সৈয়দ নজরুল ইসলাম
নেতৃত্বব্যক্তি
অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি
“অনিশ্চয়তার সময়ে তিনি রাষ্ট্রের ধারাবাহিক কণ্ঠ ছিলেন।”
বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকারের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি হিসেবে শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানে বন্দি থাকাকালে তিনি সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা ও যুদ্ধকালীন রাজনৈতিক কর্তৃত্ব বজায় রাখেন।
মুজিবনগর সরকার, ১৯৭১; নেতৃত্বের শূন্যতার সময়কাল।
তার অস্থায়ী রাষ্ট্রপতিত্ব মুক্তিযুদ্ধকে বিচ্ছিন্ন বিদ্রোহ নয়, বৈধ জাতীয় সরকারের সংগ্রাম হিসেবে তুলে ধরতে সহায়তা করে।
সাংবিধানিক বৈধতানেতৃত্ব১৯৭১
বিস্তারিত→তাজউদ্দীন আহমদ
সমন্বয়কব্যক্তি
অস্থায়ী সরকারের প্রধানমন্ত্রী
“ফ্রন্টলাইনের বাইরে থেকেও যুদ্ধের মানচিত্র তিনি ধরে রেখেছিলেন।”
মুক্তিযুদ্ধের সময় প্রবাসী সরকারের প্রশাসনিক কাঠামো, কূটনৈতিক যোগাযোগ ও যুদ্ধ-পরিকল্পনার সমন্বয় করেন। বিচ্ছিন্ন প্রতিরোধকে একটি কার্যকর রাষ্ট্র-পরিচালিত সংগ্রামে রূপ দেন।
মুজিবনগর সরকার, ১৯৭১; ভারত ও আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক পরিমণ্ডল।
রাজনৈতিক বৈধতা, সামরিক সমন্বয় এবং আন্তর্জাতিক সমর্থনকে এক ফ্রেমে এনে মুক্তিযুদ্ধের কার্যকর রাষ্ট্রীয় রূপরেখা প্রতিষ্ঠা করেন।
রাষ্ট্রনীতিযুদ্ধকালীন শাসনকূটনীতি
বিস্তারিত→খন্দকার মোশতাক আহমেদ
নেতৃত্বব্যক্তি
পাকিস্তান আমলের আওয়ামী লীগ রাজনীতিক; ১৯৭১-এর যুদ্ধকালীন ও স্বাধীনতা-পরবর্তী মন্ত্রিসভার সদস্য; ১৫ আগস্ট ১৯৭৫-এর পর রাষ্ট্রপতি
খন্দকার মোশতাক আহমেদ পাকিস্তান আমলে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন এবং ১৯৭১ সালের যুদ্ধকালীন অস্থায়ী সরকার-প্রেক্ষাপট ও স্বাধীনতা-পরবর্তী মন্ত্রিসভায় ভূমিকা পালন করেন।
১৫ আগস্ট ১৯৭৫-এর পর তিনি দ্রুত ক্ষমতা-পরিবর্তনের মধ্যে রাষ্ট্রপতি হন; এই পর্যায়টি সাংবিধানিক বৈধতা নিয়ে তর্ক-বিতর্ক, ইনডেমনিটি অর্ডিন্যান্স জারি, এবং ১৯৭৫-পরবর্তী রাজনৈতিক পুনর্গঠনের সঙ্গে যুক্ত।
বাংলাদেশের ইতিহাসে তাঁর উত্তরাধিকার বিতর্কিত ও সংবেদনশীল: ১৯৭১-এর রাজনৈতিক নেতৃত্ব, স্বাধীনতা-পরবর্তী রাষ্ট্রগঠন, এবং ১৯৭৫-পরবর্তী বৈধতার সংকটের আলোচনায় তাঁর নাম নিয়মিতভাবে আসে।
পাকিস্তান-আমলের-রাজনীতিআওয়ামী-লীগযুদ্ধকালীন-সরকার-১৯৭১স্বাধীনতা-পরবর্তী-মন্ত্রিসভা
বিস্তারিত→