ্রামভিত্তিক ও গোপন প্রতিরোধ সংগঠিত করেন।
তাঁর উত্তরাধিকার বিতর্কিত: সমর্থকেরা তাঁকে রাষ্ট্রবিরোধী এক র্যাডিক্যাল সমালোচনার কণ্ঠ হিসেবে স্মরণ করেন, আর ঐতিহাসিক বিবরণে তাঁর আন্দোলনের সঙ্গে সশস্ত্র হামলা, জবরদস্তি ও অস্থিতিশীলতারও যোগ করা হয়। ১৯৭৫ সালের জানুয়ারিতে গ্রেপ্তারের পর রাষ্ট্রের হেফাজতে তাঁর মৃত্যু হয়; এর পরিস্থিতি বাংলাদেশের শুরুর রাজনৈতিক স্মৃতির অংশ হয়ে আছে।
বিপ্লবী-রাজনীতিসর্বহারা-পার্টিস্বাধীনতা-পরবর্তী-বাংলাদেশবিতর্কিত-ইতিহাস
বিস্তারিত→বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ
সংগঠনদল
১৯৭৫ সালের বাংলাদেশের একদলীয় রাজনৈতিক কাঠামো
“বাংলাদেশের ১৯৭৫ সালের রাজনৈতিক ভাঙনের কেন্দ্রে থাকা স্বল্পস্থায়ী একদলীয় কাঠামো।”
বাকশাল ছিল ১৯৭৫ সালে শেখ মুজিবুর রহমানের অধীনে প্রবর্তিত একদলীয় রাজনৈতিক পুনর্গঠন, যখন বাংলাদেশ গভীর অর্থনৈতিক, প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক চাপে ছিল।
স্বাধীনতা-পরবর্তী রাষ্ট্রসংকট, চতুর্থ সংশোধনী-পর্ব এবং ১৯৭৫ সালের দ্রুত রাজনৈতিক ভাঙন।
এর গঠন ও পতন প্রারম্ভিক বাংলাদেশের রাষ্ট্রক্ষমতা, দলীয় সংগঠন, সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক ভাঙন-সংক্রান্ত বিতর্কের কেন্দ্রীয় চিহ্ন হয়ে থাকে।
১৯৭৫বাকশালএকদলীয় ব্যবস্থারাষ্ট্রসংকট
বিস্তারিত→শেখ হাসিনা
নেতৃত্বব্যক্তি
আওয়ামী লীগ নেতা ও ২০২৪ গণঅভ্যুত্থানের সময়ের প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তিনি জুলাই-আগস্ট ২০২৪ দমন-পীড়নের সময় আওয়ামী লীগ সরকারের নেতৃত্ব দেন এবং ছাত্রনেতৃত্বাধীন গণঅভ্যুত্থান চূড়ান্ত রূপ নেওয়ার পর ৫ আগস্ট ২০২৪ পদত্যাগ করেন।
এরশাদবিরোধী আন্দোলন থেকে ২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন ও পদত্যাগ-পরবর্তী রূপান্তর পর্যন্ত বাংলাদেশের রাজনীতি।
তার পদত্যাগ প্রতিবাদকে রাষ্ট্রীয় রূপান্তরের মুহূর্তে পরিণত করে এবং দমন-পীড়নের জবাবদিহিকে জনআলোচনার কেন্দ্রে আনে।
১৯৯০গণতন্ত্রএরশাদবিরোধী আন্দোলনদলীয় রাজনীতি
বিস্তারিত→আবদুস সাত্তার
নেতৃত্বব্যক্তি
বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি
“আবদুস সাত্তারের নির্বাচিত সরকার এরশাদের ১৯৮২ সালের সামরিক অভ্যুত্থানে উৎখাত হয়।”
তিনি ১৯৮২ সালে এরশাদের দ্বারা উৎখাত হওয়া নির্বাচিত বেসামরিক সরকারের প্রধান ছিলেন এবং জিয়া-পরবর্তী সাংবিধানিক শাসনকে স্থিতিশীল করার এক ভঙ্গুর প্রচেষ্টার প্রতিনিধিত্ব করতেন।
১৯৮১-১৯৮২: বাংলাদেশের অনিশ্চিত বেসামরিক উত্তরণ।
তার অপসারণ দেখিয়ে দেয় যে সামরিক শক্তির মুখে নির্বাচিত প্রতিষ্ঠানগুলো তখনও কতটা দুর্বল ছিল।
বিস্তারিত→খালেদা জিয়া
নেতৃত্বব্যক্তি
৭-দলীয় জোটের নেত্রী
বিএনপির চেয়ারপারসন হিসেবে তিনি এরশাদবিরোধী এমন এক প্রধান জোটের নেতৃত্ব দেন, যা আন্দোলনকে সত্যিকার অর্থে জাতীয় মুখোমুখিতে রূপ দেয়।
১৯৮০-এর শেষভাগ ও ১৯৯০-এর এরশাদবিরোধী আন্দোলন এবং গণতান্ত্রিক রূপান্তর।
তাদের ভূমিকা স্বৈরশাসনের অবসান ঘটানো গণঅভ্যুত্থানকে বিস্তৃত, বৈধ এবং কার্যকর করে তোলে।
১৯৯০গণতন্ত্রএরশাদবিরোধী আন্দোলনদলীয় রাজনীতি
বিস্তারিত→জাতীয় পার্টি
সংগঠনদল
বাংলাদেশের রাজনৈতিক দল
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের নেতৃত্বে গঠিত এই দলটি স্বৈরশাসন পর্ব ও পরবর্তী সংসদীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
সামরিক শাসনের উত্তরাধিকার, স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের প্রেক্ষাপট, এবং ১৯৯০-পরবর্তী নির্বাচন-রাজনীতির পুনর্বিন্যাস।
দলটি বাংলাদেশের রাজনীতিতে স্থায়ী তৃতীয় শক্তির অবস্থান তৈরি করে এবং বিভিন্ন নির্বাচনে জোটসমীকরণে প্রভাব ফেলে।
১৯৯০গণতন্ত্রএরশাদবিরোধী আন্দোলনদলীয় রাজনীতি
বিস্তারিত→হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ
নেতৃত্বব্যক্তি
সেনাপ্রধান ও সামরিক শাসক
তিনি ১৯৮২ সালের অভ্যুত্থানের নেতৃত্ব দেন, সামরিক আইন জারি করেন, এবং এমন এক সামরিক-সমর্থিত রাজনৈতিক ব্যবস্থা গড়ে তোলেন যা আশির দশকের বেশিরভাগ সময় বাংলাদেশ শাসন করে।
১৯৮২ থেকে ১৯৯০ পর্যন্ত বাংলাদেশের কর্তৃত্ববাদী রূপান্তর।
তার শাসন স্বাধীনতার-পরবর্তী বাংলাদেশে সেনাবাহিনী, রাষ্ট্রপতি, দলীয় রাজনীতি এবং রাজপথের বিরোধিতার সম্পর্ককে নতুনভাবে নির্ধারণ করে।
১৯৯০গণতন্ত্রএরশাদবিরোধী আন্দোলনদলীয় রাজনীতি
বিস্তারিত→২২ ছাত্রসংগঠনের ঐক্যফ্রন্ট
সংগঠনজোট
ছাত্রজোট
এই সমষ্টি বা সংগঠন এরশাদবিরোধী আন্দোলনকে কেবল দলীয় লড়াইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখেনি; বরং গণতান্ত্রিক প্রতিরোধকে সামাজিকভাবে আরও বিস্তৃত ও টেকসই করেছে।
১৯৯০-এর গণঅভ্যুত্থানকে গড়ে তোলা বৃহত্তর প্রতিবাদী সংস্কৃতি।
তাদের উপস্থিতি দেখায় যে গণঅভ্যুত্থান সাংগঠনিক গভীরতা, সামাজিক জোট এবং সমন্বিত জনঅংশগ্রহণের ওপর দাঁড়িয়ে ছিল।
১৯৯০গণতন্ত্রএরশাদবিরোধী আন্দোলনছাত্র রাজনীতি
বিস্তারিত→৫-দলীয় জোট
সংগঠনজোট
বিরোধী জোট
এই সমষ্টি বা সংগঠন এরশাদবিরোধী আন্দোলনকে কেবল দলীয় লড়াইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখেনি; বরং গণতান্ত্রিক প্রতিরোধকে সামাজিকভাবে আরও বিস্তৃত ও টেকসই করেছে।
১৯৯০-এর গণঅভ্যুত্থানকে গড়ে তোলা বৃহত্তর প্রতিবাদী সংস্কৃতি।
তাদের উপস্থিতি দেখায় যে গণঅভ্যুত্থান সাংগঠনিক গভীরতা, সামাজিক জোট এবং সমন্বিত জনঅংশগ্রহণের ওপর দাঁড়িয়ে ছিল।
১৯৯০গণতন্ত্রএরশাদবিরোধী আন্দোলনদলীয় রাজনীতি
বিস্তারিত→৭-দলীয় জোট
সংগঠনজোট
বিরোধী জোট
এই সমষ্টি বা সংগঠন এরশাদবিরোধী আন্দোলনকে কেবল দলীয় লড়াইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখেনি; বরং গণতান্ত্রিক প্রতিরোধকে সামাজিকভাবে আরও বিস্তৃত ও টেকসই করেছে।
১৯৯০-এর গণঅভ্যুত্থানকে গড়ে তোলা বৃহত্তর প্রতিবাদী সংস্কৃতি।
তাদের উপস্থিতি দেখায় যে গণঅভ্যুত্থান সাংগঠনিক গভীরতা, সামাজিক জোট এবং সমন্বিত জনঅংশগ্রহণের ওপর দাঁড়িয়ে ছিল।
১৯৯০গণতন্ত্রএরশাদবিরোধী আন্দোলনদলীয় রাজনীতি
বিস্তারিত→৮-দলীয় জোট
সংগঠনজোট
বিরোধী জোট
এই সমষ্টি বা সংগঠন এরশাদবিরোধী আন্দোলনকে কেবল দলীয় লড়াইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখেনি; বরং গণতান্ত্রিক প্রতিরোধকে সামাজিকভাবে আরও বিস্তৃত ও টেকসই করেছে।
১৯৯০-এর গণঅভ্যুত্থানকে গড়ে তোলা বৃহত্তর প্রতিবাদী সংস্কৃতি।
তাদের উপস্থিতি দেখায় যে গণঅভ্যুত্থান সাংগঠনিক গভীরতা, সামাজিক জোট এবং সমন্বিত জনঅংশগ্রহণের ওপর দাঁড়িয়ে ছিল।
১৯৯০গণতন্ত্রএরশাদবিরোধী আন্দোলনদলীয় রাজনীতি
বিস্তারিত→আইনজীবী সমাজ
সম্মিলিত কণ্ঠসংস্থা
পেশাজীবী সমষ্টি
এই সমষ্টি বা সংগঠন এরশাদবিরোধী আন্দোলনকে কেবল দলীয় লড়াইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখেনি; বরং গণতান্ত্রিক প্রতিরোধকে সামাজিকভাবে আরও বিস্তৃত ও টেকসই করেছে।
১৯৯০-এর গণঅভ্যুত্থানকে গড়ে তোলা বৃহত্তর প্রতিবাদী সংস্কৃতি।
তাদের উপস্থিতি দেখায় যে গণঅভ্যুত্থান সাংগঠনিক গভীরতা, সামাজিক জোট এবং সমন্বিত জনঅংশগ্রহণের ওপর দাঁড়িয়ে ছিল।
১৯৯০গণতন্ত্রএরশাদবিরোধী আন্দোলনদলীয় রাজনীতি
বিস্তারিত→