শেখ মুজিবুর রহমান
নেতৃত্বব্যক্তিছাত্রসংগঠক ও জাতীয় নেতা
দেশভাগের প্রথম ক্ষত থেকে স্বাধীনতার শেষ লড়াই পর্যন্ত তার জনজীবন একটি দীর্ঘ সেতু।
দেশভাগের অব্যবহিত পর থেকেই পূর্ববঙ্গে তিনি ছাত্র ও রাজনৈতিক সংগঠক হিসেবে উঠে আসেন; ভাষার অধিকার, প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন এবং পরে বাংলাদেশের স্বাধীনতার দিকে যাওয়া গণআন্দোলনে তিনি কেন্দ্রীয় ভূমিকা নেন।
পূর্ববঙ্গ ও পূর্ব পাকিস্তান, ১৯৪৮-১৯৭১; ভাষা-রাজনীতির শুরু থেকে স্বায়ত্তশাসন ও স্বাধীনতার সংগ্রাম।
তার রাজনৈতিক পথ ১৯৪৭-পরবর্তী প্রতিনিধিত্ব ও ভাষা সংকটকে পরবর্তী আত্মনিয়ন্ত্রণ ও রাষ্ট্রগঠনের দাবির সঙ্গে যুক্ত করে।
language-rightsautonomynationalism
বিস্তারিততাজউদ্দীন আহমদ
সমন্বয়কব্যক্তিঅস্থায়ী সরকারের প্রধানমন্ত্রী
ফ্রন্টলাইনের বাইরে থেকেও যুদ্ধের মানচিত্র তিনি ধরে রেখেছিলেন।
মুক্তিযুদ্ধের সময় প্রবাসী সরকারের প্রশাসনিক কাঠামো, কূটনৈতিক যোগাযোগ ও যুদ্ধ-পরিকল্পনার সমন্বয় করেন। বিচ্ছিন্ন প্রতিরোধকে একটি কার্যকর রাষ্ট্র-পরিচালিত সংগ্রামে রূপ দেন।
মুজিবনগর সরকার, ১৯৭১; ভারত ও আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক পরিমণ্ডল।
রাজনৈতিক বৈধতা, সামরিক সমন্বয় এবং আন্তর্জাতিক সমর্থনকে এক ফ্রেমে এনে মুক্তিযুদ্ধের কার্যকর রাষ্ট্রীয় রূপরেখা প্রতিষ্ঠা করেন।
statecraftwartime-governancediplomacy
বিস্তারিতআবু সাঈদ চৌধুরী
নেতৃত্বব্যক্তিমুক্তিযুদ্ধের কূটনৈতিক মুখ
যুদ্ধক্ষেত্রের বাইরে তিনি স্বাধীনতার কণ্ঠকে বিশ্বমঞ্চে পৌঁছে দেন।
আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতার রাজনৈতিক বৈধতা ও নৈতিক দাবিকে তুলে ধরেন।
আন্তর্জাতিক কূটনীতি ও বৈদেশিক প্রচারণা, ১৯৭১।
তার প্রচেষ্টা বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির পথকে শক্তিশালী করে।
diplomacyinternational-advocacystate-legitimacy
বিস্তারিতকামাল হোসেন
নেতৃত্বব্যক্তিসংবিধান প্রণয়ন কমিটির সভাপতি
তিনি ১৯৭২ সালের সংবিধান প্রণয়ন কমিটির নেতৃত্ব দেন এবং বাংলাদেশের প্রাথমিক সংসদীয় কাঠামোর অন্যতম প্রধান আইনগত স্থপতি হিসেবে কাজ করেন।
মুক্তিযুদ্ধ-পরবর্তী বাংলাদেশে রাষ্ট্রগঠন ও সংবিধান প্রণয়ন।
তার ভূমিকা স্বাধীনতার আদর্শকে অধিকার, সংসদীয় শাসন ও প্রজাতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থার প্রাতিষ্ঠানিক ভাষায় রূপ দিতে সাহায্য করে।
বিস্তারিত