আবদুল ওয়াহেদ
নেতৃত্বব্যক্তিভাষা আন্দোলনের কর্মী
১৯৪৮ সালের পর্যায়ে গ্রেপ্তার হওয়া কর্মীদের মধ্যে তিনি ছিলেন এবং ভাষার অধিকারের দাবিকে এগিয়ে নেওয়া ধারাবাহিক কর্মীবাহিনীর অংশ ছিলেন।
ভাষা আন্দোলনের প্রাথমিক সংগঠনিক পর্যায়।
তার মতো কর্মীরাই ১৯৫২-এর শহীদদের আগেই ভাষার দাবিকে জীবিত রেখেছিলেন।
বিস্তারিতআমানুল হক
নেতৃত্বব্যক্তিআন্দোলনের আলোকচিত্রী
ভাষা আন্দোলনের নানা মুহূর্ত, বিশেষ করে শহীদদের ছবি ধারণ করে তিনি একুশের দৃশ্যমান ইতিহাস সংরক্ষণ করেন।
১৯৫২ এবং পরবর্তী সময়ের ভিজ্যুয়াল ডকুমেন্টেশন।
তার আলোকচিত্র একুশকে জনস্মৃতিতে দৃশ্যমান ও গভীরভাবে স্পর্শকাতর করে তোলে।
বিস্তারিতআলাউদ্দিন আল আজাদ
নেতৃত্বব্যক্তিলেখক ও সাংস্কৃতিক কর্মী
বাংলা ভাষা, সংস্কৃতি এবং পূর্ববাংলার রাজনৈতিক আত্মপ্রকাশের পক্ষে সক্রিয় প্রগতিশীল সাহিত্যিক ধারার অংশ ছিলেন তিনি।
ভাষা আন্দোলন-সংলগ্ন সাংস্কৃতিক রাজনীতি।
তার উপস্থিতি দেখায় বাংলা সাহিত্য ও রাজনৈতিক প্রতিবাদ কীভাবে একে অন্যকে শক্তি জুগিয়েছিল।
বিস্তারিতশহীদ সাবের
নেতৃত্বব্যক্তিলেখক ও প্রগতিশীল কর্মী
ভাষা আন্দোলনের সঙ্গে সমান্তরাল প্রগতিশীল সাহিত্যিক ও বামপন্থী সাংস্কৃতিক ধারার অংশ ছিলেন তিনি।
১৯৫০-এর দশকের শুরুতে পূর্ববাংলার সাহিত্যিক ও রাজনৈতিক বাম পরিসর।
তার মতো ব্যক্তিত্বরা আন্দোলনের নৈতিক ও সাংস্কৃতিক শক্তিকে আরও গভীর করে তোলেন।
বিস্তারিততামদ্দুন মজলিশ
সংগঠনসংস্থাবুদ্ধিবৃত্তিক সংগঠন
আবুল কাসেমের নেতৃত্বে এই সংগঠনটি বাংলা রাষ্ট্রভাষার দাবিতে প্রাথমিক সংগঠিত প্রচারণা শুরু করে।
দেশভাগ-পরবর্তী ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠিত পর্যায়।
ভাষার দাবিকে প্রাথমিক বুদ্ধিবৃত্তিক ভিত্তি দিয়ে এটি জনরাজনীতির কেন্দ্রে নিয়ে আসে।
বিস্তারিতসর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ
সংগঠনজোটসমন্বয়ক ফ্রন্ট
১৯৫২ সালের শুরুতে দল, ছাত্রসংগঠন ও কর্মীদের একত্র করে এই কমিটি সমন্বিত আন্দোলনের পরিকল্পনা করে।
ঢাকা, জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি ১৯৫২।
২১ ফেব্রুয়ারির গণঅমান্যকে বাস্তবে রূপ দিতে এই কমিটি সংগঠনিক কাঠামো প্রদান করে।
বিস্তারিতঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা
সম্মিলিত কণ্ঠসংস্থাছাত্রসমষ্টি
তারা আন্দোলনের কেন্দ্রে ছিল; কৌশল নিয়ে বিতর্ক করেছে, ১৪৪ ধারা ভেঙেছে, এবং প্রতিবাদকে রাস্তায় নামিয়েছে।
বিশেষ করে ১৯৪৮-১৯৫২ সময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস।
তাদের সম্মিলিত পদক্ষেপই আন্দোলনকে সাহস, শৃঙ্খলা এবং ইতিহাসবদলানো মুহূর্ত এনে দেয়।
বিস্তারিতঢাকা মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীরা
সম্মিলিত কণ্ঠসংস্থাছাত্রসমষ্টি
তারা আন্দোলন সংগঠনে অংশ নেয়, আহতদের পাশে দাঁড়ায়, এবং হত্যাকাণ্ডের পর দ্রুত প্রথম শহীদ মিনার নির্মাণ করে।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হোস্টেল ও এর আশপাশের আন্দোলনকেন্দ্র।
তাদের উদ্যোগ রক্তপাতের স্থানকে শোক, স্মৃতি ও প্রতিরোধের স্থানে পরিণত করে।
বিস্তারিতপূর্ব পাকিস্তান মুসলিম ছাত্রলীগ
সংগঠনসংস্থাছাত্রসংগঠন
এই সংগঠন থেকেই ভাষা আন্দোলনের বহু তরুণ সংগঠক উঠে আসে, যারা ভাষার প্রশ্নকে গণরাজনীতির কেন্দ্রে নিয়ে যায়।
দেশভাগ-পরবর্তী পূর্ববঙ্গের ছাত্ররাজনীতি।
এটি ছিল সেই প্রধান রাজনৈতিক ধারাগুলোর একটি, যেখান থেকে তরুণ নেতৃত্ব ভাষা আন্দোলনকে এগিয়ে নেয়।
বিস্তারিতচট্টগ্রাম রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ
সংগঠনসংস্থাআঞ্চলিক সংগ্রাম কমিটি
ঢাকার বাইরে চট্টগ্রামে ভাষা আন্দোলনের সংগঠন ও বিস্তারে এই কমিটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
১৯৫২-র আগে ও পরে চট্টগ্রাম জেলার আন্দোলনপর্ব।
এটি দেখায় ভাষা আন্দোলন কেবল রাজধানীকেন্দ্রিক ছিল না; তা পুরো প্রদেশে বিস্তৃত হচ্ছিল।
বিস্তারিত