Discover Bengal · Unfolded
❦ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ
স্রষ্টা/অবদানকারী
এই নামের সাথে যুক্ত সব রিসোর্স একসাথে দেখুন।
রিসোর্সসমূহ
৩
দুর্নীতিবিরোধী অভিযান ও সুশাসন সংস্কার, ২০০৭–২০০৮
research-articles-and-papers · Scholarly Articles and Papers
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দুর্নীতিবিরোধী অভিযান, governance reform, accountability claims ও selective justice debate বোঝার জন্য relevant source.
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৮ ও খসড়া সাইবার নিরাপত্তা আইন ২০২৩
primary-sources · Official Documents and Legal Texts
DSA 2018-এর ব্যবহার, সমালোচনা ও পরবর্তী Cyber Security Act debate বোঝার জন্য useful civil-society analysis.
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০১৮
research-articles-and-papers · Scholarly Articles and Papers
২০১৮ নির্বাচনের প্রক্রিয়া, নির্বাচন কমিশন, প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, political parties এবং অনিয়মের অভিযোগ নিয়ে structured research review.
সম্পর্কিত ইভেন্ট
৩
২০০৭-২০০৮
জরুরি আমলের তত্ত্বাবধায়ক শাসন
২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারির জরুরি ঘোষণার পর বাংলাদেশ দীর্ঘ তত্ত্বাবধায়ক শাসনপর্বে প্রবেশ করে, যা নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠানের সক্রিয় সমর্থনে পরিচালিত হয়। দুর্নীতিবিরোধী অভিযান, রাজনৈতিক আটক এবং প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস একটি অনির্বাচিত কাঠামোর মধ্যে চলতে থাকে; পরে ২০০৮ সালের ডিসেম্বরের নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচিত সরকারে প্রত্যাবর্তন ঘটে। সমসাময়িক বাংলাদেশের সবচেয়ে বিতর্কিত রূপান্তরগুলোর একটি হিসেবে এই সময়কাল এখনও আলোচিত।
২০১৮
প্রতিবাদ, নিয়ন্ত্রণ ও বিতর্কিত বৈধতার বছর
২০১৮ সালে বাংলাদেশে শিক্ষার্থী-নেতৃত্বাধীন প্রতিবাদ, আইনি নিয়ন্ত্রণের বিস্তার এবং নির্বাচনী সংঘাত দ্রুত ধারাবাহিকতায় দেখা যায়। কোটা সংস্কার আন্দোলন ও নিরাপদ সড়ক আন্দোলন দেখায় যে শিক্ষার্থীরা ন্যায়, জবাবদিহি ও দৈনন্দিন শাসন-সংক্রান্ত প্রশ্নে দ্রুত সংগঠিত হতে পারে। পরে ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট মতপ্রকাশ ও রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ায়, আর বছরের শেষে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অংশগ্রহণ, বৈধতা ও গণতান্ত্রিক প্রতিযোগিতার ভবিষ্যৎ নিয়ে বিতর্ককে আরও গভীর করে।
২০১৮
ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট প্রণয়ন
২০১৮ সালের অক্টোবরে ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট কার্যকর হয় এবং দ্রুতই বাংলাদেশে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিয়ে বিতর্কের কেন্দ্রে উঠে আসে। সমালোচকেরা যুক্তি দেন, এর অস্পষ্ট ধারা, বিস্তৃত পুলিশি ক্ষমতা এবং বক্তব্য-সংক্রান্ত শাস্তির বিধান সাংবাদিকদের ভয় দেখাতে, ভিন্নমত দমন করতে এবং ডিজিটাল পরিসরে রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণ বাড়াতে ব্যবহৃত হতে পারে।