রাজা নাহার সিং
নেতৃত্বব্যক্তি
১৮৫৭-পরবর্তী ব্রিটিশ দমনে নিহত বল্লভগড়ের শাসক
“বল্লভগড়ের রাজা নাহার সিং ১৮৫৭ সালের বিদ্রোহের সঙ্গে যুক্ত থাকার পর মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হন।”
বল্লভগড়ের শাসক রাজা নাহার সিং ১৮৫৭ সালের বিদ্রোহের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং বিদ্রোহ দমনের পর ব্রিটিশদের হাতে নিহত হন।
১৮৫৭-১৮৫৯ সময়কালে উত্তর ও মধ্য ভারতের ঔপনিবেশিকবিরোধী গণ-অভ্যুত্থান।
তাঁর পরিণতি দেখায়, ব্রিটিশ নিয়ন্ত্রণ পুনঃপ্রতিষ্ঠার পর বিদ্রোহের সঙ্গে যুক্ত আঞ্চলিক শাসকদের কীভাবে দণ্ডিত করা হয়েছিল।
১৮৫৭বিদ্রোহবিরোধী ঔপনিবেশিক
বিস্তারিত→ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
নেতৃত্বব্যক্তি
বাংলা নবজাগরণের শিক্ষাবিদ ও সমাজসংস্কারক
“ঊনবিংশ শতকের বাঙালি শিক্ষাবিদ ও সমাজসংস্কারক, যিনি বিদ্যালয় বিস্তারকে বিধবা বিবাহের আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত করেন।”
সংস্কৃত পণ্ডিত, শিক্ষা-প্রশাসক ও বাংলা লেখক হিসেবে তিনি মাতৃভাষাভিত্তিক শিক্ষার প্রসার, মেয়েদের বিদ্যালয় এবং হিন্দু বিধবা বিবাহের পক্ষে জনমত গঠনে কাজ করেন।
ঊনবিংশ শতকের ঔপনিবেশিক বাংলায় তিনি সংস্কৃতশিক্ষা, বিদ্যালয় পরিচালনা, বাংলা পাঠ্যপুস্তক ও সামাজিক রীতিনীতি নিয়ে চলা বিতর্ককে একসূত্রে আনেন। তাঁর আবেদন ও শাস্ত্রভিত্তিক যুক্তি ১৮৫০-এর দশকে বিধবা বিবাহকে সংস্কারের কেন্দ্রীয় প্রশ্নে পরিণত করতে সাহায্য করে।
তাঁর শিক্ষা-উদ্যোগ ও জনসমর্থন গঠনের প্রচেষ্টা ১৮৫৬ সালের হিন্দু বিধবা পুনর্বিবাহ আইন প্রণয়নে ভূমিকা রাখে; তাঁর পাঠ্যপুস্তক ও বিদ্যালয়-উদ্যোগ বাংলা শিক্ষা এবং পরবর্তী সামাজিক সংস্কার-আলোচনায় দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলে।
শিক্ষাসংস্কারবাংলা-নবজাগরণসমাজ
বিস্তারিত→মাইকেল মধুসূদন দত্ত
নেতৃত্বব্যক্তি
আধুনিক বাংলা কাব্য-নাট্যরূপের পথিকৃৎ
“রূপের নবায়নে বাংলা কাব্যভাষার এক যুগান্তকারী নির্মাতা।”
অমিত্রাক্ষর ছন্দসহ নানা রূপগত উদ্ভাবনের মাধ্যমে তিনি বাংলা কাব্য ও নাট্যভাষাকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যান।
ঔপনিবেশিক শাসনামলের রূপান্তরপর্বে বাংলা সাহিত্যের আধুনিক কাঠামো গঠনের কেন্দ্রীয় সময়েই তাঁর সৃজনপর্ব বিস্তৃত।
বাংলা সাহিত্যরীতি, নন্দনচিন্তা ও ভাষাগত পরীক্ষায় তিনি স্থায়ী প্রভাব রেখে গেছেন।
কবিতানাটকসাহিত্যআধুনিকতা
বিস্তারিত→