আবদুল হামিদ খান ভাসানী
নেতৃত্বব্যক্তি
গণরাজনৈতিক সংগঠক
দেশভাগের পর পূর্ববঙ্গে তিনি জনঅসন্তোষকে বিরোধী রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত করা অন্যতম বড় গণসংগঠকে পরিণত হন।
১৯৪০-এর শেষভাগ ও ১৯৫০-এর শুরুর দিকের পূর্ববঙ্গ।
তার নেতৃত্ব আঞ্চলিক বঞ্চনাকে সংগঠিত গণআন্দোলনের ভাষা দেয় এবং কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রীয় কর্তৃত্বকে চ্যালেঞ্জ করে।
১৯৪৭দেশভাগ
বিস্তারিত→ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি
সংগঠনদল
পাকিস্তান ও বাংলাদেশের বাম-জাতীয়তাবাদী রাজনৈতিক দল
“ভাসানীর গণরাজনীতি, আইয়ুববিরোধী প্রতিবাদ ও ফারাক্কা আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত বাম-জাতীয়তাবাদী দল।”
ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি মওলানা ভাসানীর গণরাজনীতিকে আইয়ুববিরোধী আন্দোলন, স্বায়ত্তশাসনের দাবি, বাম-জাতীয়তাবাদী সংগঠন এবং পরে ফারাক্কা নদী-অধিকার প্রতিবাদের সঙ্গে যুক্ত করে।
পূর্ব পাকিস্তানের বিরোধী রাজনীতি, ১৯৬৯ গণঅভ্যুত্থান এবং স্বাধীনতা-পরবর্তী বাংলাদেশের ফারাক্কা লং মার্চের রাজনীতি।
ন্যাপ আওয়ামী লীগের সাংবিধানিক জাতীয়তাবাদের বাইরে কৃষকভিত্তিক, বাম ও সাম্রাজ্যবাদবিরোধী সুরকে গণআন্দোলনে দৃশ্যমান রাখে।
ন্যাপবাম রাজনীতিভাসানী১৯৬৯
বিস্তারিত→অজানা প্রতিবাদী
সম্মিলিত কণ্ঠসংস্থা
সমষ্টিগত নাগরিক প্রতীক
“অভ্যুত্থান-পর্বের বৃহত্তর নাগরিক-তথ্য পরিবেশের অংশ।”
২০২৪ সালের আন্দোলন-পর্বে এই ব্যক্তিত্ব জনআলোচনা, অধিকারভিত্তিক অবস্থান, প্রতিবেদন, বা নাগরিক সমর্থনের মাধ্যমে আন্দোলন-সংশ্লিষ্ট পরিসরে দৃশ্যমান ছিলেন।
জবাবদিহি, অধিকার ও শাসন-রূপান্তর নিয়ে ২০২৪ সালের জনপরিসর।
আন্দোলনকে ঘিরে জনমত, তথ্যপ্রবাহ বা নাগরিক আলোচনার গতিপ্রকৃতিতে প্রভাব ফেলেন।
জন আলোচনানাগরিক সমর্থন২০২৪বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন
বিস্তারিত→আবু তাহের
নেতৃত্বব্যক্তি
সামরিক কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব
তিনি মুক্তিযুদ্ধে যোগ দিয়ে সেক্টর ১১-এর কমান্ড কাঠামোর সঙ্গে যুক্ত হন এবং কামালপুর ফ্রন্টে আহত হয়ে একটি পা হারান; পরে স্বাধীন বাংলাদেশে গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হয়ে ওঠেন।
মুক্তিযুদ্ধের যুদ্ধক্ষেত্র, সেক্টর ১১ ও কামালপুর ফ্রন্ট; পরবর্তী সময়ে স্বাধীন বাংলাদেশের সামরিক-রাজনৈতিক অস্থিরতা।
তার প্রোফাইল যুদ্ধকালীন আত্মত্যাগ, সেক্টর কমান্ডের স্মৃতি এবং স্বাধীনতার পরের বিতর্কিত রাষ্ট্ররাজনীতিকে একসঙ্গে দেখায়।
১৯৭১মুক্তিযুদ্ধসামরিক নেতৃত্ব
বিস্তারিত→