আবদুল হান্নান মাসউদ
সমন্বয়কব্যক্তি
সমন্বয়ক (বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন)
“কয়েকজন জাতীয় মুখের বাইরে বিস্তৃত সমন্বয় নেটওয়ার্কের অংশ।”
জুলাই-আগস্ট ২০২৪ সময়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রকাশ্য সমন্বয় কাঠামোয় তার নাম উল্লেখিত ছিল।
৩ আগস্ট ২০২৪-এর ১৫৮ সদস্যের সমন্বয় দল ঘোষণাসহ বিভিন্ন প্রকাশ্য তালিকা।
প্রাতিষ্ঠানিক ও আঞ্চলিক পর্যায়ের সমন্বয়ের মাধ্যমে দেশব্যাপী আন্দোলন নেটওয়ার্ক টিকিয়ে রাখতে ভূমিকা রাখেন।
সমন্বয়শিক্ষার্থীরা বিরুদ্ধে বৈষম্য২০২৪বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন
বিস্তারিত→এবি পার্টি
সংগঠনদল
২০২০ সালে প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশের রাজনৈতিক দল
“এবি পার্টি একটি নিবন্ধিত বাংলাদেশি রাজনৈতিক দল, যার ঘোষিত রাজনীতির কেন্দ্রে অধিকার, সামাজিক সুবিচার ও রাজনৈতিক সংস্কার রয়েছে।”
আমার বাংলাদেশ পার্টি, সংক্ষেপে এবি পার্টি, ২০২০ সালে সমতা, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক সুবিচার ও নাগরিককেন্দ্রিক রাজনৈতিক পরিবর্তনের অঙ্গীকার নিয়ে একটি নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। বাংলাদেশের প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ দলীয় রাজনীতিতে দলটি নিজেকে সংস্কারমুখী বিকল্প হিসেবে উপস্থাপন করে।
এবি পার্টির ঘোষিত কর্মসূচি বাংলাদেশের ১৯৭১ সালের স্বাধীনতার অঙ্গীকারকে সমসাময়িক অধিকার, জবাবদিহিমূলক সরকার ও রাজনৈতিক সংস্কারের দাবির সঙ্গে যুক্ত করে। আইনি চ্যালেঞ্জের পর ২১ আগস্ট ২০২৪ বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন দলটিকে নিবন্ধন দেয়; এর নির্বাচনি প্রতীক ঈগল। ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে প্রথম জাতীয় কাউন্সিলে মজিবুর রহমান ভূঁইয়া মঞ্জু চেয়ারম্যান এবং আসাদুজ্জামান ফুয়াদ সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন, তিন বছরের জন্য।
বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের প্রধান দলগুলোর প্রতিদ্বন্দ্বিতার বাইরে নতুন রাজনৈতিক সংগঠনের অনুসন্ধানকে এবি পার্টির ইতিহাসে দেখা যায়। এটি চলমান সমসাময়িক রাজনৈতিক রেকর্ড হিসেবে পড়া উচিত: নেতৃত্ব, জোট, নীতিগত অবস্থান ও নির্বাচনি গুরুত্ব পরিবর্তিত হতে পারে। তাই দলটির বর্তমান অবস্থা বর্ণনার সময় তারিখসহ নির্ভরযোগ্য সূত্র ব্যবহার করা জরুরি।
বিস্তারিত→জাতীয় নাগরিক পার্টি
সংগঠনদল
বাংলাদেশের ছাত্র-নেতৃত্বাধীন রাজনৈতিক দল
২০২৫ সালে জুলাই ২০২৪ অভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট নেতৃত্বের উদ্যোগে দলটি গঠিত হয় এবং যুব-নেতৃত্বাধীন সংস্কার এজেন্ডাকে জাতীয় নির্বাচনী রাজনীতিতে আনে।
অভ্যুত্থান-পরবর্তী রাজনৈতিক রূপান্তর, প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের দাবি, এবং জাতীয় নির্বাচনের আগে প্রতিষ্ঠিত ও উদীয়মান দলের প্রতিযোগিতা।
দলটির উত্থান নতুন প্রজন্ম-নির্ভর রাজনৈতিক শক্তিকে নির্বাচনী পরিসরে যুক্ত করে এবং শাসন-সংস্কার ও প্রতিনিধিত্বের বিতর্ককে মূলধারায় আরও জোরালো করে।
বিস্তারিত→ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ
সংগঠনদল
বাংলাদেশের ইসলামী রাজনৈতিক দল
“সমকালীন বাংলাদেশ রাজনীতির একটি উল্লেখযোগ্য ইসলামী নির্বাচনী দল।”
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ একটি উল্লেখযোগ্য ইসলামী নির্বাচনী দল, যার উপস্থিতি ভোট, প্রতিনিধিত্ব ও ধর্মভিত্তিক রাজনীতির ১৯৯০-পরবর্তী এবং ২০২৪-পরবর্তী আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ।
বাংলাদেশের নির্বাচনী রাজনীতি, ইসলামী দলীয় প্রতিযোগিতা এবং ২০২৬ নির্বাচন ঘিরে সংস্কার বিতর্ক।
এর অন্তর্ভুক্তি সমকালীন দলীয় ডিরেক্টরিকে শুধু বড় দলকেন্দ্রিক রাখে না এবং একটি গুরুত্বপূর্ণ ইসলামী নির্বাচনী ধারাকে ধরে।
ইসলামী-রাজনীতিনির্বাচন-২০২৬ধর্মভিত্তিক-রাজনীতিবাংলাদেশ
বিস্তারিত→জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ
সংগঠনদল
বাংলাদেশের ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দল
“বাংলাদেশের ধর্মভিত্তিক রাজনীতি ও জোট-পরিসরে সক্রিয় উলামা-ভিত্তিক রাজনৈতিক দল।”
জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ দেশের ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক ও জোট-পরিসরে অংশ নিয়েছে; এর মাধ্যমে উলামা-ভিত্তিক রাজনীতির সাংগঠনিক কণ্ঠ নির্বাচন, জননৈতিকতা ও রাষ্ট্রের দিকনির্দেশনা নিয়ে বিতর্কে উপস্থিত হয়েছে।
এর প্রোফাইল ১৯৯০-পরবর্তী বহুদলীয় প্রতিযোগিতার সময়ের সঙ্গে যুক্ত, যখন ছোট ধর্মভিত্তিক দলগুলো নিজস্ব প্ল্যাটফর্মের পাশাপাশি নির্বাচনী ও ইস্যুভিত্তিক সমীকরণে কাজ করেছে। বিদ্যমান ঘটনানথিতে দলটিকে ২০১৩ সালের শাহবাগ-পরবর্তী পাল্টা-মোবিলাইজেশন এবং ২০২৬ সালের সংসদ নির্বাচনের বৃহত্তর রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে দেখা যায়; তবে একে অন্য ইসলামপন্থী সংগঠনের সমার্থক ধরা হয় না।
দলটির গুরুত্ব কোনো একক নির্বাচনী সাফল্যের নথিতে নয়, বরং জোটের অংশীদার ও ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক সংকেত হিসেবে তার ভূমিকায়। এর উপস্থিতি দেখায় যে বাংলাদেশের বিরোধী ও নির্বাচনী রাজনীতিতে বড় দলের পাশাপাশি ছোট সংগঠনগুলোও প্রতিনিধিত্ব, সামাজিক দাবি ও জোটের পরিসর নিয়ে দরকষাকষি করেছে।
ধর্মভিত্তিক-রাজনীতিজোট-রাজনীতিনির্বাচন-২০২৬শাহবাগ-প্রেক্ষাপট
বিস্তারিত→