Battle of Plassey, 1757
1757 · Plassey
Language Movement, 1952
1952 · Language
Liberation War, 1971
1971 · Liberation
Partition of Bengal and Swadeshi movement, 1905
1905 · Partition

Discover Bengal · Unfolded

১৯৭৫ সালের ব্যক্তিত্বরা

বাকশাল প্রতিষ্ঠা ও পতন

১৯৭৫ অধ্যায়ের সাথে যুক্ত ব্যক্তিত্ব, শহীদ, সমন্বয়ক ও সম্মিলিত শক্তির পূর্ণ তালিকা।

Est. 1947 · BengalA Bilingual Archive

পূর্ণ ব্যক্তিত্ব তালিকা

10 প্রোফাইল

শেখ মুজিবুর রহমান

নেতৃত্বব্যক্তি

ছাত্রসংগঠক ও জাতীয় নেতা

ছয় দফা, ১৯৭০-এর ম্যান্ডেট ও ৭ মার্চের ভাষণ তাকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার সংগ্রামের কেন্দ্রীয় রাজনৈতিক কণ্ঠে পরিণত করে।

ছয় দফা স্বায়ত্তশাসন আন্দোলন, ১৯৭০ সালের নির্বাচনী ম্যান্ডেট এবং ১৯৭১ সালের মার্চের গণমোবিলাইজেশনের মাধ্যমে তিনি পূর্ব পাকিস্তানের সাংবিধানিক সংকটকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার সংগ্রামে রূপ দেন।

পূর্ববঙ্গ ও পূর্ব পাকিস্তান, ১৯৪৮-১৯৭১; ভাষা-রাজনীতির শুরু থেকে স্বায়ত্তশাসন ও স্বাধীনতার সংগ্রাম।

ভাষার অধিকার, নির্বাচনী প্রতিনিধিত্ব ও স্বায়ত্তশাসনের দাবিকে তিনি বাঙালির আত্মনিয়ন্ত্রণ ও রাষ্ট্রগঠনের গণদাবিতে পরিণত করেন।

ভাষা অধিকারস্বায়ত্তশাসনজাতীয়তাবাদ
বিস্তারিত

সৈয়দ নজরুল ইসলাম

নেতৃত্বব্যক্তি

অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি

অনিশ্চয়তার সময়ে তিনি রাষ্ট্রের ধারাবাহিক কণ্ঠ ছিলেন।

বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকারের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি হিসেবে শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানে বন্দি থাকাকালে তিনি সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা ও যুদ্ধকালীন রাজনৈতিক কর্তৃত্ব বজায় রাখেন।

মুজিবনগর সরকার, ১৯৭১; নেতৃত্বের শূন্যতার সময়কাল।

তার অস্থায়ী রাষ্ট্রপতিত্ব মুক্তিযুদ্ধকে বিচ্ছিন্ন বিদ্রোহ নয়, বৈধ জাতীয় সরকারের সংগ্রাম হিসেবে তুলে ধরতে সহায়তা করে।

সাংবিধানিক বৈধতানেতৃত্ব১৯৭১
বিস্তারিত

তাজউদ্দীন আহমদ

সমন্বয়কব্যক্তি

অস্থায়ী সরকারের প্রধানমন্ত্রী

ফ্রন্টলাইনের বাইরে থেকেও যুদ্ধের মানচিত্র তিনি ধরে রেখেছিলেন।

মুক্তিযুদ্ধের সময় প্রবাসী সরকারের প্রশাসনিক কাঠামো, কূটনৈতিক যোগাযোগ ও যুদ্ধ-পরিকল্পনার সমন্বয় করেন। বিচ্ছিন্ন প্রতিরোধকে একটি কার্যকর রাষ্ট্র-পরিচালিত সংগ্রামে রূপ দেন।

মুজিবনগর সরকার, ১৯৭১; ভারত ও আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক পরিমণ্ডল।

রাজনৈতিক বৈধতা, সামরিক সমন্বয় এবং আন্তর্জাতিক সমর্থনকে এক ফ্রেমে এনে মুক্তিযুদ্ধের কার্যকর রাষ্ট্রীয় রূপরেখা প্রতিষ্ঠা করেন।

রাষ্ট্রনীতিযুদ্ধকালীন শাসনকূটনীতি
বিস্তারিত

বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ

সংগঠনদল

১৯৭৫ সালের বাংলাদেশের একদলীয় রাজনৈতিক কাঠামো

বাংলাদেশের ১৯৭৫ সালের রাজনৈতিক ভাঙনের কেন্দ্রে থাকা স্বল্পস্থায়ী একদলীয় কাঠামো।

বাকশাল ছিল ১৯৭৫ সালে শেখ মুজিবুর রহমানের অধীনে প্রবর্তিত একদলীয় রাজনৈতিক পুনর্গঠন, যখন বাংলাদেশ গভীর অর্থনৈতিক, প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক চাপে ছিল।

স্বাধীনতা-পরবর্তী রাষ্ট্রসংকট, চতুর্থ সংশোধনী-পর্ব এবং ১৯৭৫ সালের দ্রুত রাজনৈতিক ভাঙন।

এর গঠন ও পতন প্রারম্ভিক বাংলাদেশের রাষ্ট্রক্ষমতা, দলীয় সংগঠন, সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক ভাঙন-সংক্রান্ত বিতর্কের কেন্দ্রীয় চিহ্ন হয়ে থাকে।

১৯৭৫বাকশালএকদলীয় ব্যবস্থারাষ্ট্রসংকট
বিস্তারিত

মুহাম্মদ মনসুর আলী

নেতৃত্বব্যক্তি

মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রী ও পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী

মুক্তিযুদ্ধের জাতীয় নেতা, যার উত্তরাধিকার ১৯৭৫ সালের জেলহত্যার স্মৃতির সঙ্গে অঙ্গাঙ্গী।

মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি মুজিবনগর সরকারের নেতৃত্বে যুক্ত ছিলেন, ১৯৭৫ সালে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হন এবং ৩ নভেম্বর ১৯৭৫ জেলহত্যায় নিহত চার জাতীয় নেতার একজন হিসেবে স্মরণীয়।

মুজিবনগর সরকারের যুদ্ধকালীন নেতৃত্ব, স্বাধীনতার পর রাষ্ট্রনীতি এবং ১৯৭৫ সালের জেলহত্যা।

তার জীবন মুক্তিযুদ্ধকালীন জাতীয় নেতৃত্বকে স্বাধীনতার পর রাষ্ট্রগঠন এবং চার জাতীয় নেতার স্মৃতির সঙ্গে যুক্ত করে।

১৯৭১মুক্তিযুদ্ধরাজনৈতিক নেতৃত্ব
বিস্তারিত

এ. এইচ. এম. কামারুজ্জামান

নেতৃত্বব্যক্তি

অস্থায়ী সরকারের স্বরাষ্ট্র বিষয়ক নেতা

যুদ্ধের পেছনের প্রশাসনিক সংগঠনে তিনি ছিলেন কেন্দ্রীয় মুখ।

বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকারের স্বরাষ্ট্র বিষয়ক নেতা হিসেবে তিনি ১৯৭১ সালে যুদ্ধকালীন রাষ্ট্রের প্রশাসন ও অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক কর্তৃত্ব সমন্বয়ে ভূমিকা রাখেন।

মুজিবনগর সরকারের প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক কাঠামো, ১৯৭১।

তার যুদ্ধকালীন প্রশাসনিক ভূমিকা স্বাধীনতার সংগ্রামের রাজনৈতিক ভিত্তি শক্তিশালী করে এবং পরে চার জাতীয় নেতার স্মৃতির অংশ হয়ে ওঠে।

মুজিবনগরশাসননেতৃত্ব
বিস্তারিত

খালেদ মোশাররফ

নেতৃত্বব্যক্তি

সেক্টর ২ কমান্ডার ও কে ফোর্স নেতা

সেক্টর ২-এর অপারেশনাল চরিত্র গঠনে তিনি প্রধান।

সেক্টর ২ ও পরে কে ফোর্সের নেতৃত্ব দিয়ে তিনি ঢাকা-কেন্দ্রিক এলাকায় গুরুত্বপূর্ণ গেরিলা ও সামরিক অভিযান পরিচালনা করেন।

কুমিল্লা-ঢাকা ফ্রন্ট ও কে ফোর্স কার্যক্রম, ১৯৭১।

তার নেতৃত্ব সেক্টর ২-এ সংগঠিত সামরিক প্রতিরোধকে শক্তিশালী করে।

সেক্টর ২কে ফোর্সঅভিযান
বিস্তারিত

জিয়াউর রহমান

নেতৃত্বব্যক্তি

সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্স কমান্ডার

প্রতীক ও ফ্রন্টলাইন—দুই ক্ষেত্রেই তার প্রভাব ছিল উচ্চ।

তিনি কালুরঘাট থেকে শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষে স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ করেন এবং পরে সেক্টর ১, সেক্টর ১১ ও জেড ফোর্সের কমান্ড দেন।

চট্টগ্রাম ও বিভিন্ন যুদ্ধফ্রন্ট, ১৯৭১।

তার বেতার ঘোষণা স্বাধীনতার আহ্বানকে প্রাথমিক প্রতীকী দৃশ্যমানতা দেয়, আর সেক্টর ও ফোর্স কমান্ড সংগঠিত সামরিক প্রতিরোধে ভূমিকা রাখে।

ঘোষণাসেক্টর কমান্ডজেড ফোর্স
বিস্তারিত

খন্দকার মোশতাক আহমেদ

নেতৃত্বব্যক্তি

পাকিস্তান আমলের আওয়ামী লীগ রাজনীতিক; ১৯৭১-এর যুদ্ধকালীন ও স্বাধীনতা-পরবর্তী মন্ত্রিসভার সদস্য; ১৫ আগস্ট ১৯৭৫-এর পর রাষ্ট্রপতি

খন্দকার মোশতাক আহমেদ পাকিস্তান আমলে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন এবং ১৯৭১ সালের যুদ্ধকালীন অস্থায়ী সরকার-প্রেক্ষাপট ও স্বাধীনতা-পরবর্তী মন্ত্রিসভায় ভূমিকা পালন করেন।

১৫ আগস্ট ১৯৭৫-এর পর তিনি দ্রুত ক্ষমতা-পরিবর্তনের মধ্যে রাষ্ট্রপতি হন; এই পর্যায়টি সাংবিধানিক বৈধতা নিয়ে তর্ক-বিতর্ক, ইনডেমনিটি অর্ডিন্যান্স জারি, এবং ১৯৭৫-পরবর্তী রাজনৈতিক পুনর্গঠনের সঙ্গে যুক্ত।

বাংলাদেশের ইতিহাসে তাঁর উত্তরাধিকার বিতর্কিত ও সংবেদনশীল: ১৯৭১-এর রাজনৈতিক নেতৃত্ব, স্বাধীনতা-পরবর্তী রাষ্ট্রগঠন, এবং ১৯৭৫-পরবর্তী বৈধতার সংকটের আলোচনায় তাঁর নাম নিয়মিতভাবে আসে।

পাকিস্তান-আমলের-রাজনীতিআওয়ামী-লীগযুদ্ধকালীন-সরকার-১৯৭১স্বাধীনতা-পরবর্তী-মন্ত্রিসভা
বিস্তারিত

শাহ আজিজুর রহমান

নেতৃত্বব্যক্তি

রাজনীতিক ও প্রধানমন্ত্রী

শাহ আজিজুর রহমান বাংলা ও বাংলাদেশের রাজনৈতিক-ঐতিহাসিক ধারায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।

বাংলা অঞ্চলে দক্ষিণ এশীয় রাজনৈতিক ও বৌদ্ধিক ইতিহাসের প্রেক্ষাপট।

তাঁর উত্তরাধিকার বাংলা/বাংলাদেশের রাষ্ট্র, সমাজ ও স্মৃতির ইতিহাস বোঝার ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক।

১৯৭১মুক্তিযুদ্ধরাজনৈতিক নেতৃত্ব
বিস্তারিত

1 / 1