খাজা শাহাবুদ্দীন
নেতৃত্বব্যক্তিমুসলিম লীগ রাজনীতিক
ঢাকার নবাব পরিবার-ঘনিষ্ঠ রাজনৈতিক পরিমণ্ডল থেকে উঠে এসে তিনি পাকিস্তানে উত্তরণের সময় মুসলিম লীগ রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন।
বাংলা ও পাকিস্তানের অভিজাত রাজনৈতিক নেটওয়ার্ক।
তার রাজনৈতিক পথ দেখায় দেশভাগের পর পুরোনো জমিদার-প্রভাবিত অভিজাত শক্তি কীভাবে নতুন রাষ্ট্রে নিজেদের মানিয়ে নেয়।
বিস্তারিতহুমায়ুন কবির
নেতৃত্বব্যক্তিবুদ্ধিজীবী ও রাজনীতিক
সাংবিধানিক ও শিক্ষাবিষয়ক বিতর্কে তিনি বাঙালি উদারবুদ্ধিজীবী ধারার প্রতিনিধিত্ব করেন।
ঔপনিবেশিক শাসনের শেষভাগ ও স্বাধীনতাত্তোর জনজীবন।
তার চিন্তাধারা সাম্প্রদায়িক বিভাজনের বাইরে বহুত্ববাদী, নাগরিক ও শিক্ষাভিত্তিক ভবিষ্যতের পক্ষে একটি গুরুত্বপূর্ণ বাঙালি ধারা তুলে ধরে।
বিস্তারিতমুজাফফর আহমদ
নেতৃত্বব্যক্তিবামপন্থী রাজনৈতিক চিন্তক
বাংলার এক প্রভাবশালী বামপন্থী চিন্তক হিসেবে তিনি সাম্প্রদায়িক রাজনীতির বাইরে শ্রেণি ও শ্রমের প্রশ্নকে সামনে আনেন।
দেশভাগের আগে ও পরে বাংলার বাম রাজনীতি।
তার উপস্থিতি দেখায় দেশভাগকে শ্রম, শ্রেণি ও ঔপনিবেশিকতাবিরোধী সংগ্রামের বড় ইতিহাসের মধ্যেও পড়তে হয়।
বিস্তারিতসোমনাথ লাহিড়ী
নেতৃত্বব্যক্তিকমিউনিস্ট আইনপ্রণেতা
স্বাধীনতা-উত্তর রূপান্তরকালে তিনি রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা, অধিকার ও সাংবিধানিক কর্তৃত্বের বিষয়ে বামপন্থী সমালোচনা সামনে আনেন।
বাংলা ও ভারতের সাংবিধানিক ও বাম রাজনীতি।
তার রাজনীতি দেখায় সাম্প্রদায়িকতা ও কর্তৃত্ববাদী রাষ্ট্রগঠনের সমান্তরাল সমালোচনাও বাংলায় শক্তিশালী ছিল।
বিস্তারিতজসীমউদ্দীন
নেতৃত্বব্যক্তিপল্লীকবি
তার কবিতা সেই ভাষা, স্মৃতি ও গ্রামীণ সামাজিক জগতকে ধারণ করে, যাকে দেশভাগ নির্মমভাবে ভেঙে দেয়।
দেশভাগের আগে-পরে বাংলার সাংস্কৃতিক স্মৃতি।
তার সাহিত্য মনে করিয়ে দেয় রাজনৈতিক সীমারেখা টানলেও বাংলার সাংস্কৃতিক আবেগকে সম্পূর্ণ ভাগ করা যায়নি।
বিস্তারিতআবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ
নেতৃত্বব্যক্তিসাংস্কৃতিক ঐতিহ্যসংরক্ষক
বাংলা সাহিত্য-ঐতিহ্য সংগ্রহ ও সংরক্ষণে তার জীবনব্যাপী কাজ রাজনৈতিক ভাঙনের সময়েও সাংস্কৃতিক ধারাবাহিকতার ভিত্তি রক্ষা করে।
দেশভাগ-পর্বে স্মরণযোগ্য বৃহত্তর বাংলা সাহিত্যঐতিহ্য।
তার উত্তরাধিকার দেখায় বাঙালি পরিচয়ের ভিত গভীর এক যৌথ সাংস্কৃতিক সংগ্রহশালার ওপর দাঁড়িয়ে আছে।
বিস্তারিতআবু সালেহ মোহাম্মদ আকরাম
সমন্বয়কব্যক্তিবাউন্ডারি কমিশনের সদস্য
চূড়ান্ত দেশভাগ প্রক্রিয়ায় তিনি বঙ্গ বাউন্ডারি কমিশনের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
১৯৪৭ সালে বাংলার সীমারেখা নির্ধারণের প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়া।
তার ভূমিকা সেই প্রশাসনিক-আইনি যন্ত্রের অংশ, যার মাধ্যমে বাংলাকে চূড়ান্তভাবে ভাগ করা হয়।
বিস্তারিতবিজন কুমার মুখার্জি
সমন্বয়কব্যক্তিবাউন্ডারি কমিশনের সদস্য
বাংলা বিভাজনের সময় তিনি বঙ্গ বাউন্ডারি কমিশনের সদস্য ছিলেন।
দেশভাগকালে সীমারেখা নির্ধারণ বিষয়ক আনুষ্ঠানিক আলোচনা।
তার ভূমিকা দেখায় কীভাবে রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব শেষ পর্যন্ত একটি নতুন মানচিত্রে রূপ নেয়।
বিস্তারিতএস. এ. রহমান
সমন্বয়কব্যক্তিবাউন্ডারি কমিশনের সদস্য
বাংলার চূড়ান্ত বিভাজন নিয়ে কাজ করা বঙ্গ বাউন্ডারি কমিশনে তিনি অংশ নেন।
দেশভাগের সময় সীমারেখা নির্ধারণের প্রক্রিয়া।
তিনি সেই অল্পসংখ্যক আইনগত ব্যক্তিত্বের একজন, যারা বাংলাকে বিভক্ত করা রেখা নির্ধারণের প্রক্রিয়ায় জড়িত ছিলেন।
বিস্তারিতসি. সি. বিশ্বাস
সমন্বয়কব্যক্তিবাউন্ডারি কমিশনের সদস্য
দেশভাগ পুরস্কার ঘোষণার আগে শেষ সপ্তাহগুলোতে তিনি বঙ্গ বাউন্ডারি কমিশনের সদস্য হিসেবে কাজ করেন।
১৯৪৭ সালে বাংলার দেশভাগের আইনগত ও কারিগরি প্রক্রিয়া।
তার ভূমিকা মনে করিয়ে দেয় দেশভাগ শুধু গণরাজনীতি নয়, দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলা এক আইনি-প্রশাসনিক প্রক্রিয়াও ছিল।
বিস্তারিত