Battle of Plassey, 1757
1757 · Plassey
Language Movement, 1952
1952 · Language
Liberation War, 1971
1971 · Liberation
Partition of Bengal and Swadeshi movement, 1905
1905 · Partition
❦

Discover Bengal · Unfolded

❦

১৭৫৭ সালের ব্যক্তিত্বরা

✦

পলাশীর যুদ্ধ

১৭৫৭ অধ্যায়ের সাথে যুক্ত ব্যক্তিত্ব, শহীদ, সমন্বয়ক ও সম্মিলিত শক্তির পূর্ণ তালিকা।

Est. 1947 · Bengal✺A Bilingual Archive

পূর্ণ ব্যক্তিত্ব তালিকা

✦

22 প্রোফাইল

সিরাজউদ্দৌলা

নেতৃত্বব্যক্তি

বাংলার নবাব

“পলাশীর আগে বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব, যাঁর পরাজয়ে কোম্পানির দিকে রাজনৈতিক ক্ষমতা সরে যায়।”

বাংলার নবাব হিসেবে সিরাজউদ্দৌলা ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির আধিপত্য-প্রচেষ্টাকে চ্যালেঞ্জ করেন, ১৭৫৬ সালে কলকাতা দখল করেন এবং ১৭৫৭ সালে পলাশীতে বাংলার বাহিনীর নেতৃত্ব দেন।

তাঁর স্বল্পকালীন শাসনে দুর্গ নির্মাণ, বাণিজ্যিক সুবিধা, দরবারি উত্তরাধিকার এবং বাংলা সুবাহ ও কোম্পানির সার্বভৌমত্বের বিরোধ একে অপরের সঙ্গে যুক্ত ছিল।

পলাশীতে তাঁর পরাজয় বাংলার দরবার থেকে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির হাতে রাজনৈতিক প্রভাব হস্তান্তরের একটি বড় মোড় হয়ে ওঠে।

পলাশীবাংলাবিরোধী ঔপনিবেশিক
বিস্তারিত→

রবার্ট ক্লাইভ

নেতৃত্বব্যক্তি

ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির সামরিক কমান্ডার

“পলাশীর জয়ের মাধ্যমে বাংলায় কোম্পানির রাজনৈতিক ক্ষমতা বৃদ্ধিকে ত্বরান্বিত করা সামরিক কমান্ডার।”

ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির সামরিক কমান্ডার হিসেবে তিনি পলাশীর যুদ্ধে কোম্পানি বাহিনীকে নেতৃত্ব দেন এবং বাংলার দরবারি গোষ্ঠীগুলোর জোট কাজে লাগিয়ে ব্রিটিশ প্রভাব বিস্তার করেন।

বাংলায় তাঁর কর্মজীবনের কেন্দ্র ছিল ১৭৫৭ সালের পলাশীর যুদ্ধ, ১৭৬৫ সালের পর কোম্পানির রাজস্ব-অধিকার এবং পরবর্তী সামরিক-রাজনৈতিক সম্প্রসারণ।

পলাশীতে ক্লাইভের জয় ও পরবর্তী রাজনৈতিক বন্দোবস্ত বাংলা রাজদরবার ও ইউরোপীয় কোম্পানিগুলোর প্রতিদ্বন্দ্বিতাকে কোম্পানি-প্রধান শাসনের দিকে ঠেলে দেয়।

পলাশীপূর্ব ভারত কোম্পানিঔপনিবেশিক বিস্তার
বিস্তারিত→

মীর জাফর

নেতৃত্বব্যক্তি

সেনানায়ক ও পরবর্তী নবাব

“পলাশীর পর কোম্পানির সঙ্গে জোট বেঁধে বাংলার রাজনৈতিক ক্ষমতার বিন্যাস বদলে দেওয়া সেনানায়ক।”

সিরাজউদ্দৌলার অধীনে উচ্চপদস্থ সেনানায়ক হিসেবে মীর জাফর সিরাজবিরোধী জোটে যোগ দেন এবং পলাশীর যুদ্ধের পর নবাব হন।

তাঁর কর্মজীবনে বাংলার দরবারি রাজনীতি, সামরিক নেতৃত্ব এবং ১৭৫৬–১৭৫৭ সালে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির হস্তক্ষেপ একে অপরের সঙ্গে যুক্ত ছিল।

তাঁর পক্ষপরিবর্তন ও নবাব পদে নিয়োগ পলাশীর রাজনৈতিক ফল এবং বাংলায় কোম্পানির পরবর্তী প্রভাব বিস্তারের ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় ছিল।

পলাশীবাংলা দরবারক্ষমতা পরিবর্তন
বিস্তারিত→

মীরন

সমন্বয়কব্যক্তি

মীর জাফর শিবিরের সামরিক-রাজনৈতিক ব্যক্তি

“মীর জাফরের পুত্র মীরন পলাশীর পর বাংলার উত্তরাধিকার-সংকটে গুরুত্বপূর্ণ সামরিক-রাজনৈতিক ভূমিকা নেন।”

মীর জাফরের পুত্র হিসেবে তিনি পলাশী-পরবর্তী ক্ষমতা সংহতকরণে সক্রিয় ভূমিকা নেন।

পলাশী-পরবর্তী উত্তরাধিকার ও দমনভিত্তিক রাজনীতি।

তার কার্যকলাপ কোম্পানিসমর্থিত নতুন ক্ষমতা কাঠামোকে স্থিত করতে সহায়তা করে।

পলাশীউত্তরাধিকারবাংলা রাজনীতি
বিস্তারিত→

রায় দুর্লভ রাম

সমন্বয়কব্যক্তি

পলাশীতে নবাব বাহিনীর সেনাপতি

“পলাশীতে রায় দুর্লভ রামের নিষ্ক্রিয়তা সিরাজউদ্দৌলার অবস্থান দুর্বল করা অভিজাত সামরিক সমীকরণগুলোর একটি ছিল।”

পলাশীতে তার নিষ্ক্রিয়তা সিরাজের সামরিক অবস্থানকে দুর্বল করে এবং যুদ্ধের রাজনৈতিক ফলকে প্রভাবিত করে।

পলাশীর যুদ্ধে সামরিক আনুগত্যের সংকট।

তার ভূমিকা দেখায়, অভিজাত অবস্থান-পরিবর্তন কীভাবে যুদ্ধের রাজনৈতিক ফল নির্ধারণ করে।

পলাশীসামরিকঅভিজাত পুনর্বিন্যাস
বিস্তারিত→

ইয়ার লতিফ খান

সমন্বয়কব্যক্তি

নবাব বাহিনীর সেনানায়ক

“ইয়ার লতিফ খান ১৭৫৭ সালের পলাশীর যুদ্ধে নবাবের বাহিনীর অন্যতম প্রধান সেনানায়ক ছিলেন।”

পলাশীর যুদ্ধে সিরাজউদ্দৌলার বাহিনীর প্রধান কমান্ড কাঠামোর একজন ছিলেন তিনি।

১৭৫৭ সালে নবাব বাহিনীর নেতৃত্ব ও মোতায়েন।

তার অবস্থান সেই সামরিক ভাঙনের অংশ, যা কোম্পানির বিজয়কে সহজ করে।

পলাশীনবাব সেনাবাহিনীকমান্ড
বিস্তারিত→

মোহনলাল

নেতৃত্বব্যক্তি

সিরাজপন্থী প্রধান কর্মকর্তা

“মোহনলাল পলাশীর যুদ্ধে সিরাজউদ্দৌলার শিবিরের অন্যতম প্রধান অনুগত সামরিক কর্মকর্তা ছিলেন।”

সিরাজের শিবিরে তিনি সক্রিয় বিশ্বস্ত নেতৃত্বের অন্যতম ছিলেন এবং অন্যদের দ্বিধার মধ্যেও লড়াই চালিয়ে যান।

পলাশীর ময়দানে আনুগত্য বনাম ষড়যন্ত্রের দ্বন্দ্ব।

তিনি নবাব শিবিরের সেই প্রতিরোধী অংশের প্রতীক, যারা শেষ পর্যন্ত আত্মসমর্পণ মানেনি।

পলাশীঅনুগতসামরিক প্রতিরোধ
বিস্তারিত→

মীর মদন

শহীদব্যক্তি

পলাশীতে নবাব বাহিনীর গোলন্দাজ কমান্ডার

মীর মদন ২৩ জুন ১৭৫৭ পলাশীর যুদ্ধে নবাব সিরাজউদ্দৌলার পক্ষে গোলন্দাজ বাহিনীর নেতৃত্ব দেন।

ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির বাহিনীর বিরুদ্ধে তিনি সক্রিয়ভাবে লড়াই করেন; যুদ্ধে তার মৃত্যুর পর নবাবের কার্যকর প্রতিরোধ দুর্বল হয়ে পড়ে।

পলাশীর বিবরণে বিশ্বস্ত যোদ্ধা কমান্ডার হিসেবে মীর মদন কোম্পানির অগ্রযাত্রার মুখে দাঁড়ানো সামরিক প্রতিরোধের প্রতীক।

পলাশীআর্টিলারিশহীদত্ব
বিস্তারিত→

খাজা আবদুল হাদি খান

সমন্বয়কব্যক্তি

রাজমহলের ফৌজদার

“খাজা আবদুল হাদি খানের পরিচয় পলাশী-যুগে রাজমহলের জেলা-পর্যায়ের সামরিক ও প্রশাসনিক ক্ষমতার গুরুত্ব দেখায়।”

বাংলা ঐতিহাসিক বয়ানে তিনি পলাশী-যুগের ক্ষমতার দ্বন্দ্বে যুক্ত অন্যতম ব্যক্তি হিসেবে চিহ্নিত।

নবাবি বাংলার আঞ্চলিক সামরিক-প্রশাসনিক কাঠামো।

তার উপস্থিতি দেখায়, ১৭৫৭-এর সংকট শুধু দরবারে সীমাবদ্ধ ছিল না; জেলা-পর্যায়ের ক্ষমতাকাঠামোকেও ছুঁয়েছিল।

পলাশীরাজমহলনবাবি প্রশাসন
বিস্তারিত→

নবা সিং হাজারী

সমন্বয়কব্যক্তি

নবাবপন্থী সামরিক কর্মকর্তা

“নবা সিং হাজারী পলাশী-সংক্রান্ত বর্ণনায় উল্লেখিত অপেক্ষাকৃত কম পরিচিত নবাবি কর্মকর্তাদের প্রতিনিধিত্ব করেন।”

বাংলা তথ্যভিত্তিক ঐতিহাসিক রেফারেন্সে তাকে পলাশী-সংশ্লিষ্ট সামরিক ব্যক্তিদের মধ্যে উল্লেখ করা হয়।

১৭৫৭ সালের নবাবি সামরিক সমীকরণ।

তিনি দেখান যে যুদ্ধটি শুধু কয়েকজন বিখ্যাত সেনানায়কের মধ্যে সীমিত ছিল না; বৃহত্তর কর্মকর্তা-জাল জড়িত ছিল।

পলাশীসামরিক নেটওয়ার্কনবাবি বাংলা
বিস্তারিত→

জগতশেঠ

সংগঠনসংস্থা

ব্যাংকিং গোষ্ঠী ও দরবারি অর্থশক্তি

“পলাশীকে ঘিরে দরবারি অর্থনীতি ও রাজনীতিতে যুক্ত মুর্শিদাবাদের প্রভাবশালী ব্যাংকিং হাউস।”

জগতশেঠ ব্যাংকিং হাউস মুর্শিদাবাদের দরবারে অর্থ জোগাত এবং পলাশীর আগে সিরাজউদ্দৌলাবিরোধী রাজনৈতিক জোটের সঙ্গে যুক্ত ছিল।

অষ্টাদশ শতকের বাংলায় ব্যাংকিং, রাজস্বপ্রবাহ ও দরবারি রাজনীতি ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত ছিল। ১৭৫৭ সালে সার্বভৌমত্ব নিয়ে দরকষাকষিতে বাণিজ্যিক অর্থশক্তির প্রবেশ জগতশেঠদের অবস্থানে স্পষ্ট হয়।

পলাশীকে ঘিরে আর্থিক ও অভিজাত জোট এবং ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির দিকে রাজনৈতিক প্রভাব হস্তান্তর বোঝার ক্ষেত্রে জগতশেঠদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।

পলাশীঅর্থমুর্শিদাবাদ
বিস্তারিত→

উমিচাঁদ

সমন্বয়কব্যক্তি

বণিক-মধ্যস্থতাকারী

“উমিচাঁদ পলাশীর আগে ক্যালকাটার বণিক-মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কোম্পানি কর্মকর্তা ও বাংলার অভিজাতদের আলোচনায় যুক্ত ছিলেন।”

ক্যালকাটাকেন্দ্রিক বণিক হিসেবে তিনি পলাশীপূর্ব কোম্পানি কর্মকর্তা ও বাংলার অভিজাত রাজনীতির আলোচনায় জড়িত ছিলেন।

১৭৫৭ সালের বাণিজ্যিক মধ্যস্থতা ও গোপন দরকষাকষি।

তার ঘটনাপ্রবাহ দেখায়, পলাশীর পথে বাণিজ্য, কূটনীতি ও ছলনার সম্পর্ক কতটা ঘনিষ্ঠ ছিল।

পলাশীবণিক রাজনীতিকলকাতা
বিস্তারিত→

উইলিয়াম ওয়াটস

সমন্বয়কব্যক্তি

মুর্শিদাবাদে কোম্পানির রাজনৈতিক প্রতিনিধি

“উইলিয়াম ওয়াটস পলাশীর আগে মুর্শিদাবাদে কোম্পানির রাজনৈতিক মধ্যস্থতাকারী ছিলেন।”

মুর্শিদাবাদে কোম্পানির প্রধান মধ্যস্থতাকারী হিসেবে তিনি সিরাজবিরোধী গোষ্ঠীর সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষায় সক্রিয় ছিলেন।

পলাশীপূর্ব কোম্পানির কূটনৈতিক ও গোয়েন্দা তৎপরতা।

তার ভূমিকা গোপন দরকষাকষিকে কৌশলগত সুবিধায় রূপান্তর করতে সহায়তা করে।

পলাশীমুর্শিদাবাদকোম্পানি কূটনীতি
বিস্তারিত→

লুক স্ক্রাফটন

সমন্বয়কব্যক্তি

কোম্পানি কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক সহযোগী

“লুক স্ক্রাফটন পলাশীর সময়পর্বে কোম্পানির রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক নেটওয়ার্কের একজন কর্মকর্তা ছিলেন।”

পলাশীর সময়পর্বে বাংলায় কোম্পানির রাজনৈতিক তৎপরতায় তিনি যুক্ত ছিলেন।

অষ্টাদশ শতকের মাঝামাঝি বাংলায় কোম্পানির প্রশাসনিক-রাজনৈতিক কাঠামো।

তিনি দেখান, শুধু সেনাপতি নয়; কোম্পানির বৃহত্তর আমলাতান্ত্রিক নেটওয়ার্কও সম্প্রসারণে ভূমিকা রাখে।

পলাশীকোম্পানি কর্মকর্তাবাংলা রাজনীতি
বিস্তারিত→

চার্লস ওয়াটসন

নেতৃত্বব্যক্তি

রয়্যাল নেভির অ্যাডমিরাল

“পলাশীর আগে কলকাতা পুনর্দখলে সহায়তাকারী রয়্যাল নেভি কমান্ডার।”

অ্যাডমিরাল চার্লস ওয়াটসন ১৭৫৬–১৭৫৭ সালে বাংলায় ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির অভিযানে সহায়তাকারী রয়্যাল নেভি বাহিনীর নেতৃত্ব দেন।

সিরাজউদ্দৌলার বিরুদ্ধে সম্মিলিত সামরিক অভিযানে তাঁর নৌ-হস্তক্ষেপ ঘটে, যখন ব্রিটিশরা কলকাতা পুনর্দখল ও পলাশীর দিকে অগ্রসর হচ্ছিল।

ওয়াটসনের ভূমিকা দেখায়, পলাশীর আগে বাংলায় রয়্যাল নেভির সম্পদ ও কোম্পানির রাজনৈতিক স্বার্থ কীভাবে একত্র হয়েছিল।

পলাশী যুগনৌ ক্ষমতাব্রিটিশ হস্তক্ষেপ
বিস্তারিত→

আইয়ার কুট

সমন্বয়কব্যক্তি

কোম্পানি সামরিক কর্মকর্তা

“পলাশীর পর বাংলায় কোম্পানির সামরিক অভিযানের সঙ্গে যুক্ত কর্মকর্তা।”

আইয়ার কুট পলাশী-পর্ব ও বাংলায় ব্রিটিশ ক্ষমতা সংহত করার পরবর্তী অভিযানে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির সামরিক কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করেন।

১৭৫০-এর দশকের শেষভাগে সিরাজউদ্দৌলার পতনের পর কোম্পানির সামরিক অভিযান, রাজস্বস্বার্থ ও রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ একত্র হয়ে প্রভাব বিস্তার করে।

কুটের উপস্থিতি পলাশীর সামরিক বিজয় থেকে কোম্পানির প্রাদেশিক ও প্রশাসনিক ক্ষমতায় রূপান্তরের ধারাবাহিকতা প্রতিফলিত করে।

পলাশী যুগকোম্পানি সেনাবাহিনীসংহতি
বিস্তারিত→

ঘসেটি বেগম

সমন্বয়কব্যক্তি

নবাবি দরবারের প্রভাবশালী শক্তি

“পলাশীর আগে সিরাজবিরোধী সমীকরণের সঙ্গে যুক্ত মুর্শিদাবাদ দরবারের প্রভাবশালী ব্যক্তি।”

ঘসেটি বেগম মুর্শিদাবাদের দরবারে একজন প্রভাবশালী ব্যক্তি ছিলেন এবং পলাশীর আগে সিরাজউদ্দৌলাবিরোধী গোষ্ঠীর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

১৭৫৭ সালের আগে নবাবি দরবারের উত্তরাধিকার ও গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের মধ্যে তাঁর প্রভাব গড়ে ওঠে। দরবারি রাজনীতি সামরিক কমান্ডার, ব্যাংকার ও ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির উচ্চাকাঙ্ক্ষার সঙ্গে মিলে যায়।

ঘসেটি বেগমের অবস্থান দেখায়, পলাশীর রাজনৈতিক পূর্বশর্ত শুধু ব্রিটিশ সামরিক হস্তক্ষেপে নয়, দরবারের অভ্যন্তরীণ সংঘাতেও গঠিত হয়েছিল।

পলাশীদরবার রাজনীতিমুর্শিদাবাদ
বিস্তারিত→

আলিবর্দি খান

নেতৃত্বব্যক্তি

বাংলার সাবেক নবাব

“আলিবর্দি খানের দীর্ঘ শাসন পলাশীর আগে সিরাজউদ্দৌলা উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া রাজনীতি ও ক্ষমতার কাঠামো গড়ে দেয়।”

সিরাজউদ্দৌলার পূর্বসূরি ও মাতামহ হিসেবে তার শাসনামলে গড়ে ওঠা রাজনৈতিক কাঠামোই পলাশী-সঙ্কটের সময় উত্তরাধিকারসূত্রে কার্যকর ছিল।

১৭৫৭-পূর্ব নবাবি বাংলা।

তার প্রশাসনিক ও উত্তরাধিকার কাঠামো পরবর্তী অস্থিরতার প্রেক্ষাপট তৈরি করে, যা পলাশীতে ব্যবহৃত হয়।

নবাবি বাংলাউত্তরাধিকারপলাশী প্রেক্ষাপট
বিস্তারিত→

খাজা ওয়াজিদ

সমন্বয়কব্যক্তি

প্রভাবশালী আর্মেনিয়ান বণিক

“খাজা ওয়াজিদের বাণিজ্যিক প্রভাব পলাশী-যুগে অর্থনীতি, ঋণ ও দরবারি রাজনীতির আন্তঃসম্পর্ক তুলে ধরে।”

বাংলার বাণিজ্য নেটওয়ার্কে তিনি শক্তিশালী বণিক ছিলেন এবং পলাশী-যুগের উচ্চস্তরের রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক দরকষাকষির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

অষ্টাদশ শতকের মাঝামাঝি বাংলার বাণিজ্য-দরবারি রাজনীতি।

তার ভূমিকা দেখায়, সার্বভৌম ক্ষমতা বদলের সঙ্গে বণিক-অভিজাত শক্তি কতটা ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত ছিল।

পলাশী যুগবাণিজ্যআর্মেনীয় নেটওয়ার্ক
বিস্তারিত→

খাজা পেত্রুস

সমন্বয়কব্যক্তি

আর্মেনিয়ান দরবারি-বাণিজ্যিক মধ্যস্থতাকারী

“খাজা পেত্রুস পলাশী-পর্বের দরবারি ও বাণিজ্যিক নেটওয়ার্কে আর্মেনিয়ান মধ্যস্থতাকারীদের উপস্থিতির উদাহরণ।”

বাংলা ঐতিহাসিক রেফারেন্সে তিনি পলাশী-পর্বের দরবারি-বাণিজ্যিক নেটওয়ার্কের অংশ হিসেবে উল্লেখিত।

নবাবি বাংলায় আর্মেনিয়ান মধ্যস্থতাকারী গোষ্ঠী।

তার উপস্থিতি দেখায়, ১৭৫৭-এর রূপান্তরে বাণিজ্য, কূটনীতি ও দরবারি সমীকরণকে যুক্ত করা মধ্যস্থতাকারীরা গুরুত্বপূর্ণ ছিল।

পলাশী যুগমধ্যস্থআর্মেনীয় নেটওয়ার্ক
বিস্তারিত→