Battle of Plassey, 1757
1757 · Plassey
Language Movement, 1952
1952 · Language
Liberation War, 1971
1971 · Liberation
Partition of Bengal and Swadeshi movement, 1905
1905 · Partition

Discover Bengal · Unfolded

১৯৭১ সালের ব্যক্তিত্বরা

মুক্তিযুদ্ধ

১৯৭১ অধ্যায়ের সাথে যুক্ত ব্যক্তিত্ব, শহীদ, সমন্বয়ক ও সম্মিলিত শক্তির পূর্ণ তালিকা।

Est. 1947 · BengalA Bilingual Archive

পূর্ণ ব্যক্তিত্ব তালিকা

77 প্রোফাইল

শেখ মুজিবুর রহমান

নেতৃত্বব্যক্তি

ছাত্রসংগঠক ও জাতীয় নেতা

দেশভাগের প্রথম ক্ষত থেকে স্বাধীনতার শেষ লড়াই পর্যন্ত তার জনজীবন একটি দীর্ঘ সেতু।

দেশভাগের অব্যবহিত পর থেকেই পূর্ববঙ্গে তিনি ছাত্র ও রাজনৈতিক সংগঠক হিসেবে উঠে আসেন; ভাষার অধিকার, প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন এবং পরে বাংলাদেশের স্বাধীনতার দিকে যাওয়া গণআন্দোলনে তিনি কেন্দ্রীয় ভূমিকা নেন।

পূর্ববঙ্গ ও পূর্ব পাকিস্তান, ১৯৪৮-১৯৭১; ভাষা-রাজনীতির শুরু থেকে স্বায়ত্তশাসন ও স্বাধীনতার সংগ্রাম।

তার রাজনৈতিক পথ ১৯৪৭-পরবর্তী প্রতিনিধিত্ব ও ভাষা সংকটকে পরবর্তী আত্মনিয়ন্ত্রণ ও রাষ্ট্রগঠনের দাবির সঙ্গে যুক্ত করে।

ভাষা অধিকারস্বায়ত্তশাসনজাতীয়তাবাদ
বিস্তারিত

সৈয়দ নজরুল ইসলাম

নেতৃত্বব্যক্তি

অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি

অনিশ্চয়তার সময়ে তিনি রাষ্ট্রের ধারাবাহিক কণ্ঠ ছিলেন।

প্রবাসী রাষ্ট্র কাঠামোর সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা রক্ষা করে মুক্তিযুদ্ধের রাজনৈতিক নেতৃত্বকে বৈধতা দেন এবং সিদ্ধান্তপ্রক্রিয়ায় স্থিতি বজায় রাখেন।

মুজিবনগর সরকার, ১৯৭১; নেতৃত্বের শূন্যতার সময়কাল।

রাষ্ট্রের ধারাবাহিকতার বার্তা ধরে রেখে মুক্তিযুদ্ধকে একটি সংগঠিত জাতীয় সংগ্রাম হিসেবে আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা পেতে সহায়তা করেন।

সাংবিধানিক বৈধতানেতৃত্ব১৯৭১
বিস্তারিত

তাজউদ্দীন আহমদ

সমন্বয়কব্যক্তি

অস্থায়ী সরকারের প্রধানমন্ত্রী

ফ্রন্টলাইনের বাইরে থেকেও যুদ্ধের মানচিত্র তিনি ধরে রেখেছিলেন।

মুক্তিযুদ্ধের সময় প্রবাসী সরকারের প্রশাসনিক কাঠামো, কূটনৈতিক যোগাযোগ ও যুদ্ধ-পরিকল্পনার সমন্বয় করেন। বিচ্ছিন্ন প্রতিরোধকে একটি কার্যকর রাষ্ট্র-পরিচালিত সংগ্রামে রূপ দেন।

মুজিবনগর সরকার, ১৯৭১; ভারত ও আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক পরিমণ্ডল।

রাজনৈতিক বৈধতা, সামরিক সমন্বয় এবং আন্তর্জাতিক সমর্থনকে এক ফ্রেমে এনে মুক্তিযুদ্ধের কার্যকর রাষ্ট্রীয় রূপরেখা প্রতিষ্ঠা করেন।

রাষ্ট্রনীতিযুদ্ধকালীন শাসনকূটনীতি
বিস্তারিত

মুহাম্মদ মনসুর আলী

নেতৃত্বব্যক্তি

জাতীয় নেতা ও প্রধানমন্ত্রী

আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ জাতীয় নেতৃত্বের অংশ হিসেবে তিনি ১৯৭১ সালের স্বাধীনতার সংগ্রামে রাজনৈতিক কর্তৃত্ব ও ধারাবাহিকতার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

আওয়ামী লীগ নেতৃত্ব, মুক্তিযুদ্ধ এবং স্বাধীনতার পর রাষ্ট্রগঠনের প্রেক্ষাপট।

তার প্রোফাইল ১৯৭১ সালের রাজনৈতিক নেতৃত্বগোষ্ঠীকে স্বাধীনতার পরের রাষ্ট্র এবং চার জাতীয় নেতার স্মৃতির সঙ্গে যুক্ত করে।

১৯৭১মুক্তিযুদ্ধরাজনৈতিক নেতৃত্ব
বিস্তারিত

এ. এইচ. এম. কামারুজ্জামান

নেতৃত্বব্যক্তি

অস্থায়ী সরকারের স্বরাষ্ট্র নেতৃত্ব

যুদ্ধের পেছনের প্রশাসনিক সংগঠনে তিনি ছিলেন কেন্দ্রীয় মুখ।

অস্থায়ী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ নেতৃত্ব হিসেবে তিনি অভ্যন্তরীণ প্রশাসন ও রাজনৈতিক সমন্বয় জোরদার করেন।

মুজিবনগর সরকারের প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক কাঠামো, ১৯৭১।

তার ভূমিকা প্রবাসী সরকারের কার্যকারিতা ও সাংগঠনিক সক্ষমতা বাড়ায়।

মুজিবনগরশাসননেতৃত্ব
বিস্তারিত

এম. এ. জি. ওসমানী

নেতৃত্বব্যক্তি

বাংলাদেশ বাহিনীর সর্বাধিনায়ক

তিনি জনযুদ্ধকে কৌশলগত সামরিক রূপ দেন।

সর্বাধিনায়ক হিসেবে তিনি সেক্টরভিত্তিক যুদ্ধকৌশল ও সামরিক কাঠামো সমন্বয় করে মুক্তিবাহিনীকে সংগঠিত করেন।

এপ্রিল-ডিসেম্বর ১৯৭১; মুক্তিবাহিনীর সেক্টর কাঠামো।

বিক্ষিপ্ত প্রতিরোধকে তিনি সমন্বিত সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধে রূপ দেন।

কমান্ডার এ প্রধানমুক্তি বাহিনীকৌশল
বিস্তারিত

জিয়াউর রহমান

নেতৃত্বব্যক্তি

সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্স কমান্ডার

প্রতীক ও ফ্রন্টলাইন—দুই ক্ষেত্রেই তার প্রভাব ছিল উচ্চ।

কালুরঘাট বেতার থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠের মাধ্যমে প্রতিরোধে গতি আনেন; পরে সেক্টর ১, সেক্টর ১১ ও জেড ফোর্সে কমান্ড দেন।

চট্টগ্রাম ও বিভিন্ন যুদ্ধফ্রন্ট, ১৯৭১।

যুদ্ধের শুরুর পর্যায়ে তার সামরিক ও প্রতীকী ভূমিকা প্রতিরোধকে দৃশ্যমান করে।

ঘোষণাসেক্টর কমান্ডজেড ফোর্স
বিস্তারিত

মেজর রফিকুল ইসলাম

নেতৃত্বব্যক্তি

সেক্টর ১ কমান্ডার (পরবর্তী পর্যায়)

সেক্টর ১-এর পরবর্তী পর্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ কমান্ডার।

সেক্টর ১-এ প্রাথমিক নেতৃত্ব পরিবর্তনের পর তিনি চট্টগ্রাম ও সংলগ্ন ফ্রন্টে পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করেন।

সেক্টর ১-এর কমান্ড পরিবর্তন ও ধারাবাহিক অভিযান, ১৯৭১।

তার নেতৃত্ব দক্ষিণ-পূর্ব যুদ্ধাঞ্চলে প্রতিরোধের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সহায়তা করে।

সেক্টর ১কমান্ড পরিবর্তনদক্ষিণ-পূর্ব ফ্রন্ট
বিস্তারিত

খালেদ মোশাররফ

নেতৃত্বব্যক্তি

সেক্টর ২ কমান্ডার ও কে ফোর্স নেতা

সেক্টর ২-এর অপারেশনাল চরিত্র গঠনে তিনি প্রধান।

সেক্টর ২ ও পরে কে ফোর্সের নেতৃত্ব দিয়ে তিনি ঢাকা-কেন্দ্রিক এলাকায় গুরুত্বপূর্ণ গেরিলা ও সামরিক অভিযান পরিচালনা করেন।

কুমিল্লা-ঢাকা ফ্রন্ট ও কে ফোর্স কার্যক্রম, ১৯৭১।

তার নেতৃত্ব সেক্টর ২-এ সংগঠিত সামরিক প্রতিরোধকে শক্তিশালী করে।

সেক্টর ২কে ফোর্সঅভিযান
বিস্তারিত

কে. এম. শফিউল্লাহ

নেতৃত্বব্যক্তি

সেক্টর ৩ কমান্ডার ও এস ফোর্স নেতা

সংগঠিত যুদ্ধশক্তি গঠনে তিনি ছিলেন গুরুত্বপূর্ণ কমান্ডার।

সেক্টর ৩ এবং পরে এস ফোর্সের নেতৃত্বে তিনি নিয়মিত ও গেরিলা—দুই ধরনের যুদ্ধে নেতৃত্ব দেন।

সেক্টরভিত্তিক যুদ্ধ কাঠামো, ১৯৭১।

তার নেতৃত্ব মুক্তিবাহিনীর সংগঠিত সামরিক সক্ষমতা বাড়ায়।

সেক্টর ৩এস ফোর্সসামরিক কমান্ড
বিস্তারিত

আ স ম আবদুর রব

নেতৃত্বব্যক্তি

ছাত্রনেতা ও ১৯৭১ সালের পতাকা উত্তোলন-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিত্ব

ছাত্রনেতা হিসেবে তিনি ১৯৭১ সালের মার্চে বাঙালির আত্মনিয়ন্ত্রণের দাবির গণমোবিলাইজেশন এবং বাংলাদেশের উদীয়মান জাতীয় পতাকার প্রকাশ্য প্রতীকের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

১৯৭১ সালের মার্চে পূর্ব পাকিস্তানে ছাত্ররাজনীতি, অসহযোগ আন্দোলন ও গণসংগঠনের প্রেক্ষাপট।

তার ১৯৭১-সম্পর্কিত ভূমিকা যুদ্ধের পূর্ণ সামরিক পর্যায়ের আগের ছাত্ররাজনীতি ও প্রতীকী স্বাধীনতার দাবিকে বৃহত্তর স্বাধীনতা আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত করে।

১৯৭১মুক্তিযুদ্ধরাজনৈতিক নেতৃত্ব
বিস্তারিত

আবু তাহের

নেতৃত্বব্যক্তি

সামরিক কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব

তিনি মুক্তিযুদ্ধে যোগ দিয়ে সেক্টর ১১-এর কমান্ড কাঠামোর সঙ্গে যুক্ত হন এবং কামালপুর ফ্রন্টে আহত হয়ে একটি পা হারান; পরে স্বাধীন বাংলাদেশে গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হয়ে ওঠেন।

মুক্তিযুদ্ধের যুদ্ধক্ষেত্র, সেক্টর ১১ ও কামালপুর ফ্রন্ট; পরবর্তী সময়ে স্বাধীন বাংলাদেশের সামরিক-রাজনৈতিক অস্থিরতা।

তার প্রোফাইল যুদ্ধকালীন আত্মত্যাগ, সেক্টর কমান্ডের স্মৃতি এবং স্বাধীনতার পরের বিতর্কিত রাষ্ট্ররাজনীতিকে একসঙ্গে দেখায়।

১৯৭১মুক্তিযুদ্ধসামরিক নেতৃত্ব
বিস্তারিত

স্কোয়াড্রন লিডার এম. হামিদুল্লাহ খান

নেতৃত্বব্যক্তি

সেক্টর ১১ কমান্ডার (পরবর্তী পর্যায়)

সেক্টর ১১-এর অভিযানের ধারাবাহিকতা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ পরবর্তী কমান্ডার।

সেক্টর ১১-এ নেতৃত্ব পরিবর্তনের পর তিনি ময়মনসিংহ-টাঙ্গাইল-জামালপুর অঞ্চলে সামরিক অভিযান পরিচালনা করেন।

সেক্টর ১১-এর পরবর্তী পর্যায়ের কমান্ড কাঠামো, ১৯৭১।

উত্তর-মধ্য ফ্রন্টে প্রতিরোধ সমন্বয় বজায় রাখতে তার নেতৃত্ব সহায়ক ছিল।

সেক্টর ১১উত্তর-মধ্য ফ্রন্টকমান্ড পরিবর্তন
বিস্তারিত

সি. আর. দত্ত

নেতৃত্বব্যক্তি

সেক্টর ৪ কমান্ডার

সিলেট ফ্রন্টে তিনি ছিলেন প্রধান ফিল্ড কমান্ডার।

সিলেট অঞ্চলে সেক্টর ৪-এর নেতৃত্বে তিনি সমন্বিত প্রতিরোধ ও আক্রমণ পরিচালনা করেন।

সেক্টর ৪, ১৯৭১।

উত্তর-পূর্ব ফ্রন্টে তার কমান্ড ধারাবাহিক সামরিক চাপ বজায় রাখে।

সেক্টর ৪সিলেটক্ষেত্র কমান্ড
বিস্তারিত

মীর শওকত আলী

নেতৃত্বব্যক্তি

সেক্টর কমান্ডার

উত্তরাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরোধ নেতৃত্বের একটি নাম।

তিনি সেক্টরভিত্তিক যুদ্ধে নেতৃত্ব দিয়ে উত্তরের বিভিন্ন ফ্রন্টে প্রতিরোধ পরিচালনা করেন।

সেক্টর ৫ যুদ্ধক্ষেত্র, ১৯৭১।

তার নেতৃত্ব নির্দিষ্ট ফ্রন্টে প্রতিরোধের ধারাবাহিকতা ধরে রাখে।

সেক্টর ৫উত্তর ফ্রন্টকমান্ড
বিস্তারিত

উইং কমান্ডার এম. কে. বাশার

নেতৃত্বব্যক্তি

সেক্টর ৬ কমান্ডার

উত্তর ফ্রন্টের অন্যতম প্রধান সেক্টর কমান্ডার।

মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে তিনি সেক্টর ৬-এর নেতৃত্ব দিয়ে উত্তরাঞ্চলীয় ফ্রন্টে অভিযান পরিচালনা করেন।

রংপুর-দিনাজপুর-ঠাকুরগাঁও যুদ্ধাঞ্চলে সেক্টর ৬ কার্যক্রম, ১৯৭১।

উত্তরাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ জেলাগুলোতে সুশৃঙ্খল প্রতিরোধ সংগঠনে তার নেতৃত্ব কার্যকর ভূমিকা রাখে।

সেক্টর ৬উত্তর ফ্রন্টকমান্ড
বিস্তারিত

নাজমুল হক

নেতৃত্বব্যক্তি

প্রারম্ভিক সেক্টর নেতৃত্ব

সংগঠিত সামরিক প্রতিরোধের প্রাথমিক স্থপতিদের একজন।

মুক্তিযুদ্ধের শুরুর পর্যায়ে সেক্টরভিত্তিক সামরিক সংগঠন গঠনে তিনি ভূমিকা রাখেন।

প্রতিরোধ সংগঠনের প্রাথমিক পর্যায়, ১৯৭১।

তার প্রারম্ভিক নেতৃত্ব পরবর্তী কমান্ড কাঠামো গঠনে প্রভাব ফেলে।

প্রারম্ভিক কমান্ডসেক্টর গঠনসামরিক
বিস্তারিত

কাজী নুরুজ্জামান

নেতৃত্বব্যক্তি

সেক্টর কমান্ডার

যুদ্ধক্ষেত্রে কৌশলগত নেতৃত্বের জন্য তিনি স্মরণীয়।

তিনি সেক্টর পর্যায়ে সামরিক প্রতিরোধ পরিচালনা করে যুদ্ধে কৌশলগত ধারাবাহিকতা বজায় রাখেন।

সেক্টরভিত্তিক অভিযান, ১৯৭১।

তার নেতৃত্ব ফ্রন্টে স্থিতিশীল ও ধারাবাহিক লড়াই নিশ্চিত করে।

সেক্টর কমান্ডঅভিযাননেতৃত্ব
বিস্তারিত

মোহাম্মদ রুহুল আমিন

শহীদব্যক্তি

বীরশ্রেষ্ঠ (নৌবাহিনী শহীদ)

অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতিতেও দায়িত্বপালন তার বীরত্বকে অমর করে।

পালাশ নৌযানে দায়িত্ব পালনকালে আক্রমণের মুখেও তিনি লড়াই চালিয়ে যান এবং শহীদ হন।

খুলনা-মোংলা নৌফ্রন্ট, ডিসেম্বর ১৯৭১।

তিনি মুক্তিযুদ্ধে নৌসাহস ও আত্মত্যাগের প্রতীক হয়ে ওঠেন।

বীর শ্রেষ্ঠনৌশহীদত্ব
বিস্তারিত

মোস্তফা কামাল

শহীদব্যক্তি

বীরশ্রেষ্ঠ (সেনাবাহিনী শহীদ)

সহযোদ্ধাদের বাঁচাতে তিনি শেষ পর্যন্ত অবস্থান নেন।

দারুইন যুদ্ধে বৃহত্তর শত্রু বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে সহযোদ্ধাদের সরে যাওয়ার সুযোগ করে দিয়ে তিনি শহীদ হন।

আখাউড়া ফ্রন্ট, এপ্রিল ১৯৭১।

তার আত্মত্যাগ মুক্তিযুদ্ধের অসামান্য বীরত্বের অন্যতম দৃষ্টান্ত।

বীর শ্রেষ্ঠসেনাবাহিনীআখাউড়া
বিস্তারিত